আমি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চাই: ঢাবি উপাচার্য

আমি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চাই: ঢাবি উপাচার্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন। তিনি আবার শিক্ষকতায় ফিরতে চান।

তবে তিনি এখনো পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি নিজ বিভাগে ফিরে গিয়ে শিক্ষকতা করতে চান।

আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘আমি আমার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চাই। রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলেই আমার অব্যাহতিপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেবো। কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শূন্যতা তৈরি হতে পারে, এমনটা হয়ে থাকলে (নির্বাচিত) সরকার চাইলে আরও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করব।’

ড. নিয়াজ আহমদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মুথ ট্রানজিশন দরকার। সেজন্য আমাকে যদি সরকার মনে করেন, অংশীদার যদি মনে করেন যে আরও কিছু সময় চান। আমি সেটি বিবেচনা করতে রাজি আছি। ’ঢাবি উপাচার্য তাঁর সময়ে শিক্ষকদের পদোন্নতির কথা তুলে ধরে বলেন, ‘বঞ্চনার স্বীকার এমন অনেক শিক্ষককে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, অনিয়ম করে নয়।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

আমি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চাই: ঢাবি উপাচার্য

আপডেট সময় ০৫:০১:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন। তিনি আবার শিক্ষকতায় ফিরতে চান।

তবে তিনি এখনো পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেননি। তিনি নিজ বিভাগে ফিরে গিয়ে শিক্ষকতা করতে চান।

আজ মঙ্গলবার বেলা ৩টায় উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ।

ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘আমি আমার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে চাই। রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এলেই আমার অব্যাহতিপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেবো। কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শূন্যতা তৈরি হতে পারে, এমনটা হয়ে থাকলে (নির্বাচিত) সরকার চাইলে আরও কিছুদিন দায়িত্ব পালন করব।’

ড. নিয়াজ আহমদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মুথ ট্রানজিশন দরকার। সেজন্য আমাকে যদি সরকার মনে করেন, অংশীদার যদি মনে করেন যে আরও কিছু সময় চান। আমি সেটি বিবেচনা করতে রাজি আছি। ’ঢাবি উপাচার্য তাঁর সময়ে শিক্ষকদের পদোন্নতির কথা তুলে ধরে বলেন, ‘বঞ্চনার স্বীকার এমন অনেক শিক্ষককে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, অনিয়ম করে নয়।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।