হামাসের নতুন প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার

হামাসের নতুন প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার । ছবি : সংগৃহীত

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের নতুন রাজনৈতিক প্রধান হিসেবে ইয়াহিয়া সিনওয়ারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ হামাসের শীর্ষ নেতা সদ্য প্রয়াত ইসমাইল হানিয়ার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি। এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে হামাস।

বিবৃতিতে বলা হয়, “ইসলামিক প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস তার রাজনৈতিক শাখার প্রধান হিসেবে কমান্ডার ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে বেছে নিয়েছে, তিনিই শহীদ কমান্ডার ইসমাইল হানিয়ার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। আল্লাহ তার প্রতি সদয় হোন।”

হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা রয়টার্সকে জানান, শীর্ষপদের জন্য দু’জনকে বিবেচনা করা হচ্ছিল — খালেদ মিশাল এবং ইয়াহিয়া সিনওয়ার। কিন্তু শেষে সিনওয়ারের পক্ষে মতামত দেন গোষ্ঠীটির অধিকাংশ শীর্ষ নেতা। “হামাস এবং ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি বিশ্বস্ততার পুরস্কার হিসেবে এই পদ তাকে দেওয়া হয়েছে,” রয়টার্সকে বলেছেন সেই নেতা।

ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বয়স ৬১ বছর। হামাসের সশস্ত্র শাখার প্রধান ছিলেন তিনি। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডের ভেতরে ঢুকে হামাস যোদ্ধাদের নজিরবিহীন হামলার পেছনে তাকে প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবে দেখে ইসরায়েল। এই হামলায় ১২০০ ইসরায়েলি নিহত এবং দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস।

হামাসের এই হামলার পরই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে গাজায় গণহত্যা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।

গাজায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধে আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে ইরানের মাটিতে হত্যা করা হয়। গত ৩১ জুলাই তেহরানে হানিয়া যেখানে অবস্থান করছিলেন সেখানে একটি সুনিপুণ বিস্ফোরণে তাকে হত্যা করা হয়। সেটি ক্ষেপণাস্ত্র নাকি বোমা  হামলা তা এখনও জানা যায়নি। এই হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে কঠোর জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরান, হিজবুল্লাহ ও হামাস। যদিও এই হামলার দায় স্বীকার কিংবা অস্বীকার করেনি তেল আবিব।

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

হামাসের নতুন প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার

আপডেট সময় ০৩:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অগাস্ট ২০২৪

ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের নতুন রাজনৈতিক প্রধান হিসেবে ইয়াহিয়া সিনওয়ারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ হামাসের শীর্ষ নেতা সদ্য প্রয়াত ইসমাইল হানিয়ার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন তিনি। এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে হামাস।

বিবৃতিতে বলা হয়, “ইসলামিক প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস তার রাজনৈতিক শাখার প্রধান হিসেবে কমান্ডার ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে বেছে নিয়েছে, তিনিই শহীদ কমান্ডার ইসমাইল হানিয়ার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। আল্লাহ তার প্রতি সদয় হোন।”

হামাসের একজন জ্যেষ্ঠ নেতা রয়টার্সকে জানান, শীর্ষপদের জন্য দু’জনকে বিবেচনা করা হচ্ছিল — খালেদ মিশাল এবং ইয়াহিয়া সিনওয়ার। কিন্তু শেষে সিনওয়ারের পক্ষে মতামত দেন গোষ্ঠীটির অধিকাংশ শীর্ষ নেতা। “হামাস এবং ফিলিস্তিনের জনগণের প্রতি বিশ্বস্ততার পুরস্কার হিসেবে এই পদ তাকে দেওয়া হয়েছে,” রয়টার্সকে বলেছেন সেই নেতা।

ইয়াহিয়া সিনওয়ারের বয়স ৬১ বছর। হামাসের সশস্ত্র শাখার প্রধান ছিলেন তিনি। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডের ভেতরে ঢুকে হামাস যোদ্ধাদের নজিরবিহীন হামলার পেছনে তাকে প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবে দেখে ইসরায়েল। এই হামলায় ১২০০ ইসরায়েলি নিহত এবং দুই শতাধিক ইসরায়েলিকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসে হামাস।

হামাসের এই হামলার পরই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে গাজায় গণহত্যা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু।

গাজায় ইসরায়েলি হামলা বন্ধে আলোচনা চলমান থাকা অবস্থায় হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়াকে ইরানের মাটিতে হত্যা করা হয়। গত ৩১ জুলাই তেহরানে হানিয়া যেখানে অবস্থান করছিলেন সেখানে একটি সুনিপুণ বিস্ফোরণে তাকে হত্যা করা হয়। সেটি ক্ষেপণাস্ত্র নাকি বোমা  হামলা তা এখনও জানা যায়নি। এই হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে কঠোর জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে ইরান, হিজবুল্লাহ ও হামাস। যদিও এই হামলার দায় স্বীকার কিংবা অস্বীকার করেনি তেল আবিব।