সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
"বিশ্ব পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস ২০২৫"

চামড়া শিল্পে শোভন কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংস্কৃতি চালুর দাবিতে মানববন্ধন

চামড়া শিল্পে কেমিকেলের সঠিক ব্যবস্থাপনার দাবিতে মানববন্ধন

আজ বিশ্ব পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস ২০২৫। যে দিনটিতে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা অধিকার, শোভন কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংস্কৃতি চালু, সামাজিক সুরক্ষা এবং শ্রমিকের কল্যাণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয় । এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য হলো- স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায় বিপ্লব। শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের উপর ডিজিটালাইজেশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর প্রভাব।

“পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস-২০২৫” এ “বিল্ডিং এ সাসটেইনেবল লেদার সেক্টর ইন বাংলাদেশ” প্রকল্পের আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এবং কর্মপরিবেশের উন্নতির বিষয়ে সকলের সচেতনতা ও জ্ঞান বৃদ্ধির একটি অত্যাবশ্যক দিন হলো বিশ্ব পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস। এই দিবসটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধি তথা সমাজের সামগ্রিক উন্নতি সম্ভব নয় যদি শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত না থাকে। চামড়া শিল্পকে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার জন্য সামাজিক ও পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। এ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষ শ্রমশক্তি, শ্রমিকের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ও শোভন কর্মপরিবেশ। শোভন কর্মপরিবেশের অন্যতম শর্ত হচ্ছে কর্মক্ষত্রে শ্রমিকের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বক্তারা আরো বলেন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭, অনুচ্ছেদ ১৪ এবং অনুচ্ছেদ ২০ এ সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭, ১৬১, প্রটোকল ১৫৫ এবং সুপারিশ মালা ১৬৪ ও ১৯৭ কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও জাতিসঙ্ঘ ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নির্ধারিত সময় সীমার এক-তৃতীয়াংশ সময় অতিবাহিত হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৭টি লক্ষ্যের ৮ নম্বর লক্ষ্য হচ্ছে শোভন কাজ বাস্তবায়ন। শোভন কাজের অন্যতম শর্ত হচ্ছে কর্মক্ষত্রে শ্রমিকের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

চামড়া শিল্পে কেমিকেলের সঠিক ব্যবস্থাপনার দাবিতে মানববন্ধন prokritibarta

কর্মক্ষেত্রে বিশেষ করে চামড়া শিল্পে পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে ১১ দফা দাবী উপস্থাপন করা হয় :

 পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধি যথাযথভাবে পরিপালন ও বাস্তবায়ন করা,
 চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত রাসায়নিকের নিরাপদ ব্যবহার ও সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকল্পে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর কর্তৃক পরিদর্শন ব্যবস্থা জোরদারকরণ,
 কর্মক্ষেত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিরুপন করে তা প্রতিরোধের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা,
 প্রতিটি কারখানায় আইনি বিধান অনুযায়ী সেইফটি কমিটি কার্যকর করা,
 কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পেশাগত রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত শ্রমিকদের যুগোপোযোগী ক্ষতিপূরণ প্রদান করা,
 পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা,
 অবিলম্বে পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত আইএলও কনভেনশন ১৫৫ ও ১৮৭ অনুসমর্থন করা,
 পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে শ্রমিকের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন করা,
 এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিমের বাস্তবায়ন ও শ্রমিকদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা,
 শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে নিরাপত্তা বিষয়ক নীতিমালা পরিপালনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা,
 কর্মস্থলে নারী শ্রমিকদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে প্রসূতি কল্যান সুবিধার পূর্ণাঙ্গ বান্তবায়ন নিশ্চিত করা।

চামড়া শিল্পে কেমিকেলের সঠিক ব্যবস্থাপনার দাবিতে মানববন্ধন prokritibarta

মানববন্ধনে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর এ এম এম খায়রুল আনাম, হেড অব ইভেন্ট খন্দকার আহমেদ শাহেদ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ লেবার স্টাডিজের প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর চৌধুরী বরহান উদ্দিন, ওশি ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো: আলম হোসেনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৩ সাল থেকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ২৮ এপ্রিল ‘ওয়ার্ল্ড ডে ফর সেফটি অ্যান্ড হেলথ অ্যাট ওয়ার্ক’ পালন করে আসছে। পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি সম্পর্কে দেশব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০১৬ সাল থেকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জাতীয়ভাবে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপন করছে। তাই বাংলাদেশে এই দিনটি জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস হিসেবে পরিচিত।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

"বিশ্ব পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস ২০২৫"

চামড়া শিল্পে শোভন কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংস্কৃতি চালুর দাবিতে মানববন্ধন

