আফগান সংবাদমাধ্যমে জীবিত প্রাণীর ছবি-ভিডিও নিষিদ্ধ!

আফগান সংবাদমাধ্যমে জীবিত প্রাণীর ছবি প্রকাশ নিষিদ্ধ!

আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যমে মানুষ এবং সব ধরনের জীবিত প্রাণীর ছবি প্রকাশ নিষিদ্ধ করল দেশটির শাসকগোষ্ঠী তালেবান। সরকারের পাপ ও পূণ্যবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গত সোমবার জারি করা নির্দেশনায় এমন আইনের ঘোষণা আসে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, সংবাদমাধ্যমে জীবিত প্রাণী কিংবা মানুষের ছবি প্রকাশ নিষিদ্ধ করেছে তালেবান। একই সঙ্গে ইসলামকে কোনোভাবে অসম্মান করে এমন কোনো লেখাও প্রকাশ করা যাবে না।

পাপ ও পূণ্যবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইফুল ইসলাম খাইবার জানান, যার আত্মা আছে সেসব জীবিত সত্তার ছবি প্রচার-প্রকাশ না করার কথা বলা হয়েছে। আপাতত তাখার, মাইদান এবং কানদাহার  প্রদেশে কার্যকর হবে এই নির্দেশনা। পরবর্তীতে পুরো আফগানিস্তানে কার্যকর করা হবে আইনটি।

খাইবার আরও বলেন, ‘আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার জোর করা হবে না। এই আইনের উদ্দেশ্য, জনগণকে এটি বোঝানো যে শরিয়াহ আইনের সঙ্গে যেসব বিষয় সাংঘর্ষিক, তা অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে।’

তালেবান এই আইনটি বাস্তবায়নে আপাতত জোর করবে না, তার আভাস পাওয়া গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। আইন পাস হওয়ার পরও তালেবান নেতা ও যোদ্ধাদের অনেককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের ছবি পোস্ট করতে দেখা গেছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

আফগান সংবাদমাধ্যমে জীবিত প্রাণীর ছবি-ভিডিও নিষিদ্ধ!

আপডেট সময় ১২:০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৪

আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যমে মানুষ এবং সব ধরনের জীবিত প্রাণীর ছবি প্রকাশ নিষিদ্ধ করল দেশটির শাসকগোষ্ঠী তালেবান। সরকারের পাপ ও পূণ্যবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গত সোমবার জারি করা নির্দেশনায় এমন আইনের ঘোষণা আসে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, সংবাদমাধ্যমে জীবিত প্রাণী কিংবা মানুষের ছবি প্রকাশ নিষিদ্ধ করেছে তালেবান। একই সঙ্গে ইসলামকে কোনোভাবে অসম্মান করে এমন কোনো লেখাও প্রকাশ করা যাবে না।

পাপ ও পূণ্যবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইফুল ইসলাম খাইবার জানান, যার আত্মা আছে সেসব জীবিত সত্তার ছবি প্রচার-প্রকাশ না করার কথা বলা হয়েছে। আপাতত তাখার, মাইদান এবং কানদাহার  প্রদেশে কার্যকর হবে এই নির্দেশনা। পরবর্তীতে পুরো আফগানিস্তানে কার্যকর করা হবে আইনটি।

খাইবার আরও বলেন, ‘আইন বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার জোর করা হবে না। এই আইনের উদ্দেশ্য, জনগণকে এটি বোঝানো যে শরিয়াহ আইনের সঙ্গে যেসব বিষয় সাংঘর্ষিক, তা অবশ্যই এড়িয়ে চলতে হবে।’

তালেবান এই আইনটি বাস্তবায়নে আপাতত জোর করবে না, তার আভাস পাওয়া গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও। আইন পাস হওয়ার পরও তালেবান নেতা ও যোদ্ধাদের অনেককে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের ছবি পোস্ট করতে দেখা গেছে।