সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পৃথিবীর অষ্টম জীববৈচিত্র্যময় দেশটিতেই কেবল এই বন্যপ্রাণীগুলো দেখা যায় Logo শুক্রবার ও শনিবার গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় Logo ঢাকাসহ ১০ জেলায় তাপপ্রবাহ, বিস্তৃত হতে পারে Logo সারাদেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু Logo মাঝারি রূপ নিচ্ছে তাপপ্রবাহ,তাপমাত্রা হতে পারে ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস Logo রেলমন্ত্রীর আশ্বাস: পরিবেশের ক্ষতি করে সিআরবিতে কোনো প্রকল্প নয় Logo বগুড়া সিটি করপোরেশনের নামফলক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাপানে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, কয়েক এলাকায় ৩ মিটার পর্যন্ত সুনামির আঘাত Logo ইরানি জাহাজ জব্দ, পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা অনিশ্চিত Logo সংরক্ষিত ৩৬ নারী আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা
গবেষণায় অশনিসংকেত

বিশ্বে মিঠাপানির মৎস প্রজাতির বড় অংশ বিলুপ্তির উচ্চ ঝুঁকিতে  

বিশ্বে মিঠাপানির মৎস প্রজাতির বড় অংশ বিলুপ্তির উচ্চ ঝুঁকিতে  

বিশ্বের বড় একটি অংশই জলাশয়। এই বিশাল অংশের বেশিরভাগই বড় বড় সাগর, যাতে নোনা পানি। পুরো পৃথিবী মিঠাপানির জলাধার সেই তুলনায় কম, মাত্র ১ শতাংশ। আর এই মিঠাপানিতে বাস পৃথিবীর প্রায় ১০ শতাংশ মৎস্য প্রজাতির। অনেক সামুদ্রিক ও স্থলজ প্রাণীর মতোই মিঠাপানির মাছের সংখ্যা কমছে। বিজ্ঞানীরা দেখছেন, এগুলোর মধ্যে ২৪ শতাংশ মাছ বিলুপ্তির উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

নেচার জার্নালে মাছের বিলুপ্তি নিয়ে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) বিজ্ঞানী ক্যাথরিন সায়ার বলেন, এরই মধ্যে অনেক মাছের বিলুপ্তি ঘটেছে। সুলাওয়েসির মিনি ব্লু  বি চিংড়ি, সেশেলস ডুসখাওকার ড্রাগনফ্লাই, ব্রাজিলের আটলান্টিক হেলিকপ্টার ড্যামসেলফ্লাই, যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসের ডেইজি বরোয়িং ক্রেফিশসহ অনেক প্রাণী হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে।

বিজ্ঞানীরা ক্রাস্টেসিয়ান পরিবারের কাঁকড়া, ক্রেফিশ, চিংড়ি, জলচর পতঙ্গ ড্রাগনফ্লাই ও ড্যামসেলফ্লাইসহ প্রায় ২৩ হাজার ৪৯৬টি প্রজাতির অবস্থান মূল্যায়ন করেছেন। আর এতে দেখা গেছে মিঠাপানিতে পাওয়া অনেক মাছের প্রজাতি প্রায় বিলুপ্তির মুখে এখন।

গবেষকরা বিশ্বব্যাপী চারটি স্থান চিহ্নিত করেছেন যেখানে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মিঠাপানির প্রজাতি রয়েছে। আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ, দক্ষিণ আমেরিকার টিটিকাকা হ্রদ এবং পশ্চিম ভারত ও শ্রীলঙ্কার অঞ্চলে বেশি স্বাদুপানির মাছ পাওয়া যায়। এসব এলাকার অনেক মাছ হুমকির মুখে আছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন অঞ্চলে ১৯৭০ সাল থেকে এক–তৃতীয়াংশেরও বেশি মাছ হ্রাস পেয়েছে৷ শুধু মাছ নয়, অন্য অনেক স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, সরীসৃপ ও উভচর প্রাণীর অবস্থা বেশ হুমকির মুখে পড়েছে। নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মিঠাপানির প্রাণী গোষ্ঠীর মধ্যে ৩০ শতাংশ ক্রাস্টেসিয়ান, প্রায় ২৬ শতাংশ মাছ এবং ড্রাগনফ্লাই ও ড্যামসেলফ্লাইয়ের ১৬ শতাংশ  প্রজাতিক হুমকির মুখে আছে।

