ঈদে ঘরমুখো মানুষদের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে র্যাব। রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাল ও ফেরিঘাটসহ যেসব জনসমাগমপূর্ণ স্থান রয়েছে, সেসব জায়গায় র্যাব ‘আন্তরিকভাবে’ মানুষদের সহায়তায় কাজ করছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।
ঈদযাত্রা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম।
আরাফাত বলেন, “টিকিট কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। যাত্রীদের কেউ হয়রানির শিকার হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে প্রতিটি স্টেশনে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “ আমরা মোবাইল ট্র্যাকিং চালু রেখেছি। বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল, রেলস্টেশনে আমাদের টিম কাজ করছে। টিকিট কালোবাজারি চক্রের বিরুদ্ধে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। এ বছরের পর এগুলো (কালোবাজারি) আর থাকবে না।”
কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেন, “এ বছর দূরপাল্লার (আন্তঃনগর) ট্রেনের শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া যাত্রার দিন ২৫ ভাগ আসনবিহীন টিকিট বিক্রি চলছে।”
এই র্যাব কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছি, মোবাইল ট্র্যাকিং চালু রেখেছি। বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল, রেলস্টেশনে আমাদের ওয়াচ টাওয়ার, কন্ট্রোল রুম রয়েছে, মোবাইল টিম রয়েছে। যেকোনো ধরনের অভিযোগ পেলে সঙ্গেসঙ্গেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এসময় যাত্রীদের কোনো অভিযোগ থাকলে র্যাবকে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি।
আরাফাত বলেন, “রেল কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে আছেন। যাত্রীদের হয়রানি বিশেষ করে নারী হয়রানি যেন না হয় সে বিষয়ে র্যাব কাজ করে যাবে। বিভিন্ন অজ্ঞানপার্টি, মলম পার্টির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান।”
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক পরামর্শ দেন যাত্রাপথে অপরিচিত কারও সঙ্গে সখ্যতা না গড়তে।
নিজস্ব সংবাদ : 










