সংবাদ শিরোনাম ::
Logo কাপ্তাইয়ে আহত লজ্জাবতী উদ্ধার করে চিকিৎসার পর অবমুক্ত Logo পরিবেশ ধ্বংসের বাস্তবচিত্র: ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্যের ভাগাড়! Logo প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ঢাকা থেকে জরুরি সহায়তা যাচ্ছে ইরানে Logo পরিবেশ ধ্বংসের বাস্তবচিত্র: ইটভাটার ধোঁয়ায় প্রায় দুইশো বিঘা জমির ধান নষ্ট Logo প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত Logo তাপপ্রবাহ চলবে আরও ২-৩ দিন, এরপরেই স্বস্তির বৃষ্টির আভাস Logo রাজশাহীতে মাঝারি তাপপ্রবাহ, দেশজুড়ে ২৭ জেলায় প্রায় একই অবস্থা Logo প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেলেন ড. সাইমুম পারভেজ Logo সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড রাজশাহীতে, ২৪ জেলায় তাপপ্রবাহ Logo ধরিত্রী দিবসে বরিশালে প্রকৃতি ও জীবন ক্লাব এবং জেআইএসসি’র সবুজ আয়োজন

পাকিস্তান, ভারত, নেপালে ভারী বৃষ্টিতে বন্যায় ৪০০ জনের বেশি নিহত

Residents walk next to damaged cars stuck to an electric pole following flash flooding due to heavy rains in a neighborhood of Mingora, the main town of Swat Valley, northwestern Pakistan, Friday, Aug. 15, 2025. (AP Photo/Naveed Ali)

ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় পাকিস্তান, ভারত-শাসিত কাশ্মীর এবং নেপালের বিভিন্ন অংশে ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। রোববার (১৭ আগস্ট) মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানে। দেশটির উত্তরাঞ্চল বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) শনিবার (১৬ আগস্ট) জানিয়েছে, ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ৩৪৪ জন নিহত হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। খাইবার পাখতুনখোয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেখানেই নিহত হয়েছে ৩২৮ জন। গিলগিট বালতিস্তানে নিহত ১২ জন এবং আজাদ কাশ্মীরে নিহত হয়েছে ১১ জন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছেন, হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে। কেননা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বুনার, সোয়াত, বাজৌর, বাটাগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। এসব এলাকায় অনেক বাড়ি, দোকান এবং বিভিন্ন স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

 

রয়টার্স জানিয়েছে, ভারত-শাসিত কাশ্মীরে সীমান্তের ওপারে, জনপ্রিয় তীর্থস্থান চাশোটিতে কমপক্ষে ৬০ জন মারা গেছেন এবং ২০০ জনেরও বেশি নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালে বন্যা ও ভূমিধসের ফলে কমপক্ষে ৪১ জন নিহত এবং ১২১ জন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা।

পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ বলছে, রোববার থেকে বৃষ্টিপাত আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা আরও আকস্মিক বন্যা এবং নগর বন্যার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

 

ভারতের আবহাওয়াবিদরা মেঘভাঙনে ১০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাতকে দায়ী করেছেন। বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক করেছেন, ক্রমবর্ধমান জলবায়ু সংকট হিমালয় জুড়ে মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবং বন্যাকে তীব্রতর করছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

কাপ্তাইয়ে আহত লজ্জাবতী উদ্ধার করে চিকিৎসার পর অবমুক্ত

পাকিস্তান, ভারত, নেপালে ভারী বৃষ্টিতে বন্যায় ৪০০ জনের বেশি নিহত

আপডেট সময় ০২:০৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় পাকিস্তান, ভারত-শাসিত কাশ্মীর এবং নেপালের বিভিন্ন অংশে ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। রোববার (১৭ আগস্ট) মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

 

সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে পাকিস্তানে। দেশটির উত্তরাঞ্চল বন্যা ও ভূমিধসে বিপর্যস্ত। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) শনিবার (১৬ আগস্ট) জানিয়েছে, ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত ৩৪৪ জন নিহত হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকাগুলোতে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। খাইবার পাখতুনখোয়ায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সেখানেই নিহত হয়েছে ৩২৮ জন। গিলগিট বালতিস্তানে নিহত ১২ জন এবং আজাদ কাশ্মীরে নিহত হয়েছে ১১ জন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছেন, হতাহতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে। কেননা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বুনার, সোয়াত, বাজৌর, বাটাগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। এসব এলাকায় অনেক বাড়ি, দোকান এবং বিভিন্ন স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

 

রয়টার্স জানিয়েছে, ভারত-শাসিত কাশ্মীরে সীমান্তের ওপারে, জনপ্রিয় তীর্থস্থান চাশোটিতে কমপক্ষে ৬০ জন মারা গেছেন এবং ২০০ জনেরও বেশি নিখোঁজ রয়েছেন। নেপালে বন্যা ও ভূমিধসের ফলে কমপক্ষে ৪১ জন নিহত এবং ১২১ জন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা।

পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষ বলছে, রোববার থেকে বৃষ্টিপাত আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা আরও আকস্মিক বন্যা এবং নগর বন্যার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

 

ভারতের আবহাওয়াবিদরা মেঘভাঙনে ১০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাতকে দায়ী করেছেন। বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক করেছেন, ক্রমবর্ধমান জলবায়ু সংকট হিমালয় জুড়ে মৌসুমি বৃষ্টিপাত এবং বন্যাকে তীব্রতর করছে।