সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সাকার ফিশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধে’ নেমেছে সেনাবাহিনী! Logo হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু Logo চলতি মাসে ২-৩ টি তীব্র কালবৈশাখী হতে পারে, রয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কা Logo পদ্মা ব্যারেজ: ইলিশের ভাল-মন্দ Logo ২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন Logo ঈদযাত্রার ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু Logo পরিবেশ দূষণকারীদের ‘মানুষরূপী চতুষ্পদ প্রাণী’ বললেন গাজীপুরের ডিসি   Logo লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় সরকারের নিন্দা Logo শতবর্ষে প্রকৃতির কণ্ঠস্বর: স্যার ডেভিড অ্যাটেনবরো, জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ুর এক অনন্য যোদ্ধা Logo মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ

সাকার ফিশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধে’ নেমেছে সেনাবাহিনী!

সাকার ফিশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধে’ নেমেছে সেনাবাহিনী!

এক সময় দক্ষিণ আমেরিকার যে মাছটি আনা হয়েছিল অ্যাকুরিয়ামের বৈচিত্র্য বাড়াতে, অ্যাকুরিয়াম পরিষ্কার রাখতে সেই সাকার ফিশ এখন বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার মতো দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর পরিবেশ-প্রতিবেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। এতদিন এই মাছের জন্য দেশীয় মাছের বিলুপ্তির শঙ্কা করা হচ্ছিল। এবার জানা গেলো এই আগ্রাসী প্রজাতির সাকার ফিশ শহরের অস্তিত্বের জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে। ইন্দোনেশিয়ায় দেখা গেছে, এই সাকার ফিশগুলো নদীর পাড়ে গর্ত করে ডিম পাড়ে, যার ফলে নদীর বাঁধ ও দেয়াল ধসে পড়ছে। এছাড়া জাকার্তার জলভাগের প্রায় ৬০% থেকে ৮০% এখন এই মাছের দখলে চলে গেছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য সম্পূর্ণ নষ্ট করছে। ফলে রাক্ষুসে মাছের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রীতিমতো ‘যুদ্ধে’ নেমেছে ইন্দোনেশিয়ার সেনাবাহিনী।

জাকার্তার গভর্নর প্রমোনো আনুং-এর নির্দেশে এই আক্রমণাত্মক মাছের বিরুদ্ধে “যুদ্ধ” (War against janitor fish) ঘোষণা করা হয়েছে। জাকার্তায় সাকার ফিশ (স্থানীয় নাম ‘সাপু-সাপু’ বা ঝাড়ুদার মাছ) দূরীকরণের এই বিশেষ অভিযানে দেশটির সেনাবাহিনী সরাসরি অংশ নিচ্ছে।

অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি সরকারের মৎস্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কর্মী (অরেঞ্জ ট্রুপস) এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ একসাথে কাজ করছে।

মাত্র দুই সপ্তাহের অভিযানে জাকার্তার বিভিন্ন নদী ও জলাশয় থেকে ৫ টনেরও বেশি (অন্যান্য এলাকায় ৭ টন পর্যন্ত) সাকার ফিশ ধরা হয়েছে।

সেনাবাহিনী ও উদ্ধারকর্মীরা জাল দিয়ে মাছগুলো ধরার পর সেগুলোকে স্থানীয় দেশীয় মাছ থেকে আলাদা করছে। এরপর নিশ্চিতভাবে মেরে ফেলার জন্য মাছগুলোর মাথা কেটে ফেলা হচ্ছে এবং রাসায়নিক ছিটিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাটিতে পুঁতে ফেলা হচ্ছে।

গভর্নরের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই মাছ সম্পূর্ণ নির্মূল করতে একটি “স্পেশাল ফোর্স” বা বিশেষ দল গঠন করা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সাকার ফিশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধে’ নেমেছে সেনাবাহিনী!

সাকার ফিশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধে’ নেমেছে সেনাবাহিনী!

আপডেট সময় ০৬:৪৩:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

এক সময় দক্ষিণ আমেরিকার যে মাছটি আনা হয়েছিল অ্যাকুরিয়ামের বৈচিত্র্য বাড়াতে, অ্যাকুরিয়াম পরিষ্কার রাখতে সেই সাকার ফিশ এখন বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়ার মতো দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর পরিবেশ-প্রতিবেশের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছে। এতদিন এই মাছের জন্য দেশীয় মাছের বিলুপ্তির শঙ্কা করা হচ্ছিল। এবার জানা গেলো এই আগ্রাসী প্রজাতির সাকার ফিশ শহরের অস্তিত্বের জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে। ইন্দোনেশিয়ায় দেখা গেছে, এই সাকার ফিশগুলো নদীর পাড়ে গর্ত করে ডিম পাড়ে, যার ফলে নদীর বাঁধ ও দেয়াল ধসে পড়ছে। এছাড়া জাকার্তার জলভাগের প্রায় ৬০% থেকে ৮০% এখন এই মাছের দখলে চলে গেছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য সম্পূর্ণ নষ্ট করছে। ফলে রাক্ষুসে মাছের এই আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রীতিমতো ‘যুদ্ধে’ নেমেছে ইন্দোনেশিয়ার সেনাবাহিনী।

জাকার্তার গভর্নর প্রমোনো আনুং-এর নির্দেশে এই আক্রমণাত্মক মাছের বিরুদ্ধে “যুদ্ধ” (War against janitor fish) ঘোষণা করা হয়েছে। জাকার্তায় সাকার ফিশ (স্থানীয় নাম ‘সাপু-সাপু’ বা ঝাড়ুদার মাছ) দূরীকরণের এই বিশেষ অভিযানে দেশটির সেনাবাহিনী সরাসরি অংশ নিচ্ছে।

অভিযানে সেনাবাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি সরকারের মৎস্য মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কর্মী (অরেঞ্জ ট্রুপস) এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ একসাথে কাজ করছে।

মাত্র দুই সপ্তাহের অভিযানে জাকার্তার বিভিন্ন নদী ও জলাশয় থেকে ৫ টনেরও বেশি (অন্যান্য এলাকায় ৭ টন পর্যন্ত) সাকার ফিশ ধরা হয়েছে।

সেনাবাহিনী ও উদ্ধারকর্মীরা জাল দিয়ে মাছগুলো ধরার পর সেগুলোকে স্থানীয় দেশীয় মাছ থেকে আলাদা করছে। এরপর নিশ্চিতভাবে মেরে ফেলার জন্য মাছগুলোর মাথা কেটে ফেলা হচ্ছে এবং রাসায়নিক ছিটিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাটিতে পুঁতে ফেলা হচ্ছে।

গভর্নরের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই মাছ সম্পূর্ণ নির্মূল করতে একটি “স্পেশাল ফোর্স” বা বিশেষ দল গঠন করা হচ্ছে।