মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ উত্তরবঙ্গে, তাপমাত্রা নামলো ১ অঙ্কের ঘরে

মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ উত্তরবঙ্গে, তাপমাত্রা নামলো ১ অঙ্কের ঘরে

দেশের উত্তরের জেলাগুলোতে শীতের দাপট বাড়ছে। পঞ্চগড়ের ওপর দিয়ে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা নেমে এসেছে এক অঙ্কে। এতে করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

 

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আবারো কমে ৯ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

শনিবার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্র ও বৃহস্পতিবারও একই তাপমাত্রা ছিল। টানা তিন দিন ধরে এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। ভোর ও রাতে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।

 

ভোরেই সূর্যের দেখা মিললেও হিমালয় থেকে বেয়ে আসা বাতাসের কারণে প্রতিদিন বিকেলের পর থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে সকালে ঝলমলে রোদ ছড়িয়ে পড়লে কমে যায় শীতের তীব্রতা। দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিললেও তীব্রতা কম। মাঝেমধ্যে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া ঠান্ডা বাতাসে দুর্ভোগ বাড়ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

মৌসুমের প্রথম শৈত্যপ্রবাহ উত্তরবঙ্গে, তাপমাত্রা নামলো ১ অঙ্কের ঘরে

আপডেট সময় ১২:১০:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশের উত্তরের জেলাগুলোতে শীতের দাপট বাড়ছে। পঞ্চগড়ের ওপর দিয়ে মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা নেমে এসেছে এক অঙ্কে। এতে করে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে, সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

 

রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আবারো কমে ৯ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

 

শনিবার পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শুক্র ও বৃহস্পতিবারও একই তাপমাত্রা ছিল। টানা তিন দিন ধরে এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে। ভোর ও রাতে কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।

 

ভোরেই সূর্যের দেখা মিললেও হিমালয় থেকে বেয়ে আসা বাতাসের কারণে প্রতিদিন বিকেলের পর থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে সকালে ঝলমলে রোদ ছড়িয়ে পড়লে কমে যায় শীতের তীব্রতা। দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিললেও তীব্রতা কম। মাঝেমধ্যে ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বয়ে যাওয়া ঠান্ডা বাতাসে দুর্ভোগ বাড়ছে।