সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

প্রকৃতিবার্তা ডটকম: এক বছরের দৃপ্ত পথচলা

প্রকৃতিবার্তা ডটকম: এক বছরের দৃপ্ত পথচলা

এই তো সেদিনের কথা—কোভিড-১৯ মহামারির ভয়াবহতা আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছে, প্রকৃতি যদি রুষ্ট হয়, তা কতটা নির্মম হতে পারে। বিশ্বব্যাপী সেই সংকটকালে জীবন রক্ষায় সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত বস্তু ছিল অক্সিজেন। প্রাসঙ্গিক একটি তথ্য এখানে উল্লেখ করা জরুরি। একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের দৈনিক প্রয়োজন হয় প্রায় ৫৫০ লিটার বিশুদ্ধ অক্সিজেন। সিলিন্ডারজাত করলে এর জন্য লাগে প্রায় ২০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার (প্রতিটির ধারণক্ষমতা ২.৭৫ লিটার)। বাজারমূল্যে যার মোট দাম প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা।

অন্যদিকে, প্রতিদিন একজন মানুষ নিঃসরণ করেন প্রায় ৬,৯১,০০০ মিলিলিটার কার্বন-ডাই-অক্সাইড, যার ওজন প্রায় ১.২৭ কেজি। এই কার্বন-ডাই-অক্সাইড হলো গ্রীন হাউস গ্যাসের একটি প্রধান উপাদান। একজন মানুষের সারা জীবনের নিঃসৃত কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণে প্রয়োজন পড়ে কমপক্ষে ৩১ থেকে ৪৬টি গাছ।

এই বাস্তবতাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করেই “সুন্দর প্রকৃতিতে গড়ি সুস্থ জীবন”— স্লোগান সামনে রেখে প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণের বহুমাত্রিক পরিকল্পনা নিয়ে ২০০৯ সালে যাত্রা শুরু করে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন। ২০১০ সালের ১ আগস্ট থেকে চ্যানেল আইতে শুরু হয় বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য নিয়ে ফাউন্ডেশনের গবেষণাভিত্তিক টিভি অনুষ্ঠান ‘প্রকৃতি ও জীবন’। শুধু প্রকৃতি ও জীবন অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন পরিবেশ সুরক্ষা ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। গবেষণা কার্যক্রম, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, গাছ লাগানো, বন সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, দূষণ রোধ এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি—এসব মূল লক্ষ্য নিয়ে ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন ঢাকার অদূরে সাভারের গেণ্ডা এলাকায় ২০১২ সালের ২১ জুন প্রতিষ্ঠা করে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা সেখানে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন। প্রকৃতি ও জীবন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে স্কুলের শিশুদের নিয়মিত দেয়া হচ্ছে খাদ্য ও শিক্ষাসামগ্রী। শীত, বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে অসহায় মানুষদের দেয়া হয় শীতবস্ত্র ও ত্রাণ। দেশের প্রান্তিক ও অবহেলিত মানুষের জন্য জীবিকার বহুমুখীকরণের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন ও টেকসই জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২২ সাল থেকে পরিচালিত হচ্ছে ‘পরিবেশবান্ধব বিকল্প আয়’ কার্যক্রম।

দেশজুড়ে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ২০২২ সালের ৫ জুন গঠন করা হয় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব। এটি স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। সংগীতের মাধ্যমে পরিবেশ ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ২০২৪ সালে ‘সবুজ সুরে রাঙাই জীবন’ স্লোগানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রকৃতি ও জীবন মিউজিক ক্লাব’। এ সংগঠনের লক্ষ্য হলো সংগীতানুষ্ঠান, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিচর্চা ও পরিবেশবিষয়ক গণসচেতনতা সৃষ্টি করা।

