বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’য় রূপ নিয়েছে বুধবার। ঘূর্ণিঝড়টি বৃহস্পতিবার রাত এবং পরের দিন ২৫ অক্টোবর, অর্থাৎ শুক্রবার ভোরের মধ্যে ভারতের উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে দুর্যোগপূর্ব প্রস্তুতি নিচ্ছে উড়িষ্যা ও পশ্চিমবঙ্গ। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা এবং যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দেড় শতাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের ৯ টি জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সমুদ্র সৈকতের কাছের সমস্ত হোটেল বুধবারই বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ফেরি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে এবং পর্যটকদের এখন থেকেই সতর্ক করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’-র জেরে প্রাথমিকভাবে ১৭৮টি ট্রেন চলাচল বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। ভারতের ইস্ট-কোস্ট রেলওয়ের (পূর্ব উপকূলীয় রেল) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বুধবার থেকে বিভিন্ন ট্রেন বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে। বাতিল করে দেওয়া হয়েছে বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবারের একগুচ্ছ ট্রেন। এমনকি আগামী শনিবার এবং আগামী ২৯ অক্টোবরের ট্রেনও বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক কেন্দ্র নবান্নে এক সংবাদ সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ২৩ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত তিনদিন পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হুগলি, কলকাতা, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামে স্কুল বন্ধ থাকবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ‘দানা’ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে সেটা শক্তি বাড়িয়ে, বড় একটা ঘুর্ণিঝড় হিসেবে ২৪ অক্টোবর রাত থেকে ২৫ অক্টোবর সকালের মধ্যে পুরী এবং সাগরদীপে যেকোনও জায়গায় আঘাত হানতে পারে। তখন বাতাসের গতি ১০০ থেকে ১১০ থাকবে। কোথাও কোথাও ১২০-ও হতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট 










