ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রধান ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস মারা গেছেন। সোমবার (২১ এপ্রিল) তিনি মারা যান বলে জানিয়েছে ভ্যাটিকান। ভ্যাটিকানের কাসা সান্তা মার্তায় নিজ বাসভবনে তার মৃত্যু হয়। এর আগে পোপ ফ্রান্সিসের স্বাস্থ্যের অবস্থা সংকটজনক বলে জানানো হয়েছিল।
তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। ১২ বছর ধরে পোপ পদে থাকার পর তিনি মারা গেলেন। বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন, রোমান ক্যাথলিক চার্চের প্রথম ল্যাটিন আমেরিকান পোপ ফ্রান্সিস। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়।
পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যুর ঘটনায় শোক জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সেন্ট পিটার্স স্কোয়ারে হাজার হাজার উপাসককে ‘শুভ ইস্টার’ জানানোর একদিন পরই তার মৃত্যু হলো। এ সময় তিনি হুইলচেয়ারে করে বেরিয়ে এসে সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার বারান্দা থেকে উল্লাসিত জনতার দিকে হাত নাড়িয়ে বললেন: ‘প্রিয় ভাই ও বোনেরা, শুভ ইস্টার।’

তার ঐতিহ্যবাহী ইস্টার ভাষণ এবং আশীর্বাদ বাক্য একজন সহকারী পাঠ করেন। তখন তিনি বসে ছিলেন এবং দেখছিলেন।
ফ্রান্সিস, অনেক দিন ধরে ফুসফুসের রোগে ভুগছিলেন এবং যুবক বয়সে তার একটি ফুসফুসের অংশবিশেষ কেটে ফেলা হয়েছিল।
তাকে ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫ তারিখে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় জেমেলি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যা ডাবল নিউমোনিয়ায় পরিণত হয়। তিনি সেখানে ৩৮ দিন কাটিয়েছিলেন।

পোপ ফ্রান্সিস, ইতিহাসের প্রথম ল্যাটিন আমেরিকান পোপ, যিনি তাঁর বিনয়ী ভঙ্গি এবং দরিদ্রদের প্রতি ভালোবাসার মাধ্যমে বিশ্বকে মুগ্ধ করেছিলেন।
বিবিসির বিশেষ প্রতিবেদনে ভাষ্যকাররা বলছেন, পোপ ফ্রান্সিস প্রচলিত অর্থডক্স ধারা থেকে বেরিয়ে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় সচেষ্ট থেকেছেন। তার মৃত্যুতে শুধু খ্রিস্টানরাই নয়, বিশ্ব সম্প্রদায় শোক প্রকাশ করছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের নানা দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা শোক জানাতে শুরু করেছেন।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 




















