সংবাদ শিরোনাম ::

বনের দাবানল ঠেকাতে এবার এআই প্রযুক্তিনির্ভর ড্রোন ব্যবহার শুরু

বনের দাবানল ঠেকাতে এবার এআই প্রযুক্তিনির্ভর ড্রোন ব্যবহার শুরু prokritibarta

কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে দাবানল বনাঞ্চল ধ্বংস করছে। এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঠেকাতে যুক্তরাজ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ৩০টি ড্রোনের বহর ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব ড্রোন সম্মিলিতভাবে আকাশে টহল দিবে এবং দাবানল শুরু হওয়ার আগেই তা শনাক্ত করবে। এরপর আগুন নেভাতে সক্ষম হবে।

মুনষ্যচালিত ড্রোন ইতিমধ্যেই কিছু ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপণে ব্যবহার করা হলেও এবারই প্রথম স্বয়ংক্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে দাবানল ঠেকানোর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

এই ড্রোনগুলো দেখতে বড় বিমান আকৃতির। ৩১ ফুট চওড়া এবং দুটি ইঞ্জিন সমৃদ্ধ। এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আগুন শনাক্ত করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি বহন করে নিয়ে আগুন নেভাতে পারে। এগুলো মানুষের সহায়তা ছাড়াই দীর্ঘ দূরত্বে উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী গতিপথ পরিবর্তন করতে সক্ষম।

যুক্তরাজ্যের উইন্ড্রাসারস প্রতিষ্ঠান এই ড্রোনগুলো তৈরি করছে। সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ওয়াইল্ডফায়ার রিসার্চের প্রধান অধ্যাপক স্টেফান ডোয়ের মতে, এটি একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যা ভবিষ্যতে আরও কার্যকর হবে।

মাঝারি রূপ নিচ্ছে তাপপ্রবাহ,তাপমাত্রা হতে পারে ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস

বনের দাবানল ঠেকাতে এবার এআই প্রযুক্তিনির্ভর ড্রোন ব্যবহার শুরু

আপডেট সময় ০৫:৫১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৪

কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে দাবানল বনাঞ্চল ধ্বংস করছে। এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঠেকাতে যুক্তরাজ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ৩০টি ড্রোনের বহর ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব ড্রোন সম্মিলিতভাবে আকাশে টহল দিবে এবং দাবানল শুরু হওয়ার আগেই তা শনাক্ত করবে। এরপর আগুন নেভাতে সক্ষম হবে।

মুনষ্যচালিত ড্রোন ইতিমধ্যেই কিছু ক্ষেত্রে অগ্নিনির্বাপণে ব্যবহার করা হলেও এবারই প্রথম স্বয়ংক্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে দাবানল ঠেকানোর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

এই ড্রোনগুলো দেখতে বড় বিমান আকৃতির। ৩১ ফুট চওড়া এবং দুটি ইঞ্জিন সমৃদ্ধ। এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে আগুন শনাক্ত করতে পারে। পর্যাপ্ত পানি বহন করে নিয়ে আগুন নেভাতে পারে। এগুলো মানুষের সহায়তা ছাড়াই দীর্ঘ দূরত্বে উড়ে যাওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতি অনুযায়ী গতিপথ পরিবর্তন করতে সক্ষম।

যুক্তরাজ্যের উইন্ড্রাসারস প্রতিষ্ঠান এই ড্রোনগুলো তৈরি করছে। সোয়ানসি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ওয়াইল্ডফায়ার রিসার্চের প্রধান অধ্যাপক স্টেফান ডোয়ের মতে, এটি একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি যা ভবিষ্যতে আরও কার্যকর হবে।