সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বজ্রপাতে একদিনে সারাদেশে অন্তত ১২ জনের প্রাণহানি Logo রাঙ্গামাটিতে পুরুষ হাতির মৃত্যু, পাশে দাঁড়িয়ে শোকাতুর সঙ্গিনী Logo মাছ বেশি ভাজলে যে যে ক্ষতি হয় Logo ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকাসহ ৫ বিভাগে কালবৈশাখীর সম্ভাবনা, ভারী বৃষ্টির আভাস Logo প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব ঢাকা’র আয়োজনে মুকিত মজুমদার বাবুকে সংবর্ধনা Logo হোয়াইট হাউজের নৈশভোজে গুলি, তবে এতে ট্রাম্প ‘সম্মানিত’ বোধ করছেন!   Logo রংপুর বিভাগে বৃষ্টি, শীঘ্রই দেশের ৭০-৮০ শতাংশ এলাকায় মিলতে পারে একই স্বস্তি Logo উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর Logo কাপ্তাইয়ে আহত লজ্জাবতী উদ্ধার করে চিকিৎসার পর অবমুক্ত Logo পরিবেশ ধ্বংসের বাস্তবচিত্র: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্যের ভাগাড়!

দেশের শীর্ষ করদাতা ‘হাকিমপুরী জর্দা’র কাউছ মিয়া মারা গেছেন

দেশের শীর্ষ করদাতা ও হাকিমপুরী জর্দার মালিক মো. কাউছ মিয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গতকাল সোমবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি স্ত্রী, আট ছেলে ও আট মেয়ে রেখে গেছেন। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।

কাউছ মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া তাঁর বাবার মৃত্যুর খবরের কথা জানান। তিনি বলেন, আজ মঙ্গলবার বাদ জোহর ঢাকার আরমানীটোলা মাঠে তাঁর বাবার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসার পর তাঁর বাবাকে দেশে আনা হয়। শনিবার বিকেলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আজগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তিনি গতকাল রাতে মারা যান। তিনি তাঁর বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।

বজ্রপাতে একদিনে সারাদেশে অন্তত ১২ জনের প্রাণহানি

দেশের শীর্ষ করদাতা ‘হাকিমপুরী জর্দা’র কাউছ মিয়া মারা গেছেন

আপডেট সময় ০৩:১৮:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

দেশের শীর্ষ করদাতা ও হাকিমপুরী জর্দার মালিক মো. কাউছ মিয়া মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

গতকাল সোমবার রাত ১২টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। তিনি স্ত্রী, আট ছেলে ও আট মেয়ে রেখে গেছেন। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন।

কাউছ মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়া তাঁর বাবার মৃত্যুর খবরের কথা জানান। তিনি বলেন, আজ মঙ্গলবার বাদ জোহর ঢাকার আরমানীটোলা মাঠে তাঁর বাবার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হবে।

সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসার পর তাঁর বাবাকে দেশে আনা হয়। শনিবার বিকেলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে আজগর আলী হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই তিনি গতকাল রাতে মারা যান। তিনি তাঁর বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।