আপডেট সময় ০১:০২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৫

আজ বিশ্ব পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস ২০২৫। যে দিনটিতে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা অধিকার, শোভন কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংস্কৃতি চালু, সামাজিক সুরক্ষা এবং শ্রমিকের কল্যাণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয় । এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য হলো- স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায় বিপ্লব। শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের উপর ডিজিটালাইজেশন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এর প্রভাব।

“পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস-২০২৫” এ “বিল্ডিং এ সাসটেইনেবল লেদার সেক্টর ইন বাংলাদেশ” প্রকল্পের আয়োজনে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এবং কর্মপরিবেশের উন্নতির বিষয়ে সকলের সচেতনতা ও জ্ঞান বৃদ্ধির একটি অত্যাবশ্যক দিন হলো বিশ্ব পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস। এই দিবসটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধি তথা সমাজের সামগ্রিক উন্নতি সম্ভব নয় যদি শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সুরক্ষিত না থাকে। চামড়া শিল্পকে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার জন্য সামাজিক ও পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি অত্যন্ত জরুরি। এ উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার, দক্ষ শ্রমশক্তি, শ্রমিকের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ও শোভন কর্মপরিবেশ। শোভন কর্মপরিবেশের অন্যতম শর্ত হচ্ছে কর্মক্ষত্রে শ্রমিকের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বক্তারা আরো বলেন, নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও শ্রমিকের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭, অনুচ্ছেদ ১৪ এবং অনুচ্ছেদ ২০ এ সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কনভেনশন ১৫৫, ১৮৭, ১৬১, প্রটোকল ১৫৫ এবং সুপারিশ মালা ১৬৪ ও ১৯৭ কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার বিষয়ে সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও জাতিসঙ্ঘ ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের রোড ম্যাপ ঘোষণা করেছে। ইতোমধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নির্ধারিত সময় সীমার এক-তৃতীয়াংশ সময় অতিবাহিত হয়েছে। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ১৭টি লক্ষ্যের ৮ নম্বর লক্ষ্য হচ্ছে শোভন কাজ বাস্তবায়ন। শোভন কাজের অন্যতম শর্ত হচ্ছে কর্মক্ষত্রে শ্রমিকের পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

চামড়া শিল্পে কেমিকেলের সঠিক ব্যবস্থাপনার দাবিতে মানববন্ধন prokritibarta

কর্মক্ষেত্রে বিশেষ করে চামড়া শিল্পে পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে ১১ দফা দাবী উপস্থাপন করা হয় :

 পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিধি যথাযথভাবে পরিপালন ও বাস্তবায়ন করা,
 চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত রাসায়নিকের নিরাপদ ব্যবহার ও সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকল্পে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর কর্তৃক পরিদর্শন ব্যবস্থা জোরদারকরণ,
 কর্মক্ষেত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিরুপন করে তা প্রতিরোধের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা,
 প্রতিটি কারখানায় আইনি বিধান অনুযায়ী সেইফটি কমিটি কার্যকর করা,
 কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পেশাগত রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত শ্রমিকদের যুগোপোযোগী ক্ষতিপূরণ প্রদান করা,
 পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা,
 অবিলম্বে পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সম্পর্কিত আইএলও কনভেনশন ১৫৫ ও ১৮৭ অনুসমর্থন করা,
 পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে শ্রমিকের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন করা,
 এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কিমের বাস্তবায়ন ও শ্রমিকদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা,
 শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে নিরাপত্তা বিষয়ক নীতিমালা পরিপালনে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা,
 কর্মস্থলে নারী শ্রমিকদের জন্য প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিশেষ করে প্রসূতি কল্যান সুবিধার পূর্ণাঙ্গ বান্তবায়ন নিশ্চিত করা।

চামড়া শিল্পে কেমিকেলের সঠিক ব্যবস্থাপনার দাবিতে মানববন্ধন prokritibarta

মানববন্ধনে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর এ এম এম খায়রুল আনাম, হেড অব ইভেন্ট খন্দকার আহমেদ শাহেদ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ লেবার স্টাডিজের প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর চৌধুরী বরহান উদ্দিন, ওশি ফাউন্ডেশনের পরিচালক মো: আলম হোসেনসহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংগঠনের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৩ সাল থেকে আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) ২৮ এপ্রিল ‘ওয়ার্ল্ড ডে ফর সেফটি অ্যান্ড হেলথ অ্যাট ওয়ার্ক’ পালন করে আসছে। পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি সম্পর্কে দেশব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০১৬ সাল থেকে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় জাতীয়ভাবে পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উদযাপন করছে। তাই বাংলাদেশে এই দিনটি জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস হিসেবে পরিচিত।