মূলত যেসব কারণে ফেব্রুয়ারি এলেই দেশের সাগরে-সৈকতে এত এত জেলিফিশ  

উপকূলের মানুষ জেলিফিশ চেনে, এমনকি স্থানীয়ভাবে এই অমেরুদণ্ডী সামুদ্রিক জীবকে তারা স্থানীয়ভাবে ‘নুইন্না’ বলে ডাকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই নুইন্না বা জেলিফিশ সাগরপারের প্রকৃতি ও জীবনে এক অশুভ পরিণতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইনকিলাব পত্রিকার অনলাইনে ৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত খবর বলছে, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে জোয়ারের সঙ্গে ভেসে আসছে অসংখ্য মৃত ও জীবিত জেলিফিশ। গত শুক্রবার থেকে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সৈকতের দীর্ঘ ২২ কিলোমিটারের বিভিন্ন পয়েন্টে জেলিফিশগুলোকে বালুতে আটকে থাকতে দেখা গেছে। সৈকতজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এসব প্রাণীর দেহ পচে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি এলেই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কুয়াকাটা, কক্সবাজার সৈকতে এরকম হাজার হাজার জেলিফিশ ভেসে আসার খবর প্রকাশিত হচ্ছে নানা গণমাধ্যমে। এসময় সমুদ্রে জেলেদের জালও বোঝাই হয়ে যাচ্ছে নানা আকৃতির জেলিফিশে।

কিন্তু কেন এই সময়টায় সাগরে এত জেলিফিশ দেখা যাচ্ছে? এমন প্রশ্নে বিশেষজ্ঞ পর্যায় থেকে সুনির্দিষ্ট দুইটি কারণ পাওয়া যায়, এগুলোর একটি হলো(জলবায়ু সংশ্লিষ্ট অন্যটি জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের সাথে জড়িত।

এই উত্তরগুলো বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ঘেঁটে এবং এআই দিয়ে খুঁজে বের করে সংক্ষেপে আগ্রহী পাঠকের সামনে তুলে ধরলো প্রকৃতিবার্তা:  

 

জলবায়ু পরিবর্তনে উষ্ণ সাগর, জেলিফিশের নার্সারি 

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে দিন দিন সমুদ্রের পানির উষ্ণতার মাত্রা বেড়ে চলেছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সামুদ্রিক জীবজগতে। সমুদ্রের পানির এই বাড়তি তাপে কোথাও কোরাল বা প্রবালের মতো জীবজগত সাদা হয়ে যাচ্ছে বা মরে যাচ্ছে আবার কোথাও উষ্ণ পানিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সংখ্যায় কিছু জীবের আধিক্য বাড়ছে। অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তনে সামুদ্রিক জীবজগতে ভারসাম্য আর থাকছে না।

বাংলাদেশের উপকূলে জেলিফিশের এই অতিবাড়ন্ত অবস্থাকেও সাগরের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলাফল হিসেবে দেখছেন অনেক গবেষক। তারা বলছেন সাগরের পানির তাপমাত্রা ও অক্সিজেন বৃদ্ধির ফলে সাদা জেলিফিশ অধিকমাত্রায় প্রজনন করছে এবং সংখ্যা বাড়ছে।

বিশিষ্ট মৎস্য বিজ্ঞানী ড. কবির আহমদ মনে করেন, সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বেড়ে গেলে জেলিফিশ ব্যাপকভাবে বাচ্চা দেয়। এদের বংশবৃদ্ধির হার এতোই বেশি যে, এরা সমুদ্রে জেলিফিশ ব্লুম ঘটাতে পারে। ফলে মৎস্য সম্পদের উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এছাড়া পানির তাপমাত্রা বেশি থাকার জেলিফিশের খাবার অর্থাৎ প্ল্যাঙ্কটনের পরিমাণও অনেক বেড়ে যায়। এই প্রচুর খাবারের কারণে জেলিফিশ ব্লুম ঘটে।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে: গবেষকরা বলছেন, শীতের শেষে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ খানিকটা বেড়ে যায়। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ খুব ভালো থাকে, যা জেলিফিশের বংশবিস্তারের জন্য উপযুক্ত সময়।

পটুয়াখালীর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন,“এটিই মূলত: জেলিফিশের প্রজনন মৌসুম।”

তিনি জানান, সমুদ্রের তাপমাত্রা ও লবণাক্ততা অনুকূলে থাকায় এই সময়ে জেলিফিশের বংশবিস্তার বেড়ে যায়। মাছের ডিম, প্লাঙ্কটন ও অন্যান্য ক্ষুদ্র জলজ প্রাণি খেয়ে এরা দ্রুতই বেড়ে ওঠে। প্রজনন মৌসুম হওয়ায় প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে উপকূলীয় এলাকায় জেলিফিশের আধিক্য বেশ বেড়ে যায়।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “যেহেতু এরা স্রোতের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারেনা, তাই স্রোত বা জোয়ারের পানিতে ভেসে প্রায়ই তীরে চলে আসে এবং বালিতে আটকে যায়। আবার বিপুল সংখ্যক জেলিফিশ জেলেদের জালেও আটকা পড়ে মারা যায়।”

 

নিয়ন্ত্রক কাছিম কমায় বেপরোয়া জেলিফিশ!

তাহলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন সমুদ্রের গরম পানিতে পর্যাপ্ত খাবার থাকার জেলিফিশের আধিক্য বাড়ে এই সময়ে। অন্যদিকে যে প্রাণীটি জেলিফিশ খেয়ে এদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে সেটি হলো কাছিম। অথচ এখন কাছিমের সংখ্যা কমে গেছে। তাই নিয়ন্ত্রক না থাকায় সাগরে জেলিফিশের বিস্তার এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

চট্টগ্রামের নামকরা পত্রিকা দৈনিক আজাদী’র অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে:  বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও সমুদ্রবিজ্ঞানী সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার বলেন, জেলিফিশ সামুদ্রিক কাছিমদের প্রধান ও অত্যন্ত প্রিয় খাবার। একটি ইকোসিস্টেমে সামুদ্রিক কাছিম হ্রাস পেলে জেলিফিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং এরা প্রচুর পরিমাণে মৎস্য শিকার করে বলে অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের বিস্তারও বাধাগ্রস্থ হয়।

কাছিম সংরক্ষণে দায়িত্বরত বেসরকারি সংস্থা নেকমের বিজ্ঞানী আবদুল কাইয়ূম বলেন, কক্সবাজার উপকূলে ডিম ছাড়তে আসা কাছিমের সংখ্যা গত এক দশকে ৯০% ভাগেরও বেশি কমে গেছে। মাত্র এক দশক আগেও সোনাদিয়া থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত কক্সবাজার উপকূলের অন্তত ৫৪টি পয়েন্টে শীত মৌসুমে ডিম পাড়তে আসতো শত শত মা কচ্ছপ। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে অন্তত ১৩টি পয়েন্টে কচ্ছপের দেখা মিলছে না। বাকী পয়েন্টগুলোতেও ডিম পাড়ছে খুব কম। ফলে কাছিমের প্রধান শিকার জেলিফিশের হার বেড়ে যেতে পারে।

 

সূত্র: বিবিসি বাংলা, ইনকিলাব, আজাদী

 

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

মূলত যেসব কারণে ফেব্রুয়ারি এলেই দেশের সাগরে-সৈকতে এত এত জেলিফিশ  

আপডেট সময় ০৪:৫২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

উপকূলের মানুষ জেলিফিশ চেনে, এমনকি স্থানীয়ভাবে এই অমেরুদণ্ডী সামুদ্রিক জীবকে তারা স্থানীয়ভাবে ‘নুইন্না’ বলে ডাকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই নুইন্না বা জেলিফিশ সাগরপারের প্রকৃতি ও জীবনে এক অশুভ পরিণতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইনকিলাব পত্রিকার অনলাইনে ৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত খবর বলছে, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে জোয়ারের সঙ্গে ভেসে আসছে অসংখ্য মৃত ও জীবিত জেলিফিশ। গত শুক্রবার থেকে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সৈকতের দীর্ঘ ২২ কিলোমিটারের বিভিন্ন পয়েন্টে জেলিফিশগুলোকে বালুতে আটকে থাকতে দেখা গেছে। সৈকতজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এসব প্রাণীর দেহ পচে দুর্গন্ধ ছড়ানোর পাশাপাশি পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি এলেই সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কুয়াকাটা, কক্সবাজার সৈকতে এরকম হাজার হাজার জেলিফিশ ভেসে আসার খবর প্রকাশিত হচ্ছে নানা গণমাধ্যমে। এসময় সমুদ্রে জেলেদের জালও বোঝাই হয়ে যাচ্ছে নানা আকৃতির জেলিফিশে।

কিন্তু কেন এই সময়টায় সাগরে এত জেলিফিশ দেখা যাচ্ছে? এমন প্রশ্নে বিশেষজ্ঞ পর্যায় থেকে সুনির্দিষ্ট দুইটি কারণ পাওয়া যায়, এগুলোর একটি হলো(জলবায়ু সংশ্লিষ্ট অন্যটি জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের সাথে জড়িত।

এই উত্তরগুলো বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ঘেঁটে এবং এআই দিয়ে খুঁজে বের করে সংক্ষেপে আগ্রহী পাঠকের সামনে তুলে ধরলো প্রকৃতিবার্তা:  

 

জলবায়ু পরিবর্তনে উষ্ণ সাগর, জেলিফিশের নার্সারি 

বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে দিন দিন সমুদ্রের পানির উষ্ণতার মাত্রা বেড়ে চলেছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে সামুদ্রিক জীবজগতে। সমুদ্রের পানির এই বাড়তি তাপে কোথাও কোরাল বা প্রবালের মতো জীবজগত সাদা হয়ে যাচ্ছে বা মরে যাচ্ছে আবার কোথাও উষ্ণ পানিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সংখ্যায় কিছু জীবের আধিক্য বাড়ছে। অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তনে সামুদ্রিক জীবজগতে ভারসাম্য আর থাকছে না।

