সংবাদ শিরোনাম ::

সরকারি অফিসে ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের’ বিকল্প ব্যবহারের নির্দেশ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৪৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • 218

সরকারি অফিসে ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের’ বিকল্প ব্যবহারের নির্দেশ

সকল সরকারি অফিসে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের বিকল্প পণ্যসামগ্রী ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার অনুরোধের প্রেক্ষিতে আজ ৫ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক সামগ্রী যা সাধারণত ওয়ান-টাইম হিসেবে পরিচিত সেসবের মাধ্যমে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে এর ব্যবহার বন্ধ করার লক্ষ্যে এই নির্দেশনা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায়, প্লাস্টিকের ফাইল, ফোল্ডারের পরিবর্তে কাগজ বা পরিবেশবান্ধব অন্যান্য সামগ্রীর তৈরি ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে কটন-জুট ফেব্রিকের ব্যাগ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। প্লাস্টিকের পানির বোতলের পরিবর্তে কাঁচের বোতল ও কাঁচের গ্লাস ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। প্লাস্টিকের ব্যানারের পরিবর্তে কটন ফেব্রিক, জুট ফেব্রিক বা বায়োডিগ্রেডেবল উপাদানে তৈরি ব্যানার ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছে।  এছাড়া দাওয়াত পত্র, ভিজিটিং কার্ড ও বিভিন্ন ধরনের প্রচার পত্রে প্লাস্টিকের লেমিনেটেড পরিহার করতে বলা হয়েছে।

বিভিন্ন সভা-সেমিনারে সররাহকৃত খাবারের প্যাকেট যেন কাগজের হয়, পরিবেশ বান্ধব হয় সেটি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।  একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের প্লেট, গ্লাস, কাপ, স্ট্র, কাটলারিসহ সকল ধরনের পণ্য পরিহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।  প্লাস্টিকের কলমের পরিবর্তে পেনসিল,কাগজের কলম ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। বার্ষিক প্রতিবেদনসহ সকল ধরনের প্রকাশনায় লেমিনেটেড মোড়ক ও প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিহার করা এবং ফুলের তোড়াতে প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি উপদেষ্টাদের সভায় দেখা যায় প্লাস্টিকের পানির বোতলের বিকল্প হিসেবে কাচের জগ ও গ্লাস। ছবি-সংগৃহিত

এব্যাপারে কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং আওতাধীন দপ্তর, সংস্থাসমূহকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য সকল সিনিয়র সচিব, সচিব, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

অপরদিকে, প্লাস্টিকদূষণে সচেতনতা তৈরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সচিবালয়কে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক মুক্ত ঘোষণার উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ১৫ অগাস্ট জারি করা এক পত্রের মাধ্যমে সকল মন্ত্রণালয়,বিভাগের সচিবদের অনুরোধ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

উল্লেখ্য, ২৮ অগাস্ট ২০২৪ তারিখে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৭ ধরনের বস্তু-সামগ্রী,পদার্থকে ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৯ অগাস্ট ২০২৪ তারিখে জারি করা এক অফিস আদেশে পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোকে ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক পর্যায়ে ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের’ ব্যবহার বন্ধ ঘোষণা করে কর্মকর্তা কর্মচারীদের কার্যক্রম গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

মাঝারি রূপ নিচ্ছে তাপপ্রবাহ,তাপমাত্রা হতে পারে ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস

সরকারি অফিসে ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের’ বিকল্প ব্যবহারের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৬:৪৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

সকল সরকারি অফিসে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের বিকল্প পণ্যসামগ্রী ব্যবহারের নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার অনুরোধের প্রেক্ষিতে আজ ৫ সেপ্টেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ হতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক সামগ্রী যা সাধারণত ওয়ান-টাইম হিসেবে পরিচিত সেসবের মাধ্যমে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে এর ব্যবহার বন্ধ করার লক্ষ্যে এই নির্দেশনা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনায়, প্লাস্টিকের ফাইল, ফোল্ডারের পরিবর্তে কাগজ বা পরিবেশবান্ধব অন্যান্য সামগ্রীর তৈরি ফাইল ও ফোল্ডার ব্যবহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্লাস্টিক ব্যাগের পরিবর্তে কটন-জুট ফেব্রিকের ব্যাগ ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। প্লাস্টিকের পানির বোতলের পরিবর্তে কাঁচের বোতল ও কাঁচের গ্লাস ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। প্লাস্টিকের ব্যানারের পরিবর্তে কটন ফেব্রিক, জুট ফেব্রিক বা বায়োডিগ্রেডেবল উপাদানে তৈরি ব্যানার ব্যবহারের অনুরোধ করা হয়েছে।  এছাড়া দাওয়াত পত্র, ভিজিটিং কার্ড ও বিভিন্ন ধরনের প্রচার পত্রে প্লাস্টিকের লেমিনেটেড পরিহার করতে বলা হয়েছে।

বিভিন্ন সভা-সেমিনারে সররাহকৃত খাবারের প্যাকেট যেন কাগজের হয়, পরিবেশ বান্ধব হয় সেটি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।  একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিকের প্লেট, গ্লাস, কাপ, স্ট্র, কাটলারিসহ সকল ধরনের পণ্য পরিহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।  প্লাস্টিকের কলমের পরিবর্তে পেনসিল,কাগজের কলম ব্যবহার করতে বলা হয়েছে। বার্ষিক প্রতিবেদনসহ সকল ধরনের প্রকাশনায় লেমিনেটেড মোড়ক ও প্লাস্টিকের ব্যবহার পরিহার করা এবং ফুলের তোড়াতে প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি উপদেষ্টাদের সভায় দেখা যায় প্লাস্টিকের পানির বোতলের বিকল্প হিসেবে কাচের জগ ও গ্লাস। ছবি-সংগৃহিত

এব্যাপারে কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং আওতাধীন দপ্তর, সংস্থাসমূহকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য সকল সিনিয়র সচিব, সচিব, বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের অনুরোধ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

অপরদিকে, প্লাস্টিকদূষণে সচেতনতা তৈরি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সচিবালয়কে সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক মুক্ত ঘোষণার উদ্যোগ বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ১৫ অগাস্ট জারি করা এক পত্রের মাধ্যমে সকল মন্ত্রণালয়,বিভাগের সচিবদের অনুরোধ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

উল্লেখ্য, ২৮ অগাস্ট ২০২৪ তারিখে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৭ ধরনের বস্তু-সামগ্রী,পদার্থকে ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিক’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৯ অগাস্ট ২০২৪ তারিখে জারি করা এক অফিস আদেশে পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থাগুলোকে ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক পর্যায়ে ‘সিঙ্গেল ইউজ প্লাস্টিকের’ ব্যবহার বন্ধ ঘোষণা করে কর্মকর্তা কর্মচারীদের কার্যক্রম গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।