প্রতিবছর একজন প্রকৃতি অন্তঃপ্রাণ ব্যক্তিকে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন-চ্যানেল আইয়ের পক্ষ থেকে ‘প্রকৃতি সংরক্ষণ পদক’ প্রদান করা হয়। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে  বাংলাদেশের পরিবেশ ও প্রকৃতির সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন ‘প্রকৃতিবার্তা’। এছাড়া বন্যপ্রাণী, পরিবেশ ও জলবায়ুসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন নিয়মিত বই প্রকাশ করছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বইগুলো দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে বিতরণ করা হচ্ছে, যাতে আগামী প্রজন্ম সচেতন হয়ে বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের নানামুখী উদ্যোগ, কর্মসূচি এবং দেশের পরিবেশবিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রমগুলো ‘প্রকৃতি সংবাদ’ শিরোনামে নিয়মিত চ্যানেল আইতে প্রচারিত হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় ‘সংবাদ ও জীবন’ স্লোগান নিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন চালু করে প্রকৃতি-পরিবেশ বিষয়ক সংবাদভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল “প্রকৃতিবার্তা ডটকম” (prokritibarta.com)। প্রকৃতিবার্তা ডটকম এক বছরে পাঠকের সামনে তুলে ধরেছে প্রকৃতি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য সংবাদ। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ঘটনাপ্রবাহ, খেলাধুলা, বিনোদন, লাইফস্টাইল, সাহিত্য-সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম ও ভ্রমণ—এসব বিষয়েও নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে চলেছে পোর্টালটি।

আমাদের অগ্রযাত্রার মূল শক্তি শুধু আকর্ষণীয় শিরোনামে নয়, বরং সত্যনিষ্ঠ, নির্ভুল ও তথ্যসমৃদ্ধ সংবাদ পরিবেশন। সময়ের বিবর্তনে পাঠকের চাহিদা ও সমাজের ইতিবাচক চেতনার প্রতিফলন ঘটিয়ে, ‘প্রকৃতিবার্তা ডটকম’ (prokritibarta.com) ভবিষ্যতেও এগিয়ে যাবে—এই বিশ্বাস নিয়ে প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের সকল পাঠক, শুভানুধ্যায়ী এবং সহযোগীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।

 

সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি, প্রকৃতিবার্তা ডটকম  

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

প্রকৃতিবার্তা ডটকম: এক বছরের দৃপ্ত পথচলা

আপডেট সময় ১২:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

এই তো সেদিনের কথা—কোভিড-১৯ মহামারির ভয়াবহতা আমাদের শিখিয়ে দিয়ে গেছে, প্রকৃতি যদি রুষ্ট হয়, তা কতটা নির্মম হতে পারে। বিশ্বব্যাপী সেই সংকটকালে জীবন রক্ষায় সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত বস্তু ছিল অক্সিজেন। প্রাসঙ্গিক একটি তথ্য এখানে উল্লেখ করা জরুরি। একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের দৈনিক প্রয়োজন হয় প্রায় ৫৫০ লিটার বিশুদ্ধ অক্সিজেন। সিলিন্ডারজাত করলে এর জন্য লাগে প্রায় ২০০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার (প্রতিটির ধারণক্ষমতা ২.৭৫ লিটার)। বাজারমূল্যে যার মোট দাম প্রায় ১৮ লক্ষ টাকা।

অন্যদিকে, প্রতিদিন একজন মানুষ নিঃসরণ করেন প্রায় ৬,৯১,০০০ মিলিলিটার কার্বন-ডাই-অক্সাইড, যার ওজন প্রায় ১.২৭ কেজি। এই কার্বন-ডাই-অক্সাইড হলো গ্রীন হাউস গ্যাসের একটি প্রধান উপাদান। একজন মানুষের সারা জীবনের নিঃসৃত কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণে প্রয়োজন পড়ে কমপক্ষে ৩১ থেকে ৪৬টি গাছ।