বাংলাদেশের উপকূলে জেলিফিশের এই অতিবাড়ন্ত অবস্থাকেও সাগরের পানির তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলাফল হিসেবে দেখছেন অনেক গবেষক। তারা বলছেন সাগরের পানির তাপমাত্রা ও অক্সিজেন বৃদ্ধির ফলে সাদা জেলিফিশ অধিকমাত্রায় প্রজনন করছে এবং সংখ্যা বাড়ছে।

বিশিষ্ট মৎস্য বিজ্ঞানী ড. কবির আহমদ মনে করেন, সমুদ্রের পানির তাপমাত্রা বেড়ে গেলে জেলিফিশ ব্যাপকভাবে বাচ্চা দেয়। এদের বংশবৃদ্ধির হার এতোই বেশি যে, এরা সমুদ্রে জেলিফিশ ব্লুম ঘটাতে পারে। ফলে মৎস্য সম্পদের উপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এছাড়া পানির তাপমাত্রা বেশি থাকার জেলিফিশের খাবার অর্থাৎ প্ল্যাঙ্কটনের পরিমাণও অনেক বেড়ে যায়। এই প্রচুর খাবারের কারণে জেলিফিশ ব্লুম ঘটে।

বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে: গবেষকরা বলছেন, শীতের শেষে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ খানিকটা বেড়ে যায়। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ খুব ভালো থাকে, যা জেলিফিশের বংশবিস্তারের জন্য উপযুক্ত সময়।

পটুয়াখালীর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন,“এটিই মূলত: জেলিফিশের প্রজনন মৌসুম।”

তিনি জানান, সমুদ্রের তাপমাত্রা ও লবণাক্ততা অনুকূলে থাকায় এই সময়ে জেলিফিশের বংশবিস্তার বেড়ে যায়। মাছের ডিম, প্লাঙ্কটন ও অন্যান্য ক্ষুদ্র জলজ প্রাণি খেয়ে এরা দ্রুতই বেড়ে ওঠে। প্রজনন মৌসুম হওয়ায় প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে উপকূলীয় এলাকায় জেলিফিশের আধিক্য বেশ বেড়ে যায়।

এই কর্মকর্তা আরও বলেন, “যেহেতু এরা স্রোতের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারেনা, তাই স্রোত বা জোয়ারের পানিতে ভেসে প্রায়ই তীরে চলে আসে এবং বালিতে আটকে যায়। আবার বিপুল সংখ্যক জেলিফিশ জেলেদের জালেও আটকা পড়ে মারা যায়।”

 

নিয়ন্ত্রক কাছিম কমায় বেপরোয়া জেলিফিশ!

তাহলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন সমুদ্রের গরম পানিতে পর্যাপ্ত খাবার থাকার জেলিফিশের আধিক্য বাড়ে এই সময়ে। অন্যদিকে যে প্রাণীটি জেলিফিশ খেয়ে এদের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখে সেটি হলো কাছিম। অথচ এখন কাছিমের সংখ্যা কমে গেছে। তাই নিয়ন্ত্রক না থাকায় সাগরে জেলিফিশের বিস্তার এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

চট্টগ্রামের নামকরা পত্রিকা দৈনিক আজাদী’র অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে:  বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও সমুদ্রবিজ্ঞানী সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দার বলেন, জেলিফিশ সামুদ্রিক কাছিমদের প্রধান ও অত্যন্ত প্রিয় খাবার। একটি ইকোসিস্টেমে সামুদ্রিক কাছিম হ্রাস পেলে জেলিফিশের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং এরা প্রচুর পরিমাণে মৎস্য শিকার করে বলে অন্যান্য সামুদ্রিক মাছের বিস্তারও বাধাগ্রস্থ হয়।

কাছিম সংরক্ষণে দায়িত্বরত বেসরকারি সংস্থা নেকমের বিজ্ঞানী আবদুল কাইয়ূম বলেন, কক্সবাজার উপকূলে ডিম ছাড়তে আসা কাছিমের সংখ্যা গত এক দশকে ৯০% ভাগেরও বেশি কমে গেছে। মাত্র এক দশক আগেও সোনাদিয়া থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত কক্সবাজার উপকূলের অন্তত ৫৪টি পয়েন্টে শীত মৌসুমে ডিম পাড়তে আসতো শত শত মা কচ্ছপ। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে অন্তত ১৩টি পয়েন্টে কচ্ছপের দেখা মিলছে না। বাকী পয়েন্টগুলোতেও ডিম পাড়ছে খুব কম। ফলে কাছিমের প্রধান শিকার জেলিফিশের হার বেড়ে যেতে পারে।

 

সূত্র: বিবিসি বাংলা, ইনকিলাব, আজাদী