নবগঠিত মন্ত্রিসভায় কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন

নবগঠিত মন্ত্রিসভায় কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমানসহ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভায় থাকছেন ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। তাঁদের মধ্যে ৩ জন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীও রয়েছেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যরা কে কোন দায়িত্ব পেলেন।

প্রধানমন্ত্রী

তারেক রহমান

মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে থাকছেন:

১। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

২। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী–অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

৩। সালাহউদ্দিন আহমদ– স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

৪। ইকবাল হাসান মাহমুদ– বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

৫। হাফিজ উদ্দিন আহমেদ– মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

৬। আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন– মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

৭। ড. খলিলুর রহমান– পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

৮। আব্দুল আওয়াল মিন্টু– পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়

৯। কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ– ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়

১০। মিজানুর রহমান মিনু–ভূমি মন্ত্রণালয়

১১। নিতাই রায় চৌধুরী– সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

১২। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির–বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

১৩। আরিফুল হক চৌধুরী–শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

১৪। জহির উদ্দিন স্বপন– তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়

১৫। মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ– কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়

১৬। আফরোজা খানম (রিতা)– বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়

১৭। মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি– পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়

১৮। আসাদুল হাবিব দুলু– দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

১৯। মো. আসাদুজ্জামান– আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

২০। জাকারিয়া তাহের–গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

২১। দীপেন দেওয়ান–পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

২২। আ ন ম এহসানুল হক মিলন– শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

২৩। সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন– স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়

২৪। ফকির মাহবুব আনাম–ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

২৫। শেখ রবিউল আলম– সড়ক ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়

মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন:

১। এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত–বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়

২। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত–বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

৩। মো. শরিফুল আলম–বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

৪। শামা ওবায়েদ ইসলাম–পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

৫। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু–কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়

৬। কায়সার কামাল–ভূমি মন্ত্রণালয়

৭। ফরহাদ হোসেন আজাদ–পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়

৮। মো. আমিনুল হক–(টেকনোক্র্যাট) যুব ও ক্রীড়া

৯। মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন–পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১০। হাবিবুর রশিদ–সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়

১১। মো. রাজিব আহসান–রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়

১২। মো. আব্দুল বারী–জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়১৩। মীর শাহে আলম–স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

১৪। মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি–অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

১৫। ইশরাক হোসেন–মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়

১৬। ফারজানা শারমিন–মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

১৭। শেখ ফরিদুল ইসলাম–পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়

১৮। মো. নুরুল হক নুর– শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

১৯। ইয়াসের খান চৌধুরী–তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়

২০। এম ইকবাল হোসেইন–দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

২১। এমএ মুহিত–স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়

২২। আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর–গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

২৩। ববি হাজ্জাজ–শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

২৪। আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম–সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

বাংলাদেশের ইতিহাসের দীর্ঘ ঐতিহ্য ভেঙে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়।

কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, চীন, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটানসহ ১৩টি দেশের বিশ্বনেতাদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা নয়াদিল্লির প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী ড. জুবাইদা রহমান এবং তাঁদের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ সংসদ কমপ্লেক্সের জমকালো দক্ষিণ প্লাজায় উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, সিনিয়র সাংবাদিক এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

নবগঠিত মন্ত্রিসভায় কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন

আপডেট সময় ০৬:৪১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তারেক রহমানসহ নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভায় থাকছেন ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। তাঁদের মধ্যে ৩ জন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীও রয়েছেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যরা কে কোন দায়িত্ব পেলেন।

প্রধানমন্ত্রী

তারেক রহমান

মন্ত্রিসভায় পূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে থাকছেন:

১। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর-স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

২। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী–অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

৩। সালাহউদ্দিন আহমদ– স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

৪। ইকবাল হাসান মাহমুদ– বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

৫। হাফিজ উদ্দিন আহমেদ– মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

৬। আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন– মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

৭। ড. খলিলুর রহমান– পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

৮। আব্দুল আওয়াল মিন্টু– পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়

৯। কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ– ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়

১০। মিজানুর রহমান মিনু–ভূমি মন্ত্রণালয়

১১। নিতাই রায় চৌধুরী– সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

১২। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির–বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

১৩। আরিফুল হক চৌধুরী–শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

১৪। জহির উদ্দিন স্বপন– তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়

১৫। মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ– কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়

১৬। আফরোজা খানম (রিতা)– বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়

১৭। মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি– পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়

১৮। আসাদুল হাবিব দুলু– দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

১৯। মো. আসাদুজ্জামান– আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

২০। জাকারিয়া তাহের–গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

২১। দীপেন দেওয়ান–পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

২২। আ ন ম এহসানুল হক মিলন– শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

২৩। সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন– স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়

২৪। ফকির মাহবুব আনাম–ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়

২৫। শেখ রবিউল আলম– সড়ক ও সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়

মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন:

১। এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত–বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়

২। অনিন্দ্য ইসলাম অমিত–বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়

৩। মো. শরিফুল আলম–বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

৪। শামা ওবায়েদ ইসলাম–পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

৫। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু–কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়

৬। কায়সার কামাল–ভূমি মন্ত্রণালয়

৭। ফরহাদ হোসেন আজাদ–পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়

৮। মো. আমিনুল হক–(টেকনোক্র্যাট) যুব ও ক্রীড়া

৯। মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন–পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

১০। হাবিবুর রশিদ–সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়

১১। মো. রাজিব আহসান–রেলপথ এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়

১২। মো. আব্দুল বারী–জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়১৩। মীর শাহে আলম–স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়

১৪। মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি–অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়

১৫। ইশরাক হোসেন–মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়

১৬। ফারজানা শারমিন–মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

১৭। শেখ ফরিদুল ইসলাম–পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়

১৮। মো. নুরুল হক নুর– শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

১৯। ইয়াসের খান চৌধুরী–তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়

২০। এম ইকবাল হোসেইন–দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়

২১। এমএ মুহিত–স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়

২২। আহম্মদ সোহেল মঞ্জুর–গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়

২৩। ববি হাজ্জাজ–শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

২৪। আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম–সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়

বাংলাদেশের ইতিহাসের দীর্ঘ ঐতিহ্য ভেঙে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের পরিবর্তে জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়।

কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, চীন, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ এবং ভুটানসহ ১৩টি দেশের বিশ্বনেতাদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা নয়াদিল্লির প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী ড. জুবাইদা রহমান এবং তাঁদের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ সংসদ কমপ্লেক্সের জমকালো দক্ষিণ প্লাজায় উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা, তিন বাহিনীর প্রধান, কূটনৈতিক কোরের সদস্য, সিনিয়র সাংবাদিক এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা।