সংবাদ শিরোনাম ::

বিপন্ন পেঙ্গুইন রক্ষায় মামলার মুখে আন্তরিক দ.আফ্রিকা সরকার

বিপন্ন পেঙ্গুইন রক্ষায় মামলার মুখে আন্তরিক দ.আফ্রিকা সরকার

বিলুপ্তির মুখে থাকা পেঙ্গুইন প্রজাতি বাঁচাতে বার্ডলাইফ সাউথ আফ্রিকা ও সাউদার্ন আফ্রিকান ফাউন্ডেশন ফর দ্য কনজারভেশন অব কোস্টাল বার্ডস (সানকোব) দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এই মামলার পর দেশটির সরকারের পরিবেশমন্ত্রী ডিওন জর্জ প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, আফ্রিকার বিপন্ন পেঙ্গুইন রক্ষায় সংরক্ষিত ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ এলাকার পরিধি বাড়াতে আন্তরিক সরকার।

গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ডিওনের ভাষ্য, ‘আফ্রিকান পেঙ্গুইনের বিলুপ্তি ঠেকানোর উদ্দেশ্য আমাদেরও আছে। আমার মনে হয় আমাদের সবারই একটাই উদ্দেশ্য, সেটা হলো পেঙ্গুইন রক্ষা। তাই আমার মনে হয় পেঙ্গুইন রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী আইনি লড়াইতে নামার প্রয়োজন হবে না।’

জলবায়ু পরিবর্তনসহ খাবারের অভাবে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রাণী। এই তালিকায় আফ্রিকান পেঙ্গুইনের নামও রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবসৃষ্ট নানা কারণে বিপন্ন আফ্রিকান পেঙ্গুইন

জলবায়ুবিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, খাবারের অভাবে পেঙ্গুইনের এই প্রজাতির সংখ্যা প্রতিবছর প্রায় ৮ শতাংশ হারে কমে যাচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বেটিস উপসাগরের পাথুরে তীরের চারপাশে বর্তমানে আনুমানিক ৮ হাজার ৭৫০ জোড়া পেঙ্গুইন রয়েছে। এসব পেঙ্গুইন রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পৃথিবী থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে।

বার্ডলাইফ সাউথ আফ্রিকার সামুদ্রিক পাখি সংরক্ষণকারী ও বিজ্ঞানী অ্যালিস্টার ম্যাকিনেস জানিয়েছেন, আফ্রিকান পেঙ্গুইনগুলোর বেশির ভাগই রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ায়।

গত শতাব্দীতে এদের ৯৯ শতাংশই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এ প্রবণতা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এ প্রজাতির পেঙ্গুইন আর দেখা যাবে না। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে এসব পেঙ্গুইন পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলরেখা বরাবর সাতটি অঞ্চলে থাকা পেঙ্গুইনগুলো পছন্দের খাবার হচ্ছে সার্ডিন ও অ্যাঙ্কোভি মাছ। কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে শিকার করায় মাছগুলোর সংখ্যাও দ্রুত কমে যাচ্ছে।

ফলে খাবারের অভাবে পেঙ্গুইন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কিছু এলাকায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হলেও পেঙ্গুইন রক্ষায় তা যথেষ্ট নয়। এ ছাড়াও তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের সময় শব্দদূষণ হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পেঙ্গুইনগুলো। এই সংকট মোকাবিলা না করলে দ্রুত বিলুপ্ত হয়ে যাবে পেঙ্গুইনের এই প্রজাতি।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

মাঝারি রূপ নিচ্ছে তাপপ্রবাহ,তাপমাত্রা হতে পারে ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস

বিপন্ন পেঙ্গুইন রক্ষায় মামলার মুখে আন্তরিক দ.আফ্রিকা সরকার

আপডেট সময় ০৬:৫৩:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪

বিলুপ্তির মুখে থাকা পেঙ্গুইন প্রজাতি বাঁচাতে বার্ডলাইফ সাউথ আফ্রিকা ও সাউদার্ন আফ্রিকান ফাউন্ডেশন ফর দ্য কনজারভেশন অব কোস্টাল বার্ডস (সানকোব) দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এই মামলার পর দেশটির সরকারের পরিবেশমন্ত্রী ডিওন জর্জ প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছেন, আফ্রিকার বিপন্ন পেঙ্গুইন রক্ষায় সংরক্ষিত ও মাছ ধরা নিষিদ্ধ এলাকার পরিধি বাড়াতে আন্তরিক সরকার।

গার্ডিয়ানে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ডিওনের ভাষ্য, ‘আফ্রিকান পেঙ্গুইনের বিলুপ্তি ঠেকানোর উদ্দেশ্য আমাদেরও আছে। আমার মনে হয় আমাদের সবারই একটাই উদ্দেশ্য, সেটা হলো পেঙ্গুইন রক্ষা। তাই আমার মনে হয় পেঙ্গুইন রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী আইনি লড়াইতে নামার প্রয়োজন হবে না।’

জলবায়ু পরিবর্তনসহ খাবারের অভাবে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রাণী। এই তালিকায় আফ্রিকান পেঙ্গুইনের নামও রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তন ও মানবসৃষ্ট নানা কারণে বিপন্ন আফ্রিকান পেঙ্গুইন

জলবায়ুবিজ্ঞানীদের তথ্যমতে, খাবারের অভাবে পেঙ্গুইনের এই প্রজাতির সংখ্যা প্রতিবছর প্রায় ৮ শতাংশ হারে কমে যাচ্ছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বেটিস উপসাগরের পাথুরে তীরের চারপাশে বর্তমানে আনুমানিক ৮ হাজার ৭৫০ জোড়া পেঙ্গুইন রয়েছে। এসব পেঙ্গুইন রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পৃথিবী থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে।

বার্ডলাইফ সাউথ আফ্রিকার সামুদ্রিক পাখি সংরক্ষণকারী ও বিজ্ঞানী অ্যালিস্টার ম্যাকিনেস জানিয়েছেন, আফ্রিকান পেঙ্গুইনগুলোর বেশির ভাগই রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নামিবিয়ায়।

গত শতাব্দীতে এদের ৯৯ শতাংশই বিলুপ্ত হয়ে গেছে। এ প্রবণতা চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এ প্রজাতির পেঙ্গুইন আর দেখা যাবে না। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৩৫ সালের মধ্যে এসব পেঙ্গুইন পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

আফ্রিকার দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলরেখা বরাবর সাতটি অঞ্চলে থাকা পেঙ্গুইনগুলো পছন্দের খাবার হচ্ছে সার্ডিন ও অ্যাঙ্কোভি মাছ। কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে শিকার করায় মাছগুলোর সংখ্যাও দ্রুত কমে যাচ্ছে।

ফলে খাবারের অভাবে পেঙ্গুইন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কিছু এলাকায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা হলেও পেঙ্গুইন রক্ষায় তা যথেষ্ট নয়। এ ছাড়াও তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানের সময় শব্দদূষণ হওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পেঙ্গুইনগুলো। এই সংকট মোকাবিলা না করলে দ্রুত বিলুপ্ত হয়ে যাবে পেঙ্গুইনের এই প্রজাতি।