নির্বাচনী ইশতেহারে প্রকৃতি, পরিবেশ সংরক্ষণে কী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে দলগুলো, আগে কী ছিল?    

নির্বাচনী ইশতেহারে প্রকৃতি, পরিবেশ সংরক্ষণে কী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে দলগুলো, আগে কী ছিল?    

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের আর বেশিদিন বাকী নেই। ইতোমধ্যে এই নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নিজ নিজ নির্বাচনী ইশতেহার বা প্রতিশ্রুতিগুলো ঘোষণা করেছে। দলগুলো ফ্যামিলি কার্ড, নারীর কর্মঘণ্টা, বেকারত্ব দূর করাসহ প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ছড়াচ্ছে। তবে প্রকৃতি,পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বাংলাদেশের বিশাল চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তাদের ইশতেহারে কী আছে অথবা আদৌ কিছু আছে কিনা তা জেনে নেয়া যাক:

 

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রকৃতি-পরিবেশ 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ইতোমধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। বিএনপি মূলত বিগত সময়ে তাদের ঘোষিত ৩১ দফাকেই সামনে আনছে। দলটি মোট ৫ ভাগে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছে এবং ৯টি অঙ্গীকার জানিয়েছে।

তবে তারেক রহমানের ইতিবাচক রাজনৈতিক উপস্থিতি-দর্শন এবারের ইশতেহারে প্রকৃতি-পরিবেশপ্রেমীদের একেবারে হতাশ করছে না।

পরিবেশ রক্ষায় থ্রি আর (রিসাইকেল, রিডিউস, রিইউজ) পলিসি বাস্তবায়নের কথা বলেছেন তারেক রহমান।

বিএনপির প্রধান নয়টি প্রতিশ্রুতির মধ্যে ৭ নম্বরে রয়েছে- ‘পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যামে ১০ হাজার কিলোমিটার নদী–খালখনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ১৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা।’

এছাড়াও দলটি নানা সময়ে বলছে তারা ক্ষমতায় গেলে ক্ষতিকারক প্লাস্টিক এবং বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য নিষিদ্ধ করা এবং এর বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব ও পচনশীল উপকরণের ব্যবহার উৎসাহিত করা হবে ।নবায়নযোগ্য সবুজ জ্বালানি (Renewable Green Energy) এবং টেকসই কৃষির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই ‘সবুজ কর্মসংস্থান’ (Green Livelihoods) সৃষ্টি করা হবে।

 

জামায়াতের ইশতেহারে কী আছে প্রকৃতি-পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য নিয়ে?

৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ‘নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের ইশতেহার’ শিরোনামে ৪১ টি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ ২৬টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে ৪১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ দলটি।  যদিও প্রাধান্য পাওয়া এই ২৬ বিষয়ে প্রকৃতি-পরিবেশ-জীববৈচিত্রের কথা নেই।

তবে গুগল জেমিনি দাবি করছে- পরিবেশ-প্রকৃতি নিয়ে ইশতেহার দিয়েছে জামায়াত। জেমিনি বলছে দলটি ২০৩০ সালের মধ্যে তিনটি লক্ষ্য অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে —শূণ্য পরিবেশ দূষণ, শূণ্য বর্জ্য এবং শূণ্য বন্যা ঝুঁকি ।

সবুজ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ: একটি পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে “গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন বাংলাদেশ” কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা ।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর জলবায়ু অভিযোজন ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

২০২৪ সালের নির্বাচনে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আওয়ামী লীগ

২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাদের ইশতেহারে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করেছিল। ইশতেহারে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য মূলত ৯টি প্রধান অঙ্গীকার ছিল।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলো হলো:

বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ: সুন্দরবন ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বনাঞ্চল সংরক্ষণ, বনায়ন বৃদ্ধি এবং বন্যপ্রাণী, পরিযায়ী পাখি ও অন্যান্য জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ।

পরিচ্ছন্ন জ্বালানি: ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মোট জ্বালানির ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে নিশ্চিত করা এবং ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ ।

জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা: ভূ-পৃষ্ঠের পানির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সুন্দরবন ও অন্যান্য নদী অববাহিকায় লবণাক্ততা ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনে পদক্ষেপ গ্রহণ ।

হাওর ও ভাটি অঞ্চল: হাওর ও ভাটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প গ্রহণ ।

ব্লু ইকোনমি ও সামুদ্রিক সম্পদ: সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বশীল মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করা ।

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং অভিযোজন ক্ষমতা বাড়াতে ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণ ।

এছাড়াও শহর ও শিল্পাঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ এবং বায়ু ও পানি দূষণ রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি ছিল।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

নির্বাচনী ইশতেহারে প্রকৃতি, পরিবেশ সংরক্ষণে কী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে দলগুলো, আগে কী ছিল?    

