সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কাপ্তাইয়ে আহত লজ্জাবতী উদ্ধার করে চিকিৎসার পর অবমুক্ত Logo পরিবেশ ধ্বংসের বাস্তবচিত্র: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্যের ভাগাড়! Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ঢাকা থেকে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে ইরানে Logo পরিবেশ ধ্বংসের বাস্তবচিত্র: ইটভাটার ধোঁয়ায় প্রায় দুইশো বিঘা জমির ধান নষ্ট Logo প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত Logo তাপপ্রবাহ চলবে আরও ২-৩ দিন, এরপরেই স্বস্তির বৃষ্টির আভাস Logo রাজশাহীতে মাঝারি তাপপ্রবাহ, দেশজুড়ে ২৭ জেলায় প্রায় একই অবস্থা Logo প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. সাইমুম পারভেজ Logo সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড রাজশাহীতে, ২৪ জেলায় তাপপ্রবাহ Logo ধরিত্রী দিবসে বরিশালে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব এবং জেআইএসসি’র সবুজ আয়োজন

জলবায়ু পরিবর্তন স্পষ্ট: পাকিস্তানে টানা বৃষ্টি ও বন্যায় ৩ মাসে হাজারের মানুষের বেশি প্রাণহানি

জলবায়ু পরিবর্তন স্পষ্ট: পাকিস্তানে টানা বৃষ্টি ও বন্যায় ৩ মাসে হাজারের মানুষের বেশি প্রাণহানি

জলবায়ু পরিবর্তনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে বেশি। এর মধ্যে ভীষণ গরমের পর চরম আদ্র আবহাওয়া, মেঘ বিস্ফোরণের মতো ঘটনা এবং টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্থ ভারত ও পাকিস্তান। অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্থ এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যর্থ পাকিস্তানের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। গত জুন থেকে শুরু হওয়া প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় পাকিস্তানজুড়ে অন্তত ১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ২৭৫ শিশু, ৫৬৮ জন পুরুষ ও ১৬৩ জন নারী।

 

পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন।

 

পাকিস্তানে এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে, এখানে মৃতের সংখ্যা ৫০৪। এরপর পাঞ্জাব প্রদেশে ৩০৪, সিন্ধুতে ৮০, বেলুচিস্তানে ৩০, গিলগিত-বালতিস্তানে ৪১, আজাদ কাশ্মীরে ৩৮ এবং রাজধানী ইসলামাবাদে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এনডিএমএ জানিয়েছে, মৃত্যুর পাশাপাশি দেশজুড়ে ১ হাজার ৬৩ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩২১ শিশু, ৪৫০ পুরুষ ও ২৯২ জন নারী। সবচেয়ে বেশি ৬৬১ জন আহত হয়েছেন পাঞ্জাবে, এরপর খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ২১৮ জন ও সিন্ধুতে ৮৭ জন।

গত ২৬ জুন থেকে প্রায় ৫ হাজার ৭৬৮টি অভিযানের মধ্য দিয়ে দুর্গত এলাকাগুলো থেকে ৩০ লাখের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। এনডিএমএ, প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও অন্য সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় এসব উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। ২৬ জুন থেকে কর্তৃপক্ষ বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে ১ হাজার ৬৯০টি ত্রাণশিবির ও মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে এনডিএমএ।

পাকিস্তানজুড়ে ১২ হাজার ৫৬৯টি ঘরবাড়ি ধ্বংস ও ৬ হাজার ৫০৯টি গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি ২৩৯টি সেতু ও প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার সড়ক ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

কাপ্তাইয়ে আহত লজ্জাবতী উদ্ধার করে চিকিৎসার পর অবমুক্ত

জলবায়ু পরিবর্তন স্পষ্ট: পাকিস্তানে টানা বৃষ্টি ও বন্যায় ৩ মাসে হাজারের মানুষের বেশি প্রাণহানি

আপডেট সময় ০৪:০৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জলবায়ু পরিবর্তনে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো ভুগছে বেশি। এর মধ্যে ভীষণ গরমের পর চরম আদ্র আবহাওয়া, মেঘ বিস্ফোরণের মতো ঘটনা এবং টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্থ ভারত ও পাকিস্তান। অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্থ এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে ব্যর্থ পাকিস্তানের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। গত জুন থেকে শুরু হওয়া প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় পাকিস্তানজুড়ে অন্তত ১ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ২৭৫ শিশু, ৫৬৮ জন পুরুষ ও ১৬৩ জন নারী।

 

পাকিস্তানের জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন।

 

পাকিস্তানে এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে, এখানে মৃতের সংখ্যা ৫০৪। এরপর পাঞ্জাব প্রদেশে ৩০৪, সিন্ধুতে ৮০, বেলুচিস্তানে ৩০, গিলগিত-বালতিস্তানে ৪১, আজাদ কাশ্মীরে ৩৮ এবং রাজধানী ইসলামাবাদে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এনডিএমএ জানিয়েছে, মৃত্যুর পাশাপাশি দেশজুড়ে ১ হাজার ৬৩ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৩২১ শিশু, ৪৫০ পুরুষ ও ২৯২ জন নারী। সবচেয়ে বেশি ৬৬১ জন আহত হয়েছেন পাঞ্জাবে, এরপর খাইবার পাখতুনখাওয়ায় ২১৮ জন ও সিন্ধুতে ৮৭ জন।

গত ২৬ জুন থেকে প্রায় ৫ হাজার ৭৬৮টি অভিযানের মধ্য দিয়ে দুর্গত এলাকাগুলো থেকে ৩০ লাখের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। এনডিএমএ, প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও অন্য সংস্থাগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় এসব উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। ২৬ জুন থেকে কর্তৃপক্ষ বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে ১ হাজার ৬৯০টি ত্রাণশিবির ও মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করেছে বলে জানিয়েছে এনডিএমএ।

পাকিস্তানজুড়ে ১২ হাজার ৫৬৯টি ঘরবাড়ি ধ্বংস ও ৬ হাজার ৫০৯টি গবাদিপশুর মৃত্যু হয়েছে। এর পাশাপাশি ২৩৯টি সেতু ও প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার সড়ক ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।