২০২৪ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী জন জে হপফিল্ড এবং কানাডার গবেষক জিওফ্রে ই হিনটন। তাদের গবেষণার মধ্য দিয়ে ‘মেশিন লর্নিং’ বা যন্ত্রকে শেখানোর পথ খুলে গিয়েছিল, এই অবদানের জন্য তাদের স্বীকৃতি দিল রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস।
সংস্থাটি মঙ্গলবার এই পুরস্কারের জন্য তাদের নাম ঘোষণা করে। নোবেল পুরস্কারের ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার সমানভাবে ভাগ করে নেবেন তারা।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, এ দুজন পদার্থবিদ্যা ব্যবহার করে এমন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন যা আজকের মেশিন লার্নিংয়ের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। এর মধ্যে হোপফিল্ড এমন স্ট্রাকচার তৈরি করেছেন যেটি তথ্য সংরক্ষণ এবং পুনর্গঠন করতে পারে। অপরদিকে হিন্টন যে পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন যেটি স্বাধীনভাবে তথ্যের বৈশিষ্ট্য খুঁজে বের করতে পারে। যা বর্তমান বিশ্বে ব্যবহৃত বৃহৎ কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমি বলেছে, যদিও কম্পিউটার মানুষের মতো চিন্তা করতে পারে না। কিন্তু স্মৃতি এবং শেখার মতো কিছু জিনিস অনুকরণ করতে পারে মেশিন। পদার্থবিদ্যার মৌলিক ধারণা ও পদ্ধতি ব্যবহার করে এ দুজন এমন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেছেন যা নেটওয়ার্কের কাঠামো ব্যবহার করে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে।
বুধবার রসায়নে চলতি বছরের নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার আসবে সাহিত্যের নোবেল ঘোষণা। এরপর শুক্রবার শান্তি এবং আগামী ১৪ অক্টোবর অর্থনীতিতে এবারের নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
১০ ডিসেম্বর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে নোবেল পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট 










