স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল করে অধ্যাদেশ জারি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল করে অধ্যাদেশ জারি

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের ধারাগুলো বাতিল করে অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। ফলে এখন থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না।

ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন আইন সংশোধন করে সোমবার (১৯ আগস্ট) এই অধ্যাদেশ জারির ফলে আগামীতে আর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের আইনি সুযোগ থাকছে না।

গত ১ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত চারটি আলাদা অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায়। ২৪ জুলাই উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সম্মতি নিয়ে তা গেজেট আকারে প্রকাশ হলো।

২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন বিভিন্ন দল ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা।

অন্তর্বর্তী সরকারের করা নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনও দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার সুপারিশ করে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা এই বিধান বাদ দিলে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নন, এমন অনেক যোগ্য ব্যক্তিও নির্বাচনে আগ্রহী হবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বাতিল করে অধ্যাদেশ জারি

আপডেট সময় ০২:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের ধারাগুলো বাতিল করে অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। ফলে এখন থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক থাকছে না।

ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন আইন সংশোধন করে সোমবার (১৯ আগস্ট) এই অধ্যাদেশ জারির ফলে আগামীতে আর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের আইনি সুযোগ থাকছে না।

গত ১ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত চারটি আলাদা অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায়। ২৪ জুলাই উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সম্মতি নিয়ে তা গেজেট আকারে প্রকাশ হলো।

২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এরপর থেকে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন বিভিন্ন দল ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা।

অন্তর্বর্তী সরকারের করা নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশন ও স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনও দলীয় প্রতীক বাদ দেওয়ার সুপারিশ করে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা এই বিধান বাদ দিলে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত নন, এমন অনেক যোগ্য ব্যক্তিও নির্বাচনে আগ্রহী হবেন।