সামুদ্রিক শেওলা ব্যবহার করে চিলির গবেষকদের শক্তি উৎপাদন

সামুদ্রিক শেওলা ব্যবহার করে চিলির গবেষকদের শক্তি উৎপাদন । ছবি : সংগৃহীত

বিদ্যুৎ উৎপাদনের অভিনব এক কৌশল উদ্ভাবন করেছেন চিলির বিজ্ঞানীরা। তারা এই কাজে ব্যবহার করছেন  সামুদ্রিক শেওলা। সান্তিয়াগোর ইউনিভার্সিটি অব সান্তিয়াগোর গবেষকরা শেওলাকে বায়োফটোভোলটাইক পদ্ধতিতে ব্যবহার করে আলোর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শক্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। এই পদ্ধতিতে শেওলাকে ইলেকট্রোডে ছড়িয়ে দিয়ে সৌরশক্তির মতো শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। শেওলাকে শক্তির উৎসে রূপান্তরিত করতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

বিজ্ঞানী ফেদেরিকো টাসকা বলেন, সামুদ্রিক শেওলা পানিকে অক্সিডাইজ করার জন্য আলো ব্যবহার করে। এই প্রক্রিয়ায় তারা ইলেকট্রনমুক্ত করে। তখন তা বৈদ্যুতিক সার্কিট হিসেবে কাজ করে। এই প্রক্রিয়ায় বাড়তি হিসেবে অক্সিজেন পাওয়া যায়। এর আগের প্রকল্পে মাইক্রোঅ্যালগি বা ক্ষুদ্র এককোষী জীব ব্যবহার করা হয়েছিল। এখন সামুদ্রিক শেওলা ব্যবহার করা হচ্ছে, যা বহুকোষী জীব। এসব শেওলা আরও শক্ত ও কাজ করা সহজ। শক্তিসাশ্রয়ী হিসেবে শেওলা ব্যবহার করতে আরও পরীক্ষা করতে হবে।

সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী আলেজান্দ্রা মোয়েন বলেন, শেওলা নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘শেওলা সমুদ্রে পুঁতে রাখা এক অমূল্য সম্পদ, যা আমাদের জন্য অজানা সম্ভাবনার এক নবদ্বার খুলে দিতে পারে। এটি শুধু শক্তি নয়, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরির সম্ভাবনাও নিয়ে আসছে।’

 

সূত্র: রয়টার্স

জনপ্রিয় সংবাদ

তামিমকে নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দেখতে চান সাকিব আল হাসান

সামুদ্রিক শেওলা ব্যবহার করে চিলির গবেষকদের শক্তি উৎপাদন

আপডেট সময় ০৬:১৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বিদ্যুৎ উৎপাদনের অভিনব এক কৌশল উদ্ভাবন করেছেন চিলির বিজ্ঞানীরা। তারা এই কাজে ব্যবহার করছেন  সামুদ্রিক শেওলা। সান্তিয়াগোর ইউনিভার্সিটি অব সান্তিয়াগোর গবেষকরা শেওলাকে বায়োফটোভোলটাইক পদ্ধতিতে ব্যবহার করে আলোর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক শক্তি তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। এই পদ্ধতিতে শেওলাকে ইলেকট্রোডে ছড়িয়ে দিয়ে সৌরশক্তির মতো শক্তি উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে। শেওলাকে শক্তির উৎসে রূপান্তরিত করতে আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।

বিজ্ঞানী ফেদেরিকো টাসকা বলেন, সামুদ্রিক শেওলা পানিকে অক্সিডাইজ করার জন্য আলো ব্যবহার করে। এই প্রক্রিয়ায় তারা ইলেকট্রনমুক্ত করে। তখন তা বৈদ্যুতিক সার্কিট হিসেবে কাজ করে। এই প্রক্রিয়ায় বাড়তি হিসেবে অক্সিজেন পাওয়া যায়। এর আগের প্রকল্পে মাইক্রোঅ্যালগি বা ক্ষুদ্র এককোষী জীব ব্যবহার করা হয়েছিল। এখন সামুদ্রিক শেওলা ব্যবহার করা হচ্ছে, যা বহুকোষী জীব। এসব শেওলা আরও শক্ত ও কাজ করা সহজ। শক্তিসাশ্রয়ী হিসেবে শেওলা ব্যবহার করতে আরও পরীক্ষা করতে হবে।

সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী আলেজান্দ্রা মোয়েন বলেন, শেওলা নিয়ে গবেষণা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘শেওলা সমুদ্রে পুঁতে রাখা এক অমূল্য সম্পদ, যা আমাদের জন্য অজানা সম্ভাবনার এক নবদ্বার খুলে দিতে পারে। এটি শুধু শক্তি নয়, বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরির সম্ভাবনাও নিয়ে আসছে।’

 

সূত্র: রয়টার্স