সংবাদ শিরোনাম ::

থাইল্যান্ডে তেলাপিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ!

থাইল্যান্ডে তেলাপিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ!

সৌখিনদের অ্যাকুরিয়াম থেকে পুকুর-নদীতে চলে যাওয়া সাকার ফিশ এখন বাংলাদেশের অনেক জলাশয়ের জলজ বাস্তুসংস্থানের জন্য রীতিমতো হুমকি। ইনভ্যাসিভ স্পিশিস বা আগ্রাসী প্রজাতির এই মাছে সয়লাব দেশের নানা জলাশয়। এতে দেশীয় মাছ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকিতে। এদিকে থাইল্যান্ডেও দেখা দিয়েছে এক প্রজাতির তেলাপিয়ার আগ্রাসন। থাইল্যান্ডে ব্ল্যাকচিন প্রজাতির তেলাপিয়া ব্যাপক মাত্রায় ছড়িয়ে পড়েছে। এই আগ্রাসী প্রজাতিটি জলজ বাস্তুসংস্থানের জন্য হুমকি হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে থাই প্রশাসন। শুরু হয়েছে নিধন কার্যক্রম, করা হয়েছে পুরস্কার ঘোষণা।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্ল্যাকচিন প্রজাতির তেলাপিয়া ইতোমধ্যে থাইল্যান্ডের ১৭ প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় এর বিস্তার ঠেকাতে মাঠে নেমেছে কয়েকটি টিম।

থাইল্যান্ডে এর আগেও ব্ল্যাকচিন তেলাপিয়া বিস্তার লাভ করেছিল। থাইল্যান্ডে নদী এবং জলাশয়গুলোতে এই প্রজাতির অনেক তেলাপিয়া রয়েছে। এছাড়া এই মাছ লোনা পানিতেও বেঁচে থাকতে পারে। বর্তমানে আগ্রাসী এই মাছের ব্যাপক বিস্তৃতি হয়েছে। দেশটির সংসদ সদস্য নাতাছা বুনচাইনসাওয়াত বলেন, ‘এই প্রজাতির তেলাপিয়ার ফলে অর্থনীতিতে ২৯৩ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হচ্ছে। কারণ এই প্রজাতির তেলাপিয়া ছোট মাছ, চিড়িং মাছের পোনা এবং শামুকের লার্ভা খেয়ে ফেলে। আর এতে বাণিজ্যিক জলজসম্পদের ক্ষতি হচ্ছে।’

দেশটির সরকার এখন ব্ল্যাকচিন তেলাপিয়ার বিস্তার কমাতে স্থানীদের এ মাছ ধরতে উৎসাহ যোগাচ্ছে।  যারা এ মাছ ধরতে পারবেন তাদের কেজি প্রতিতে দ্বিগুণ অর্থ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এর ফলে অনেক মানুষ এ মাছ ধরতে নদী নালায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এছাড়া কর্তৃপক্ষ এ মাছ ঠেকাতে নদী ও জলাশয়ে ভেটকি জাতীয় মাছ ও মাগুর ছেড়ে দিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

আগামী ৫ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম

থাইল্যান্ডে তেলাপিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ!

আপডেট সময় ০৬:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৪

সৌখিনদের অ্যাকুরিয়াম থেকে পুকুর-নদীতে চলে যাওয়া সাকার ফিশ এখন বাংলাদেশের অনেক জলাশয়ের জলজ বাস্তুসংস্থানের জন্য রীতিমতো হুমকি। ইনভ্যাসিভ স্পিশিস বা আগ্রাসী প্রজাতির এই মাছে সয়লাব দেশের নানা জলাশয়। এতে দেশীয় মাছ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকিতে। এদিকে থাইল্যান্ডেও দেখা দিয়েছে এক প্রজাতির তেলাপিয়ার আগ্রাসন। থাইল্যান্ডে ব্ল্যাকচিন প্রজাতির তেলাপিয়া ব্যাপক মাত্রায় ছড়িয়ে পড়েছে। এই আগ্রাসী প্রজাতিটি জলজ বাস্তুসংস্থানের জন্য হুমকি হওয়ায় নড়েচড়ে বসেছে থাই প্রশাসন। শুরু হয়েছে নিধন কার্যক্রম, করা হয়েছে পুরস্কার ঘোষণা।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্ল্যাকচিন প্রজাতির তেলাপিয়া ইতোমধ্যে থাইল্যান্ডের ১৭ প্রদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় এর বিস্তার ঠেকাতে মাঠে নেমেছে কয়েকটি টিম।

থাইল্যান্ডে এর আগেও ব্ল্যাকচিন তেলাপিয়া বিস্তার লাভ করেছিল। থাইল্যান্ডে নদী এবং জলাশয়গুলোতে এই প্রজাতির অনেক তেলাপিয়া রয়েছে। এছাড়া এই মাছ লোনা পানিতেও বেঁচে থাকতে পারে। বর্তমানে আগ্রাসী এই মাছের ব্যাপক বিস্তৃতি হয়েছে। দেশটির সংসদ সদস্য নাতাছা বুনচাইনসাওয়াত বলেন, ‘এই প্রজাতির তেলাপিয়ার ফলে অর্থনীতিতে ২৯৩ মিলিয়ন ডলার ক্ষতি হচ্ছে। কারণ এই প্রজাতির তেলাপিয়া ছোট মাছ, চিড়িং মাছের পোনা এবং শামুকের লার্ভা খেয়ে ফেলে। আর এতে বাণিজ্যিক জলজসম্পদের ক্ষতি হচ্ছে।’

দেশটির সরকার এখন ব্ল্যাকচিন তেলাপিয়ার বিস্তার কমাতে স্থানীদের এ মাছ ধরতে উৎসাহ যোগাচ্ছে।  যারা এ মাছ ধরতে পারবেন তাদের কেজি প্রতিতে দ্বিগুণ অর্থ প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এর ফলে অনেক মানুষ এ মাছ ধরতে নদী নালায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এছাড়া কর্তৃপক্ষ এ মাছ ঠেকাতে নদী ও জলাশয়ে ভেটকি জাতীয় মাছ ও মাগুর ছেড়ে দিয়েছে।