সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বজ্রপাতে একদিনে সারাদেশে অন্তত ১২ জনের প্রাণহানি Logo রাঙ্গামাটিতে পুরুষ হাতির মৃত্যু, পাশে দাঁড়িয়ে শোকাতুর সঙ্গিনী Logo মাছ বেশি ভাজলে যে যে ক্ষতি হয় Logo ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা, ভারী বৃষ্টির আভাস Logo প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব ঢাকা’র আয়োজনে মুকিত মজুমদার বাবুকে সংবর্ধনা Logo হোয়াইট হাউজের নৈশভোজে গুলি, তবে এতে ট্রাম্প ‘সম্মানিত’ বোধ করছেন!   Logo রংপুর বিভাগে বৃষ্টি, শীঘ্রই দেশের ৭০-৮০ শতাংশ এলাকায় মিলতে পারে একই স্বস্তি Logo উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo কাপ্তাইয়ে আহত লজ্জাবতী উদ্ধার করে চিকিৎসার পর অবমুক্ত Logo পরিবেশ ধ্বংসের বাস্তবচিত্র: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্যের ভাগাড়!

পানিতে ডুবে নেত্রকোণায় শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু

নেত্রকোণায় পুকুরে ও নদীর পানিতে ডুবে শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন শিশু এবং সালমা আক্তার (২১) নামের এক গৃহবধূ রয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার (২৩ জুন)  সকালে পূর্বধলা ও দুর্গাপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন, পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের পাঁচমারকেন্ডা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ৮ বছরের শিশু মো. নোমান মিয়া, সদর উপজেলার সাতপাই উল্লাবাড়ি এলাকার মো. আল মামুনের ৭ বছরের শিশু মো. তাসকিন মিয়া। নোমান আর তাসকিন একে অপরের খালাত ভাই।

সালমা পূর্বধলার আগিয়া ইউনিয়নের টিকুরিয়া গ্রামের নওয়াব আলীর মেয়ে এবং বিশকাকুনী গ্রামের মফিজুল ইসলামের স্ত্রী। এছাড়া ৫ বছরের শিশু জাহাঙ্গীর ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার কুল্লাতলী গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাশেদুল ইসলাম জানান, তাসকিন শনিবার বিকেলে মা-বাবার সাথে পাঁচমারগেন্ডা গ্রামে নানা বাড়ি বেড়াতে যায়। পরে তাসকিন তার খালাত ভাই নোমানকে খেলা করতে বাড়ি থেকে বের হয়। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

রোববার সকাল সোয়া ১০টার দিকে বাড়ির পাশে কংস নদের শাখা দেইড়াগাঙয়ে তাদের ভাসমান মরদেহ দেখতে পান বাড়ির লোকজন। পরে তাসকিন ও নোমানের লাশ উদ্ধার করেন তারা।

এছাড়া সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলায় দাদীর বাড়ীতে বেড়াতে এসে সমবয়সী শিশুদের সাথে নদীতে গোসল করতে বের হয় জাহাঙ্গীর। পরে দুর্গাপুর পৌর শহরের তেরী বাজার এলাকার সোমেশ্বরী নদীতে ডুবে যায়। সাথে থাকা অন্য দুই শিশু বাড়ি ফিরে জাহাঙ্গীরের নদীতে ডুবে যাওয়ার বিষয়টি জানালে পরিবারের লোকজন নদী থেকে জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উত্তম চন্দ্র দেব জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া সালমা আক্তার বাড়ির সামনে পুকুরে হাতমুখ ধোয়ার সময় পানিতে পড়ে যান। বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজি করে পৌনে ১১টার দিকে পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালমাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুই শিশু ও গৃহবধূর পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার বিষয়ে থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বজ্রপাতে একদিনে সারাদেশে অন্তত ১২ জনের প্রাণহানি

পানিতে ডুবে নেত্রকোণায় শিশুসহ ৪ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় ০৬:৩১:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪
নেত্রকোণায় পুকুরে ও নদীর পানিতে ডুবে শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে তিনজন শিশু এবং সালমা আক্তার (২১) নামের এক গৃহবধূ রয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার (২৩ জুন)  সকালে পূর্বধলা ও দুর্গাপুরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃতরা হলেন, পূর্বধলা উপজেলার ধলামূলগাঁও ইউনিয়নের পাঁচমারকেন্ডা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ৮ বছরের শিশু মো. নোমান মিয়া, সদর উপজেলার সাতপাই উল্লাবাড়ি এলাকার মো. আল মামুনের ৭ বছরের শিশু মো. তাসকিন মিয়া। নোমান আর তাসকিন একে অপরের খালাত ভাই।

সালমা পূর্বধলার আগিয়া ইউনিয়নের টিকুরিয়া গ্রামের নওয়াব আলীর মেয়ে এবং বিশকাকুনী গ্রামের মফিজুল ইসলামের স্ত্রী। এছাড়া ৫ বছরের শিশু জাহাঙ্গীর ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার কুল্লাতলী গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রাশেদুল ইসলাম জানান, তাসকিন শনিবার বিকেলে মা-বাবার সাথে পাঁচমারগেন্ডা গ্রামে নানা বাড়ি বেড়াতে যায়। পরে তাসকিন তার খালাত ভাই নোমানকে খেলা করতে বাড়ি থেকে বের হয়। বেশ কিছু সময় পেরিয়ে গেলেও তারা বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

রোববার সকাল সোয়া ১০টার দিকে বাড়ির পাশে কংস নদের শাখা দেইড়াগাঙয়ে তাদের ভাসমান মরদেহ দেখতে পান বাড়ির লোকজন। পরে তাসকিন ও নোমানের লাশ উদ্ধার করেন তারা।

এছাড়া সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দুর্গাপুর উপজেলায় দাদীর বাড়ীতে বেড়াতে এসে সমবয়সী শিশুদের সাথে নদীতে গোসল করতে বের হয় জাহাঙ্গীর। পরে দুর্গাপুর পৌর শহরের তেরী বাজার এলাকার সোমেশ্বরী নদীতে ডুবে যায়। সাথে থাকা অন্য দুই শিশু বাড়ি ফিরে জাহাঙ্গীরের নদীতে ডুবে যাওয়ার বিষয়টি জানালে পরিবারের লোকজন নদী থেকে জাহাঙ্গীরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) উত্তম চন্দ্র দেব জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া সালমা আক্তার বাড়ির সামনে পুকুরে হাতমুখ ধোয়ার সময় পানিতে পড়ে যান। বাড়ির লোকজন খোঁজাখুঁজি করে পৌনে ১১টার দিকে পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালমাকে মৃত ঘোষণা করেন। দুই শিশু ও গৃহবধূর পানিতে ডুবে মারা যাওয়ার বিষয়ে থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।