সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

১১ জেলায় বন্যা: দুই জেলায় অবনতি, মৃত্যু বেড়ে ৩১

১১ জেলায় বন্যা: দুই জেলায় অবনতি, মৃত্যু বেড়ে ৩১

দেশের ১১ জেলায় চলমান বন্যায় মৃতের  সংখ্যা আরও ৪ জন বেড়ে ৩১ জন হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার এ সংখ্যা ছিল ২৭ জন।

বুধবার (২৮ আগস্ট) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন (দুপুর ১টা পর্যন্ত) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বন্যা অক্রান্ত জেলার সংখ্যা ১১টি (ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, সিলেট, লক্ষ্মীপুর ও কক্সবাজার)। ৭৩টি উপজেলা বন্যা প্লাবিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন ও পৌরসভা ৫২৮টি।

১১ জেলায় মোট ১২ লাখ ২৭ হাজার ৫৫৪ টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৫৮ লাখ ২২ হাজার ৭৩৪ জন। মৃত ব্যক্তির সংখ্যা ৩১ জন (কুমিল্লা-১২, ফেনী-২, চট্টগ্রাম-৫, খাগড়াছড়ি-১, নোয়াখালী-৬, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-১, লক্ষ্মীপুর-১ ও কক্সবাজার-৩ জন)। নিখোঁজ লোকসংখ্যা ২ জন (মৌলভীবাজার)।

এদিকে সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও প্রবল বর্ষণে নোয়াখালী ও চাঁদপুরের দু’টি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। ফেনীতে পানি নেমে গেলেও তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দি হয়ে আছেন নোয়াখালীর বাসিন্দারা। অল্প কিছু এলাকাতে পানি কমলেও তা খুবই ধীরগতিতে। এখনো তলিয়ে আছে পথ-ঘাট, ঘরবাড়িতে পানি থাকায় এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে আছে মানুষ।

এর মধ্যেই মঙ্গলবার (২৭ অগাস্ট) রাতভর বজ্রসহ ভারী বর্ষণে পানি আরও ছয় ইঞ্চি বেড়ে গেছে। ফলে সেখানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এতে আতঙ্ক বাড়ছে পানিবন্দি ও বানভাসিদের।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজানের পানিতে নোয়াখালীতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ডুবে আছে বসতঘর ও সড়ক। নোয়াখালীর ৮ উপজেলার ৮৭ ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ২০ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন।

চাঁদপুরে ৬ উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি হয়নি। উল্টো বানের পানিতে নতুন করে চাঁদপুর সদর ও কচুয়া উপজেলার বেশ কিছু এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

এখন পর্যন্ত জেলার প্রায় ২ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এরমধ্যে শুধু শাহরাস্তি উপজেলায় গত তিনদিনে প্রায় ৬০-৭০ হাজার মানুষ বন্যার কবলে পড়েছেন। উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে সহস্রাধিক পরিবার।

পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য মোট ৪ হাজার ৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মোট ৫ লাখ ৪০ হাহার ৫১০ জন লোক এবং ৩৯ হাজার ৫৩১টি গবাদি পশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ১১ জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য মোট ৬১৯টি মেডিকেল টিম চালু রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

১১ জেলায় বন্যা: দুই জেলায় অবনতি, মৃত্যু বেড়ে ৩১

আপডেট সময় ০৩:৪৩:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৪

দেশের ১১ জেলায় চলমান বন্যায় মৃতের  সংখ্যা আরও ৪ জন বেড়ে ৩১ জন হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার এ সংখ্যা ছিল ২৭ জন।

বুধবার (২৮ আগস্ট) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন (দুপুর ১টা পর্যন্ত) থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বন্যা অক্রান্ত জেলার সংখ্যা ১১টি (ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, নোয়াখালী, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, সিলেট, লক্ষ্মীপুর ও কক্সবাজার)। ৭৩টি উপজেলা বন্যা প্লাবিত এবং ক্ষতিগ্রস্ত ইউনিয়ন ও পৌরসভা ৫২৮টি।

১১ জেলায় মোট ১২ লাখ ২৭ হাজার ৫৫৪ টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৫৮ লাখ ২২ হাজার ৭৩৪ জন। মৃত ব্যক্তির সংখ্যা ৩১ জন (কুমিল্লা-১২, ফেনী-২, চট্টগ্রাম-৫, খাগড়াছড়ি-১, নোয়াখালী-৬, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া-১, লক্ষ্মীপুর-১ ও কক্সবাজার-৩ জন)। নিখোঁজ লোকসংখ্যা ২ জন (মৌলভীবাজার)।

এদিকে সব নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও প্রবল বর্ষণে নোয়াখালী ও চাঁদপুরের দু’টি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হয়েছে। ফেনীতে পানি নেমে গেলেও তীব্র খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে পানিবন্দি হয়ে আছেন নোয়াখালীর বাসিন্দারা। অল্প কিছু এলাকাতে পানি কমলেও তা খুবই ধীরগতিতে। এখনো তলিয়ে আছে পথ-ঘাট, ঘরবাড়িতে পানি থাকায় এখনো আশ্রয়কেন্দ্রে আছে মানুষ।

এর মধ্যেই মঙ্গলবার (২৭ অগাস্ট) রাতভর বজ্রসহ ভারী বর্ষণে পানি আরও ছয় ইঞ্চি বেড়ে গেছে। ফলে সেখানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। এতে আতঙ্ক বাড়ছে পানিবন্দি ও বানভাসিদের।

জেলা আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টি ও ভারতের উজানের পানিতে নোয়াখালীতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। ডুবে আছে বসতঘর ও সড়ক। নোয়াখালীর ৮ উপজেলার ৮৭ ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে ২০ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন।

চাঁদপুরে ৬ উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি হয়নি। উল্টো বানের পানিতে নতুন করে চাঁদপুর সদর ও কচুয়া উপজেলার বেশ কিছু এলাকার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

এখন পর্যন্ত জেলার প্রায় ২ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এরমধ্যে শুধু শাহরাস্তি উপজেলায় গত তিনদিনে প্রায় ৬০-৭০ হাজার মানুষ বন্যার কবলে পড়েছেন। উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে সহস্রাধিক পরিবার।

পানিবন্দি ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য মোট ৪ হাজার ৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে মোট ৫ লাখ ৪০ হাহার ৫১০ জন লোক এবং ৩৯ হাজার ৫৩১টি গবাদি পশুকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। ১১ জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য মোট ৬১৯টি মেডিকেল টিম চালু রয়েছে।