নদীতে বাঁধ দিয়ে নয়, বিদ্যুতের জন্য আরও সহজ পথে ঘানা

নদীতে বাঁধ দিয়ে নয়, বিদ্যুতের জন্য আরও সহজ পথে ঘানা

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানা, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে উৎপাদন করতে চায় ঘানা সরকার। নদীতে কেবল বাঁধ দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা যায় এমন ধারণায় পরিবর্তন এনে পশ্চিম আফ্রিকার প্রথম ভাসমান সোলার প্যানেল বসালো দেশটি। ঘানার পশ্চিমে ব্ল্যাক ভল্টা নদীর ওপর বসানো এই সোলার প্যানেলের আকার প্রায় পাঁচটি ফুটবল মাঠের সমান।

একটি ভাসমান অবকাঠামোর ওপর প্যানেলগুলো বসানো আছে। ওই অবকাঠামোর ওপর হাঁটার পথও আছে।জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে বলছে, ভূমিতে থাকা প্যানেলের চেয়ে ভাসমান সোলার প্যানেলের কিছু সুবিধা আছে। এগুলো জায়গা কম নেয়, আর একটি আরেকটির চেয়ে অল্প দূরত্বে বসানো যায়। ভাসমান সোলার প্যানেল ওপর ও নিচ থেকে পাওয়া আলো দিয়ে শক্তি উৎপাদন করে।

ডয়চে ভেলে বলছে, ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্র্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভাসমান সোলার প্যানেল থেকে সর্বোচ্চ ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা যায়। কাছের ওয়েঞ্চি শহরের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের জন্য এটি যথেষ্ট।

প্রকৌশলী ডেবোরাহ আডজেই বলেন, ‘আমাদের প্রকল্পটি নিয়ে মানুষের মধ্যেও কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া নেই। অথচ এই এলাকার বুই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ আছে।’

তিনি জানান, বুই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ ২০১৩ সালে শেষ হয়েছিল। তবে বাঁধের কারণে পাশের জাতীয় উদ্যানের এক-পঞ্চমাংশ ও উর্বর কৃষিজমি বন্যায় ডুবে গিয়েছিল। বাতোর আকানইয়াক্রোম গ্রামসহ আট সম্প্রদায়ের এক হাজারের বেশি মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়েছিল। ফলে তাদের জীবিকা নির্বাহে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছিল। তবে সৌরবিদ্যুতের ক্ষেত্রে তেমন কোনো ঝুঁকি নেই।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

নদীতে বাঁধ দিয়ে নয়, বিদ্যুতের জন্য আরও সহজ পথে ঘানা

আপডেট সময় ০৭:০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৪

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানা, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে উৎপাদন করতে চায় ঘানা সরকার। নদীতে কেবল বাঁধ দিয়েই বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা যায় এমন ধারণায় পরিবর্তন এনে পশ্চিম আফ্রিকার প্রথম ভাসমান সোলার প্যানেল বসালো দেশটি। ঘানার পশ্চিমে ব্ল্যাক ভল্টা নদীর ওপর বসানো এই সোলার প্যানেলের আকার প্রায় পাঁচটি ফুটবল মাঠের সমান।

একটি ভাসমান অবকাঠামোর ওপর প্যানেলগুলো বসানো আছে। ওই অবকাঠামোর ওপর হাঁটার পথও আছে।জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে বলছে, ভূমিতে থাকা প্যানেলের চেয়ে ভাসমান সোলার প্যানেলের কিছু সুবিধা আছে। এগুলো জায়গা কম নেয়, আর একটি আরেকটির চেয়ে অল্প দূরত্বে বসানো যায়। ভাসমান সোলার প্যানেল ওপর ও নিচ থেকে পাওয়া আলো দিয়ে শক্তি উৎপাদন করে।

ডয়চে ভেলে বলছে, ওই বিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্র্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভাসমান সোলার প্যানেল থেকে সর্বোচ্চ ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা যায়। কাছের ওয়েঞ্চি শহরের প্রায় ৪০ হাজার মানুষের জন্য এটি যথেষ্ট।

প্রকৌশলী ডেবোরাহ আডজেই বলেন, ‘আমাদের প্রকল্পটি নিয়ে মানুষের মধ্যেও কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া নেই। অথচ এই এলাকার বুই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ নিয়ে বিস্তর অভিযোগ আছে।’

তিনি জানান, বুই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ ২০১৩ সালে শেষ হয়েছিল। তবে বাঁধের কারণে পাশের জাতীয় উদ্যানের এক-পঞ্চমাংশ ও উর্বর কৃষিজমি বন্যায় ডুবে গিয়েছিল। বাতোর আকানইয়াক্রোম গ্রামসহ আট সম্প্রদায়ের এক হাজারের বেশি মানুষকে অন্যত্র সরিয়ে নিতে হয়েছিল। ফলে তাদের জীবিকা নির্বাহে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছিল। তবে সৌরবিদ্যুতের ক্ষেত্রে তেমন কোনো ঝুঁকি নেই।