এই বাস্তবতাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করেই “সুন্দর প্রকৃতিতে গড়ি সুস্থ জীবন”— স্লোগান সামনে রেখে প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণের বহুমাত্রিক পরিকল্পনা নিয়ে ২০০৯ সালে যাত্রা শুরু করে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন। ২০১০ সালের ১ আগস্ট থেকে চ্যানেল আইতে শুরু হয় বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্য নিয়ে ফাউন্ডেশনের গবেষণাভিত্তিক টিভি অনুষ্ঠান ‘প্রকৃতি ও জীবন’। শুধু প্রকৃতি ও জীবন অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন পরিবেশ সুরক্ষা ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। গবেষণা কার্যক্রম, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, গাছ লাগানো, বন সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা, দূষণ রোধ এবং পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি—এসব মূল লক্ষ্য নিয়ে ফাউন্ডেশন কাজ করে যাচ্ছে।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন ঢাকার অদূরে সাভারের গেণ্ডা এলাকায় ২০১২ সালের ২১ জুন প্রতিষ্ঠা করে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র। সুবিধাবঞ্চিত মানুষেরা সেখানে চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন। প্রকৃতি ও জীবন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে স্কুলের শিশুদের নিয়মিত দেয়া হচ্ছে খাদ্য ও শিক্ষাসামগ্রী। শীত, বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে অসহায় মানুষদের দেয়া হয় শীতবস্ত্র ও ত্রাণ। দেশের প্রান্তিক ও অবহেলিত মানুষের জন্য জীবিকার বহুমুখীকরণের মাধ্যমে দারিদ্র বিমোচন ও টেকসই জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০২২ সাল থেকে পরিচালিত হচ্ছে ‘পরিবেশবান্ধব বিকল্প আয়’ কার্যক্রম।

দেশজুড়ে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে ২০২২ সালের ৫ জুন গঠন করা হয় প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব। এটি স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচি পরিচালনা করছে। সংগীতের মাধ্যমে পরিবেশ ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ২০২৪ সালে ‘সবুজ সুরে রাঙাই জীবন’ স্লোগানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রকৃতি ও জীবন মিউজিক ক্লাব’। এ সংগঠনের লক্ষ্য হলো সংগীতানুষ্ঠান, প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিচর্চা ও পরিবেশবিষয়ক গণসচেতনতা সৃষ্টি করা।

প্রতিবছর একজন প্রকৃতি অন্তঃপ্রাণ ব্যক্তিকে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন-চ্যানেল আইয়ের পক্ষ থেকে ‘প্রকৃতি সংরক্ষণ পদক’ প্রদান করা হয়। ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে  বাংলাদেশের পরিবেশ ও প্রকৃতির সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে ত্রৈমাসিক ম্যাগাজিন ‘প্রকৃতিবার্তা’। এছাড়া বন্যপ্রাণী, পরিবেশ ও জলবায়ুসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন নিয়মিত বই প্রকাশ করছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বইগুলো দেশের বিভিন্ন স্কুল-কলেজে বিতরণ করা হচ্ছে, যাতে আগামী প্রজন্ম সচেতন হয়ে বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখতে পারে।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের নানামুখী উদ্যোগ, কর্মসূচি এবং দেশের পরিবেশবিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রমগুলো ‘প্রকৃতি সংবাদ’ শিরোনামে নিয়মিত চ্যানেল আইতে প্রচারিত হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় ‘সংবাদ ও জীবন’ স্লোগান নিয়ে ২০২৪ সালের ৫ জুন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন চালু করে প্রকৃতি-পরিবেশ বিষয়ক সংবাদভিত্তিক অনলাইন পোর্টাল “প্রকৃতিবার্তা ডটকম” (prokritibarta.com)। প্রকৃতিবার্তা ডটকম এক বছরে পাঠকের সামনে তুলে ধরেছে প্রকৃতি, পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু পরিবর্তন-সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য সংবাদ। পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের ঘটনাপ্রবাহ, খেলাধুলা, বিনোদন, লাইফস্টাইল, সাহিত্য-সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, ধর্ম ও ভ্রমণ—এসব বিষয়েও নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে চলেছে পোর্টালটি।

আমাদের অগ্রযাত্রার মূল শক্তি শুধু আকর্ষণীয় শিরোনামে নয়, বরং সত্যনিষ্ঠ, নির্ভুল ও তথ্যসমৃদ্ধ সংবাদ পরিবেশন। সময়ের বিবর্তনে পাঠকের চাহিদা ও সমাজের ইতিবাচক চেতনার প্রতিফলন ঘটিয়ে, ‘প্রকৃতিবার্তা ডটকম’ (prokritibarta.com) ভবিষ্যতেও এগিয়ে যাবে—এই বিশ্বাস নিয়ে প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের সকল পাঠক, শুভানুধ্যায়ী এবং সহযোগীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা।

 

সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি, প্রকৃতিবার্তা ডটকম