নেত্রকোণার মদনে ১১ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মাদরাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
বুধবার (৬ মে) ভোর ৪টার দিকে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে ব্যাব-১৪ এর একটি অভিযানিক দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ভোর সোয়া ৪টার দিকে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলা থেকে র্যাব-১৪ (ময়মনসিংহ) এর একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। দুপুরের দিকে র্যাবের পক্ষ থেকে আসামিকে আমাদের হাতে হস্তান্তরের কথা রয়েছে। আসামিকে আমাদের হাতে হস্তান্তরের পর যত দ্রুত সম্ভব আমরা তাকে আদালতে প্রেরণ করব।
তিনি আরও বলেন, আসামিকে হাতে পাওয়ার পর যদি সময় থাকে, আমরা আজকেই তাকে আদালতে প্রেরণ করব। অন্যথায় আগামীকালকে তাকে আদালতে প্রেরণ করতে হবে।
গত ২৩ এপ্রিল রাতে মদন থানায় আমান উল্লাহ সাগর ও তার ভাইকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা।
জানা যায়, ওই মাদরাসা ছাত্রী বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। মেয়েটির মা গত ২৩ এপ্রিল মদন থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মাদরাসার শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন।
শিশুটিকে মদন উপজেলা সদরের একটি ক্লিনিকে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক জানান, শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা। পরে এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা ২৩ এপ্রিল বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর থেকে আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 


















