সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ । ছবি : সংগৃহীত

বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে প্রথম দুটি ইউনিট বন্ধ ছিল আগে থেকেই। সচল তৃতীয় ইউনিট দিয়ে প্রতিদিন ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। সেই ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে গেল।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পরপর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের তৃতীয় ওই ইউনিটের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে এক মাস ছয় দিন বন্ধ থাকার পর গত শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টায় উৎপাদন শুরু হয় বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে। তিন দিন পার হতে না হতেই ফের সেই উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেল।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বড়পুকুরিয়া খনি থেকে উৎপাদিত কয়লা দিয়ে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে চীনের প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনাল। আগামী বছর পর্যন্ত তাদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ থাকলেও এই কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে মেরামত কার্যক্রম ও যন্ত্রাংশ সরবরাহে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে অনেক দিন ধরেই। এ কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে বার বার ত্রুটি দেখা দিলেও মেরামত সঠিকভাবে করা সম্ভব হয়নি।

তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, প্রতিটি ইউনিটের জন্য দুটি করে ইলেকট্রো হাইড্রোলিক অয়েল পাম্প থকে, যা ওই ইউনিটের জ্বালানি হিসেবে তেল সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখে। কিন্তু ২০২২ সাল থেকেই তৃতীয় ইউনিটের দুটির মধ্যে একটি পাম্প নষ্ট হয়ে যায়। এরপর থেকে একটি পাম্প দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। কিন্তু ওই একটি পম্পও সোমবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর দিনব্যাপী চেষ্টা করেও চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে উৎপাদন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলেছে, চীন থেকে মেশিন এলেই উৎপাদন শুরু করা যাবে।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ

আপডেট সময় ০২:৩২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ৫২৫ মেগাওয়াট সক্ষমতার এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে প্রথম দুটি ইউনিট বন্ধ ছিল আগে থেকেই। সচল তৃতীয় ইউনিট দিয়ে প্রতিদিন ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল। সেই ইউনিটটিও বন্ধ হয়ে গেল।

সোমবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পরপর যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের তৃতীয় ওই ইউনিটের উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে এক মাস ছয় দিন বন্ধ থাকার পর গত শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সোয়া ৫টায় উৎপাদন শুরু হয় বড়পুকুরিয়া কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে। তিন দিন পার হতে না হতেই ফের সেই উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেল।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বড়পুকুরিয়া খনি থেকে উৎপাদিত কয়লা দিয়ে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে চীনের প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনাল। আগামী বছর পর্যন্ত তাদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ থাকলেও এই কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন সচল রাখতে মেরামত কার্যক্রম ও যন্ত্রাংশ সরবরাহে গাফিলতির অভিযোগ রয়েছে অনেক দিন ধরেই। এ কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে বার বার ত্রুটি দেখা দিলেও মেরামত সঠিকভাবে করা সম্ভব হয়নি।

তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, প্রতিটি ইউনিটের জন্য দুটি করে ইলেকট্রো হাইড্রোলিক অয়েল পাম্প থকে, যা ওই ইউনিটের জ্বালানি হিসেবে তেল সরবরাহের মাধ্যমে উৎপাদন কার্যক্রম সচল রাখে। কিন্তু ২০২২ সাল থেকেই তৃতীয় ইউনিটের দুটির মধ্যে একটি পাম্প নষ্ট হয়ে যায়। এরপর থেকে একটি পাম্প দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। কিন্তু ওই একটি পম্পও সোমবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর দিনব্যাপী চেষ্টা করেও চালু করা সম্ভব হয়নি। ফলে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে উৎপাদন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলেছে, চীন থেকে মেশিন এলেই উৎপাদন শুরু করা যাবে।