ইরান কতদিন পর্যন্ত তীব্র হামলা চালিয়ে যেতে পারবে জানালো আইআরজিসি

ইরান কতদিন পর্যন্ত তীব্র হামলা চালিয়ে যেতে পারবে জানালো আইআরজিসি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে ইরানের। দেশটির এলিট সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ দাবি করেছে।

 

আইআরজিসি-র মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, ‌‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমান অপারেশনাল গতি বজায় রেখে অন্তত ৬ মাস একটানা তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম।’

 

সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্যকে তেহরানের পক্ষ থেকে একটি বড় ধরনের শক্তির জানান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

বিবৃতিতে ইরানের এই এলিট ফোর্স আরও দাবি করেছে যে, তারা এই অঞ্চলজুড়ে থাকা মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি এবং স্থাপনা সংশ্লিষ্ট ২০০টিরও বেশি স্থানে লক্ষ্যভেদ করেছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে এটি ইরানের পক্ষ থেকে একটি বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত। আইআরজিসি স্পষ্ট করেছে যে, যেকোনো ধরনের আগ্রাসন মোকাবিলায় তাদের বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

 

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের নবম দিনে এই বক্তব্য এলো। একই সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে, যা পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

ইরান কতদিন পর্যন্ত তীব্র হামলা চালিয়ে যেতে পারবে জানালো আইআরজিসি

আপডেট সময় ১১:৫৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অন্তত ছয় মাস পর্যন্ত তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রয়েছে ইরানের। দেশটির এলিট সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ দাবি করেছে।

 

আইআরজিসি-র মুখপাত্র আলী মোহাম্মদ নাইনি বলেন, ‌‘ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমান অপারেশনাল গতি বজায় রেখে অন্তত ৬ মাস একটানা তীব্র যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম।’

 

সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্যকে তেহরানের পক্ষ থেকে একটি বড় ধরনের শক্তির জানান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

বিবৃতিতে ইরানের এই এলিট ফোর্স আরও দাবি করেছে যে, তারা এই অঞ্চলজুড়ে থাকা মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটি এবং স্থাপনা সংশ্লিষ্ট ২০০টিরও বেশি স্থানে লক্ষ্যভেদ করেছে।

 

মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সামরিক উপস্থিতির বিরুদ্ধে এটি ইরানের পক্ষ থেকে একটি বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত। আইআরজিসি স্পষ্ট করেছে যে, যেকোনো ধরনের আগ্রাসন মোকাবিলায় তাদের বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

 

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের নবম দিনে এই বক্তব্য এলো। একই সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে, যা পুরো অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।