সংবাদ শিরোনাম ::
Logo লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় সরকারের নিন্দা Logo শতবর্ষে প্রকৃতির কণ্ঠস্বর: স্যার ডেভিড অ্যাটেনবরো, জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ুর এক অনন্য যোদ্ধা Logo মিরপুর টেস্টে পাকিস্তানকে বিধ্বস্ত করেছে বাংলাদেশ Logo ঢাকা উত্তরে শুরু বর্জ্য আলাদা করার কার্যক্রম, বিতরণ হচ্ছে সবুজ-হলুদ বিন Logo হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৯ জন মারা মৃত্যু Logo এপ্রিলের এক দিনে বিশ্বের সবচেয়ে উষ্ণ ৫০ শহরের সবকটিই ছিল ভারতে! Logo প্রাক-বর্ষাতেই নাকানিচুবানি, বর্ষার জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় কতটুকু প্রস্তুত ঢাকা? Logo ঢাকায় জরুরি পানি সরবরাহে ৯২০ কোটি টাকার প্রকল্প নিয়েছে সরকার Logo ঘোড়ার মাংসের ‘অবৈধ কারবার’ বন্ধে হাইকোর্টে জয়া Logo ভয়াবহ গতিতে দেবে যাচ্ছে মেক্সিকো সিটি

ঢাকা উত্তরে শুরু বর্জ্য আলাদা করার কার্যক্রম, বিতরণ হচ্ছে সবুজ-হলুদ বিন

ঢাকা উত্তরে শুরু বর্জ্য আলাদা করার কার্যক্রম, বিতরণ হচ্ছে সবুজ-হলুদ বিন

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করতে এবং পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ (waste segregation) কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে ।

আজ ১২ মে (মঙ্গলবার) ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এই উদ্যোগের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে পৃথক বিন এবং পলিথিন ব্যাগ বিতরণ করা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপে- সবুজ-হলুদ এবং নীল/কালো বিন বিতরণ করা হবে।

সবুজ বিন: পচনশীল বা ভেজা বর্জ্যের জন্য।

হলুদ বিন: ক্ষতিকর বা বিশেষ বর্জ্যের জন্য (যেমন: চিকিৎসা বর্জ্য) ।

নীল/কালো বিন: সাধারণত অন্যান্য অ-পচনশীল বা সাধারণ বর্জ্যের জন্য ব্যবহৃত হয় ।

উদ্দেশ্য: বর্জ্য যেখান থেকে উৎপন্ন হচ্ছে সেখানেই আলাদা করা, যাতে রিসাইক্লিং বা অপসারণ সহজ হয়।

কার্যক্রমটি গুলশান থেকে শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাজারগুলোতে সম্প্রসারিত করা হবে।

এই পৃথকীকৃত বর্জ্য ভবিষ্যতে আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে নির্মীয়মাণ বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করতে এবং জনগণকে এই প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ত করতে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে ।

ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন,“ভালো কাজের জন্য আপনারা উৎসাহ দেবেন, ভুল হলে সমালোচনাও করবেন। তবে সমালোচনার পাশাপাশি পরামর্শও দেবেন, যেন ভবিষ্যতে আমরা ভুলগুলো সংশোধন করে আরও উন্নত সেবা দিতে পারি।”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর হুমায়ুন কবির বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে শুধু সিটি করপোরেশনের একার উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, বর্জ্য উৎপাদনকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে সমানভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভিত্তি হিসেবে ‘সোর্স সেগ্রিগেশন’ বা উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “যেখান থেকে বর্জ্য তৈরি হচ্ছে, সেখান থেকেই আলাদা করার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তবেই রিসাইকেল বা বর্জ্য অপসারণ সহজ হবে।”

আলোচনা সভা শেষে গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদ কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন ও ব্যাগ হস্তান্তর করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।

অনুষ্ঠানে গুলশান সোসাইটির সভাপতি ওমর সাদাতসহ গুলশান সোসাইটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় দুই বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় সরকারের নিন্দা

ঢাকা উত্তরে শুরু বর্জ্য আলাদা করার কার্যক্রম, বিতরণ হচ্ছে সবুজ-হলুদ বিন

আপডেট সময় ০৪:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক করতে এবং পরিচ্ছন্ন শহর গড়তে উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ (waste segregation) কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে ।

আজ ১২ মে (মঙ্গলবার) ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এই উদ্যোগের আওতায় প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন জনসমাগমস্থলে পৃথক বিন এবং পলিথিন ব্যাগ বিতরণ করা শুরু হয়েছে। এই পদক্ষেপে- সবুজ-হলুদ এবং নীল/কালো বিন বিতরণ করা হবে।

সবুজ বিন: পচনশীল বা ভেজা বর্জ্যের জন্য।

হলুদ বিন: ক্ষতিকর বা বিশেষ বর্জ্যের জন্য (যেমন: চিকিৎসা বর্জ্য) ।

নীল/কালো বিন: সাধারণত অন্যান্য অ-পচনশীল বা সাধারণ বর্জ্যের জন্য ব্যবহৃত হয় ।

উদ্দেশ্য: বর্জ্য যেখান থেকে উৎপন্ন হচ্ছে সেখানেই আলাদা করা, যাতে রিসাইক্লিং বা অপসারণ সহজ হয়।

কার্যক্রমটি গুলশান থেকে শুরু হলেও পর্যায়ক্রমে মন্দির, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বাজারগুলোতে সম্প্রসারিত করা হবে।

এই পৃথকীকৃত বর্জ্য ভবিষ্যতে আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে নির্মীয়মাণ বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধ করতে এবং জনগণকে এই প্রক্রিয়ায় অভ্যস্ত করতে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে ।

ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন,“ভালো কাজের জন্য আপনারা উৎসাহ দেবেন, ভুল হলে সমালোচনাও করবেন। তবে সমালোচনার পাশাপাশি পরামর্শও দেবেন, যেন ভবিষ্যতে আমরা ভুলগুলো সংশোধন করে আরও উন্নত সেবা দিতে পারি।”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর হুমায়ুন কবির বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে শুধু সিটি করপোরেশনের একার উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, বর্জ্য উৎপাদনকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে সমানভাবে দায়িত্বশীল হতে হবে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভিত্তি হিসেবে ‘সোর্স সেগ্রিগেশন’ বা উৎসে বর্জ্য পৃথকীকরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “যেখান থেকে বর্জ্য তৈরি হচ্ছে, সেখান থেকেই আলাদা করার প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। তবেই রিসাইকেল বা বর্জ্য অপসারণ সহজ হবে।”

আলোচনা সভা শেষে গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদ কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বর্জ্য পৃথকীকরণ বিন ও ব্যাগ হস্তান্তর করেন ডিএনসিসি প্রশাসক।

অনুষ্ঠানে গুলশান সোসাইটির সভাপতি ওমর সাদাতসহ গুলশান সোসাইটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ডিএনসিসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।