আপডেট সময় ০৩:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের আর বেশিদিন বাকী নেই। ইতোমধ্যে এই নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ নিজ নিজ নির্বাচনী ইশতেহার বা প্রতিশ্রুতিগুলো ঘোষণা করেছে। দলগুলো ফ্যামিলি কার্ড, নারীর কর্মঘণ্টা, বেকারত্ব দূর করাসহ প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি ছড়াচ্ছে। তবে প্রকৃতি,পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বাংলাদেশের বিশাল চ্যালেঞ্জ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় তাদের ইশতেহারে কী আছে অথবা আদৌ কিছু আছে কিনা তা জেনে নেয়া যাক:

 

বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে প্রকৃতি-পরিবেশ 

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ইতোমধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। বিএনপি মূলত বিগত সময়ে তাদের ঘোষিত ৩১ দফাকেই সামনে আনছে। দলটি মোট ৫ ভাগে তাদের নির্বাচনী ইশতেহার দিয়েছে এবং ৯টি অঙ্গীকার জানিয়েছে।

তবে তারেক রহমানের ইতিবাচক রাজনৈতিক উপস্থিতি-দর্শন এবারের ইশতেহারে প্রকৃতি-পরিবেশপ্রেমীদের একেবারে হতাশ করছে না।

পরিবেশ রক্ষায় থ্রি আর (রিসাইকেল, রিডিউস, রিইউজ) পলিসি বাস্তবায়নের কথা বলেছেন তারেক রহমান।

বিএনপির প্রধান নয়টি প্রতিশ্রুতির মধ্যে ৭ নম্বরে রয়েছে- ‘পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যামে ১০ হাজার কিলোমিটার নদী–খালখনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ১৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা।’

এছাড়াও দলটি নানা সময়ে বলছে তারা ক্ষমতায় গেলে ক্ষতিকারক প্লাস্টিক এবং বিষাক্ত রাসায়নিক দ্রব্য নিষিদ্ধ করা এবং এর বিকল্প হিসেবে পরিবেশবান্ধব ও পচনশীল উপকরণের ব্যবহার উৎসাহিত করা হবে ।নবায়নযোগ্য সবুজ জ্বালানি (Renewable Green Energy) এবং টেকসই কৃষির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। বিশেষ করে দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই ‘সবুজ কর্মসংস্থান’ (Green Livelihoods) সৃষ্টি করা হবে।

 

জামায়াতের ইশতেহারে কী আছে প্রকৃতি-পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য নিয়ে?

৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ‘নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের ইশতেহার’ শিরোনামে ৪১ টি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

রাষ্ট্র পরিচালনায় যুবকদের প্রাধান্য, নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত, প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ গঠন জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপসহ ২৬টি বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে ৪১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ দলটি।  যদিও প্রাধান্য পাওয়া এই ২৬ বিষয়ে প্রকৃতি-পরিবেশ-জীববৈচিত্রের কথা নেই।

তবে গুগল জেমিনি দাবি করছে- পরিবেশ-প্রকৃতি নিয়ে ইশতেহার দিয়েছে জামায়াত। জেমিনি বলছে দলটি ২০৩০ সালের মধ্যে তিনটি লক্ষ্য অর্জনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে —শূণ্য পরিবেশ দূষণ, শূণ্য বর্জ্য এবং শূণ্য বন্যা ঝুঁকি ।

সবুজ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ: একটি পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে “গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন বাংলাদেশ” কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা ।

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা: জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা এবং কার্যকর জলবায়ু অভিযোজন ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

২০২৪ সালের নির্বাচনে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল আওয়ামী লীগ

২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তাদের ইশতেহারে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করেছিল। ইশতেহারে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য মূলত ৯টি প্রধান অঙ্গীকার ছিল।

পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলো হলো:

বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ: সুন্দরবন ও পার্বত্য চট্টগ্রামসহ দেশের বনাঞ্চল সংরক্ষণ, বনায়ন বৃদ্ধি এবং বন্যপ্রাণী, পরিযায়ী পাখি ও অন্যান্য জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ।

পরিচ্ছন্ন জ্বালানি: ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মোট জ্বালানির ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে নিশ্চিত করা এবং ১০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ ।

জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা: ভূ-পৃষ্ঠের পানির যৌক্তিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সুন্দরবন ও অন্যান্য নদী অববাহিকায় লবণাক্ততা ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনে পদক্ষেপ গ্রহণ ।

হাওর ও ভাটি অঞ্চল: হাওর ও ভাটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প গ্রহণ ।

ব্লু ইকোনমি ও সামুদ্রিক সম্পদ: সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বশীল মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করা ।

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়ন: জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং অভিযোজন ক্ষমতা বাড়াতে ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণ ।

এছাড়াও শহর ও শিল্পাঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ এবং বায়ু ও পানি দূষণ রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি ছিল।