র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিশেষায়িত এই বাহিনীর নতুন নাম রাখা হয়েছে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স (এসআইএফ)।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, এই বাহিনীর নাম নিয়ে জনগণের নানা প্রশ্ন ছিল বলেই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে বাহিনীর পোশাক পরিবর্তন হবে। তাদের কাজেরও অনেক পরিবর্তন হবে।
এদিকে পুলিশের মনোবল ও কর্মক্ষমতা আগের তুলনায় বেড়েছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো সমস্যা হবে না।
মব কালচার থেকে বেরিয়ে আসতে অনেক সময় লেগেছে, তবে আগামী নির্বাচন খুবই ভালোভাবে সম্পন্ন হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।
এদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কেবল সেনাবাহিনীর মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৭ হাজার ৭৩১টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে বলেও ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।
২০০৪ সালের ২৬ মার্চ গঠিত হয় বিশেষ বাহিনী র্যাব এবং একই বছরের ১৪ এপ্রিল তারা কার্যক্রম শুরু করে।
দ্য আর্মড পুলিশ অর্ডিন্যান্স ১৯৭৯ (সংশোধনী ২০০৪) অনুসারে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র্যাব গঠিত হয়। র্যাবের সদর দফতর ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত।
প্রকৃতিবার্তা ডেস্ক 










