প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা সিলেটের সম্পদ এর পাহাড়-টিলা। অথচ এসব টিলা লাগাতার কাটা হচ্ছে, স্থাপনা গড়তে যথেচ্ছভাবে ধ্বংস করা হচ্ছে। নানাসময়ে এসব খবর আসছে গণমাধ্যমে। এসব খবর আদালতের নজরে এসেছে। টিলা কাটা রোধে সিলেট জেলার টিলা এলাকায় সার্বক্ষণিক তদারকির ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সিলেটের জেলা প্রশাসক, সিটি করপোরেশনের মেয়র, পরিবেশ অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগের উপপরিচালকসহ বিবাদীদের প্রতি এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে নির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়ে ছয় মাস পরপর আদালতে প্রতিবেদন দিতেও বলা হয়েছে।
সিলেটে অবাধে পাহাড়-টিলা কাটা রোধে পদক্ষেপের আশায় নির্দেশনা চেয়ে মানবাধিকার সংগঠন জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মাহফুজুর রহমান মিলন চলতি মাসে রিট করেন। এই রিটের প্রেক্ষিতে টিলা সংরক্ষণে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।
আইনজীবী মাহফুজুর রহমান বলেন, সিলেটে পাহাড়–টিলা কাটা বন্ধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। দেশের পাহাড়–টিলা রক্ষায় বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন বেআইনি ও জনস্বার্থ পরিপন্থী ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
গণমাধ্যমে আসা একাধিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, সিলেটে টিলা কাটা চলছেই। ব্যক্তিমালিকানাধীন টিলা যেমন কাটা হচ্ছে, তেমনি খাস জমির টিলাও কাটা হচ্ছে। সিলেটে কী পরিমাণ টিলা ছিল, এর সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগের চার জেলায় বর্তমানে ১ হাজার ৮৭৫টি টিলা আছে। এসব টিলার আয়তন ৪ হাজার ৮১১ একর। এর বাইরে আড়াই দশকে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ টিলা কেটে ফেলা হয়েছে।
নিজস্ব সংবাদ : 




















