সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

আদালত প্রাঙ্গনে প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা

আদালত প্রাঙ্গনে প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা

সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে হোটেল, রেস্তোরাঁয় একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক এবং নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এসব হোটেল, রেস্তোরাঁয় প্রস্তাবিত বিকল্প পণ্যসামগ্রী ব্যবহার করতে বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে।

গত ২৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের দেওয়া এ দুই বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিগুলোতে বলা হয়, বায়ুদূষণ, প্লাস্টিক দূষণ, পানি দূষণসহ সার্বিকভাবে পরিবেশ দূষণ আমাদের দেশে তীব্র আকার ধারণ করেছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন, ১৯৯৫ সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে পরিবেশ দূষণরোধ, জীববৈচিত্র রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ।

এতে বলা হয়, প্লাস্টিক, বিশেষ করে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বেশি ব্যবহার পরিবেশ, জীববৈচিত্র ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এ ধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহারে নিরুৎসাহিত  করা। এর ধারাবাহিকতায় একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বন্ধ করার লক্ষ্যে ‘কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২১’ র ৯ বিধির আলোকে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের তালিকা প্রজ্ঞাপন আকারে সরকার ২৮ অগাস্ট জারি করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বিকল্প পণ্য সামগ্রী ব্যবহারের নির্দেশনায় বলা হয়, 

(ক) প্লাস্টিকের ফাইল, ফোল্ডারের পরিবর্তে কাগজ বা পরিবেশবান্ধব অন্যান্য সামগ্রীর তৈরি ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবহার করা (খ) প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে কটন/ জুট ফেব্রিকের ব্যাগ ব্যবহার করা (গ) প্লাস্টিকের পানির বোতলের পরিবর্তে কাচের  বোতল ও কাচের গ্লাস ব্যবহার করা (ঘ) প্লাস্টিকের ব্যানারের পরিবর্তে কটন  ফেব্রিক, জুট ফেব্রিক বা বায়োডিগ্রেডেবল উপাদানে তৈরি ব্যানার ব্যবহার করা  (ঙ) দাওয়াতপত্র, ভিজিটিং কার্ড ও বিভিন্ন ধরনের প্রচারপত্রে প্লাস্টিকের লেমিনেটেড পরিহার করা (চ) বিভিন্ন সভা সেমিনারে সরবরাহ করা খাবারের প্যাকেট যেন কাগজের হয়/পরিবেশবান্ধব হয়, সেটি নিশ্চিত করা; (ছ) একবার  ব্যবহার্য প্লাস্টিকের প্লেট, গ্লাস, কাপ, স্ট্র, কাটলারিসহ সব ধরনের পণ্য পরিহার করা (জ) প্লাস্টিকের কলমের পরিবর্তে পেনসিল/ কাগজের কলম ব্যবহার করা  (ঝ) বার্ষিক প্রতিবেদনসহ সব ধরনের প্রকাশনায় লেমিনেটেড মোড়ক ও  প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিহার করা এবং (ঞ) ফুলের তোড়াতে প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা।

প্রসঙ্গত, বিগত সরকারগুলো পলিথিন নিষিদ্ধের ঘোষণা দিলেও এতদিনেও বাজারে তা বাস্তবায়ন হয়নি। এই পরিস্থিতিতেই দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে এসেছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। এই সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হন পরিবেশ আন্দোলনের পরিচিতমুখ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তাঁর নির্দেশনায় গত ১ অক্টোবর থেকে সুপারশপে এবং ১ নভেম্বর থেকে সব বাজারে পলিথিন ও পলিপ্রোপাইলিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়। ইতোমধ্যে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়নে অভিযান মনিটরিং কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

আদালত প্রাঙ্গনে প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা

আপডেট সময় ১২:০২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০২৪

সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত বা ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে হোটেল, রেস্তোরাঁয় একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক এবং নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। এসব হোটেল, রেস্তোরাঁয় প্রস্তাবিত বিকল্প পণ্যসামগ্রী ব্যবহার করতে বলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে।

গত ২৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের দেওয়া এ দুই বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিগুলোতে বলা হয়, বায়ুদূষণ, প্লাস্টিক দূষণ, পানি দূষণসহ সার্বিকভাবে পরিবেশ দূষণ আমাদের দেশে তীব্র আকার ধারণ করেছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন, ১৯৯৫ সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিমালা এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইনের আলোকে পরিবেশ দূষণরোধ, জীববৈচিত্র রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ।

এতে বলা হয়, প্লাস্টিক, বিশেষ করে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের বেশি ব্যবহার পরিবেশ, জীববৈচিত্র ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এ ধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহারে নিরুৎসাহিত  করা। এর ধারাবাহিকতায় একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ব্যবহার ক্রমান্বয়ে বন্ধ করার লক্ষ্যে ‘কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা-২০২১’ র ৯ বিধির আলোকে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের তালিকা প্রজ্ঞাপন আকারে সরকার ২৮ অগাস্ট জারি করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বিকল্প পণ্য সামগ্রী ব্যবহারের নির্দেশনায় বলা হয়, 

(ক) প্লাস্টিকের ফাইল, ফোল্ডারের পরিবর্তে কাগজ বা পরিবেশবান্ধব অন্যান্য সামগ্রীর তৈরি ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবহার করা (খ) প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে কটন/ জুট ফেব্রিকের ব্যাগ ব্যবহার করা (গ) প্লাস্টিকের পানির বোতলের পরিবর্তে কাচের  বোতল ও কাচের গ্লাস ব্যবহার করা (ঘ) প্লাস্টিকের ব্যানারের পরিবর্তে কটন  ফেব্রিক, জুট ফেব্রিক বা বায়োডিগ্রেডেবল উপাদানে তৈরি ব্যানার ব্যবহার করা  (ঙ) দাওয়াতপত্র, ভিজিটিং কার্ড ও বিভিন্ন ধরনের প্রচারপত্রে প্লাস্টিকের লেমিনেটেড পরিহার করা (চ) বিভিন্ন সভা সেমিনারে সরবরাহ করা খাবারের প্যাকেট যেন কাগজের হয়/পরিবেশবান্ধব হয়, সেটি নিশ্চিত করা; (ছ) একবার  ব্যবহার্য প্লাস্টিকের প্লেট, গ্লাস, কাপ, স্ট্র, কাটলারিসহ সব ধরনের পণ্য পরিহার করা (জ) প্লাস্টিকের কলমের পরিবর্তে পেনসিল/ কাগজের কলম ব্যবহার করা  (ঝ) বার্ষিক প্রতিবেদনসহ সব ধরনের প্রকাশনায় লেমিনেটেড মোড়ক ও  প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিহার করা এবং (ঞ) ফুলের তোড়াতে প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা।

প্রসঙ্গত, বিগত সরকারগুলো পলিথিন নিষিদ্ধের ঘোষণা দিলেও এতদিনেও বাজারে তা বাস্তবায়ন হয়নি। এই পরিস্থিতিতেই দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে এসেছে অন্তবর্তীকালীন সরকার। এই সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হন পরিবেশ আন্দোলনের পরিচিতমুখ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তাঁর নির্দেশনায় গত ১ অক্টোবর থেকে সুপারশপে এবং ১ নভেম্বর থেকে সব বাজারে পলিথিন ও পলিপ্রোপাইলিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়। ইতোমধ্যে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধের নির্দেশনা বাস্তবায়নে অভিযান মনিটরিং কমিটিও গঠন করা হয়েছে।