সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে একসাথে কাজ করতে চায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর অগ্রগতির লক্ষ্যে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একসাথে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।

আন্তর্জাতিক বন দিবস উপলক্ষে সেমিনারে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ঢাবির উপাচার্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে ‘বন ও খাদ্য’ শীর্ষক এই সেমিনার আয়োজিত হয়।

উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ বলেন,’এনজিও, বিশ্ববিদ্যালয়, গণমাধ্যম, সরকার… আমাদের সবাইকে এক জায়গায় আনতে হবে। বিভাজনের রাজনীতি দেশের অনেক রকম ক্ষতি করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করে যাওয়া প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের প্রশংসা করে বলেন,’প্রকৃতি ও জীবন আমাদের পরিবেশ সংরক্ষণে আসলেই বড় ভূমিকা পালন করছে। মুকিত মজুমদার বাবু এবং তাঁর টিমকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।’

একসাথে কাজ করার প্রত্যাশা জানিয়ে ঢাবি উপাচার্য আরও বলেন,’আমরা আজকে বন দিবসের অনুষ্ঠানের সুযোগে একসাথে হলাম। এই উপলক্ষ্যকে জিইয়ে রাখতে চাই। প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে একসাথে কাজ করার ব্যাপারে আমার নিজের কিছু পরিকল্পনা আছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কের একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার বিষয়টিও চিন্তায় আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রকৃতি ও জীবনের সঙ্গে বাকী সাথীদের নিয়ে একসাথে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।’

সেমিনারে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু সবাইকে রাজনীতির উর্ধে উঠে নিজেদের অস্তিত্বের স্বার্থে পরিবেশ সংরক্ষণে এক হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রকৃতিবন্ধু বলেন, ‘রাজনৈতিক পটপরিবর্তন যা-ই হোক, আমাদের দেশের জন্য, আমাদের পরিবেশ-প্রকৃতির জন্য যা করার সেটা কিন্তু আমাদের করে যেতেই হবে। কারণ এর সাথে আমাদের জীবন জড়িত।’

তিনি বলেন,’আমরা অনেক স্বার্থপর, কেবল নিজেরটা বুঝি। পরিবেশকে আমরা দিন দিন রুগ্ন করে ফেলছি। আজকে যতো দূষণ আছে, সব দূষণের কারণ হচ্ছি আমরা। লাভের আশায়, মূল্যবোধের অবক্ষয়ে এসব ঘটে চলেছে।অথচ আমাদের আশপাশে যা আছে, পরিবেশ-জীববৈচিত্র‍্য তাদের কথাও আমাদের চিন্তা করতে হবে।’

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত, নির্বিচার প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংসে বৈশ্বিক বিপর্যয়রোধে কার্যকর অংশগ্রহণ ও সচেতনতায় জোর দেন সেমিনারের বক্তারা। যাদের মধ্যে ছিলেন- ঢাবির উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মিহির লাল সাহা,বাংলাদেশ বোটানিক্যাল সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান প্রমুখ।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এই সেমিনারের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ বোটানিক্যাল সোসাইটি। আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার ছিল চ্যানেল আই।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে একসাথে কাজ করতে চায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

পরিবেশ সংরক্ষণে কার্যকর অগ্রগতির লক্ষ্যে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একসাথে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।

আন্তর্জাতিক বন দিবস উপলক্ষে সেমিনারে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ঢাবির উপাচার্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে ‘বন ও খাদ্য’ শীর্ষক এই সেমিনার আয়োজিত হয়।

উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ বলেন,’এনজিও, বিশ্ববিদ্যালয়, গণমাধ্যম, সরকার… আমাদের সবাইকে এক জায়গায় আনতে হবে। বিভাজনের রাজনীতি দেশের অনেক রকম ক্ষতি করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলোকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করে যাওয়া প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের প্রশংসা করে বলেন,’প্রকৃতি ও জীবন আমাদের পরিবেশ সংরক্ষণে আসলেই বড় ভূমিকা পালন করছে। মুকিত মজুমদার বাবু এবং তাঁর টিমকে আমরা ধন্যবাদ জানাই।’

একসাথে কাজ করার প্রত্যাশা জানিয়ে ঢাবি উপাচার্য আরও বলেন,’আমরা আজকে বন দিবসের অনুষ্ঠানের সুযোগে একসাথে হলাম। এই উপলক্ষ্যকে জিইয়ে রাখতে চাই। প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের সঙ্গে একসাথে কাজ করার ব্যাপারে আমার নিজের কিছু পরিকল্পনা আছে, প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কের একটি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার বিষয়টিও চিন্তায় আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রকৃতি ও জীবনের সঙ্গে বাকী সাথীদের নিয়ে একসাথে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে।’

সেমিনারে প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু সবাইকে রাজনীতির উর্ধে উঠে নিজেদের অস্তিত্বের স্বার্থে পরিবেশ সংরক্ষণে এক হওয়ার আহ্বান জানান।

প্রকৃতিবন্ধু বলেন, ‘রাজনৈতিক পটপরিবর্তন যা-ই হোক, আমাদের দেশের জন্য, আমাদের পরিবেশ-প্রকৃতির জন্য যা করার সেটা কিন্তু আমাদের করে যেতেই হবে। কারণ এর সাথে আমাদের জীবন জড়িত।’

তিনি বলেন,’আমরা অনেক স্বার্থপর, কেবল নিজেরটা বুঝি। পরিবেশকে আমরা দিন দিন রুগ্ন করে ফেলছি। আজকে যতো দূষণ আছে, সব দূষণের কারণ হচ্ছি আমরা। লাভের আশায়, মূল্যবোধের অবক্ষয়ে এসব ঘটে চলেছে।অথচ আমাদের আশপাশে যা আছে, পরিবেশ-জীববৈচিত্র‍্য তাদের কথাও আমাদের চিন্তা করতে হবে।’

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত, নির্বিচার প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংসে বৈশ্বিক বিপর্যয়রোধে কার্যকর অংশগ্রহণ ও সচেতনতায় জোর দেন সেমিনারের বক্তারা। যাদের মধ্যে ছিলেন- ঢাবির উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জসিম উদ্দিন, বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মিহির লাল সাহা,বাংলাদেশ বোটানিক্যাল সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান প্রমুখ।

প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় এই সেমিনারের আয়োজক ছিল বাংলাদেশ বোটানিক্যাল সোসাইটি। আয়োজনের মিডিয়া পার্টনার ছিল চ্যানেল আই।