কেটি পেরি, টেইলর সুইফটদের মতো তারকা, ইন্সটাগ্রাম-এক্সের শক্তিধর ইনফ্লুয়েন্সারদের ব্যাপক প্রচারণা, নারীবাদী, সমকামি অধিকারকর্মী, জেনজি ভোটারদের পছন্দের কমলা হ্যারিস ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বড় ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার ভোট শেষের পর যখন ট্রাম্পের পক্ষে পপুলার ও ইলেকটোরাল ভোট লাফিয়ে বাড়ছিল তখন হতাশায় কমলা জানিয়েছিলেন ভাষণ দেবেন না। তবে সৌজন্য বলেও একটা কথা আছে। পরাজয়ের ধাক্কা কিছুটা সামলে উঠে কান্নারত ভক্ত-সমর্থকদের সামনে এলেন কমলা হ্যারিস।

হই-হই করে তাকে স্বাগত জানাল সমর্থকরাও। তবে হই-চই থামার পর কমলা ভাষণ শুরু করতেই অনেককে দেখা গেল কাঁদতে। কমলার কণ্ঠেও ছিল প্রচ্ছন্ন হতাশা, কণ্ঠ ছিল ভারী। পরাজয় মেনে নিলেও ‘লড়াই’ চালিয়ে যাবেন বলে সবাইকে সান্ত্বনা দিলেন ডেমোক্র্যাটদের হয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়া কমলা।

বুধবার (৬ নভেম্বর) স্থানীয় সময় রাত ৯টায় ওয়াশিংটনের হাওয়ার্ড ইউনিভার্সিটির মঞ্চে তিনি ভাষণ দেন। সেসময় তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী ডগ এমহফ।
পরাজয় স্বীকারের ভাষণে তিনি বলেন, নির্বাচনের ফল আশানুরূপ না হলেও দেশ ও দলের জন্য কাজ করবেন। লড়াই করে যাবেন নারী অধিকার রক্ষা এবং অস্ত্র সহিংসতার বিরুদ্ধে।

কমলা বলেন, ‘আমি পরাজয় মেনে নিচ্ছি। তবে আমাদের লড়াই থামবে না। মানুষের স্বাধীনতা, সুযোগ, মর্যাদার জন্য লড়াই করুন।’
‘আজ আমার হৃদয় পরিপূর্ণ হয়েছে’ উল্লেখ করে কমলা বলেন, ‘আপনারা আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন তার জন্য কৃতজ্ঞ। আমাদের সব ভালোবাসা দেশের জন্য।’

কমলা আরও বলেন, ‘আপনারা কখনো হাল ছেড়ে দেবেন না। লড়াই চালিয়ে যাবেন। এর মধ্য দিয়ে আমেরিকা সব সময় উজ্জ্বল থাকবে।’
যুব সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিধ্বস্ত হওয়া স্বাভাবিক, তবে জানবেন, ‘সবকিছু ঠিকঠাক হবে। আমরা যখন লড়ি, আমরা জিতি—এমনটা সব সময় নাও হতে পারে। তবে এর মানে এই নয় যে আমরা হেরে যাবো।’

নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়া প্রসঙ্গে কমলা বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই এই নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিতে হবে। আমি নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলেছি এবং তাঁর বিজয়ের জন্য তাকে অভিনন্দন জানিয়েছি। আমরা তাঁকে (ট্রাম্প) এবং তাঁর দলকে তাদের উত্তরণে সহায়তা করব এবং আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরে নিযুক্ত হব।’
ডেস্ক রিপোর্ট 