নানা ধরনের হুমকির কারণে মাছের সংখ্যা কমছে। পানিদূষণ, নদীতে বাঁধ, শিল্প ও কৃষির জন্য পানি সরবরাহের কারণে মাছের সংখ্যা কমছে। এ ছাড়া আগ্রাসী প্রজাতির বিকাশের কারণে অনেক মাছের বিলুপ্তি ঘটছে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

পৃথিবীর অষ্টম জীববৈচিত্র্যময় দেশটিতেই কেবল এই বন্যপ্রাণীগুলো দেখা যায়

গবেষণায় অশনিসংকেত

বিশ্বে মিঠাপানির মৎস প্রজাতির বড় অংশ বিলুপ্তির উচ্চ ঝুঁকিতে  

আপডেট সময় ০৬:১০:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৫

বিশ্বের বড় একটি অংশই জলাশয়। এই বিশাল অংশের বেশিরভাগই বড় বড় সাগর, যাতে নোনা পানি। পুরো পৃথিবী মিঠাপানির জলাধার সেই তুলনায় কম, মাত্র ১ শতাংশ। আর এই মিঠাপানিতে বাস পৃথিবীর প্রায় ১০ শতাংশ মৎস্য প্রজাতির। অনেক সামুদ্রিক ও স্থলজ প্রাণীর মতোই মিঠাপানির মাছের সংখ্যা কমছে। বিজ্ঞানীরা দেখছেন, এগুলোর মধ্যে ২৪ শতাংশ মাছ বিলুপ্তির উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

নেচার জার্নালে মাছের বিলুপ্তি নিয়ে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) বিজ্ঞানী ক্যাথরিন সায়ার বলেন, এরই মধ্যে অনেক মাছের বিলুপ্তি ঘটেছে। সুলাওয়েসির মিনি ব্লু  বি চিংড়ি, সেশেলস ডুসখাওকার ড্রাগনফ্লাই, ব্রাজিলের আটলান্টিক হেলিকপ্টার ড্যামসেলফ্লাই, যুক্তরাষ্ট্রের আরকানসের ডেইজি বরোয়িং ক্রেফিশসহ অনেক প্রাণী হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে।

বিজ্ঞানীরা ক্রাস্টেসিয়ান পরিবারের কাঁকড়া, ক্রেফিশ, চিংড়ি, জলচর পতঙ্গ ড্রাগনফ্লাই ও ড্যামসেলফ্লাইসহ প্রায় ২৩ হাজার ৪৯৬টি প্রজাতির অবস্থান মূল্যায়ন করেছেন। আর এতে দেখা গেছে মিঠাপানিতে পাওয়া অনেক মাছের প্রজাতি প্রায় বিলুপ্তির মুখে এখন।

গবেষকরা বিশ্বব্যাপী চারটি স্থান চিহ্নিত করেছেন যেখানে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মিঠাপানির প্রজাতি রয়েছে। আফ্রিকার ভিক্টোরিয়া হ্রদ, দক্ষিণ আমেরিকার টিটিকাকা হ্রদ এবং পশ্চিম ভারত ও শ্রীলঙ্কার অঞ্চলে বেশি স্বাদুপানির মাছ পাওয়া যায়। এসব এলাকার অনেক মাছ হুমকির মুখে আছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বিভিন্ন অঞ্চলে ১৯৭০ সাল থেকে এক–তৃতীয়াংশেরও বেশি মাছ হ্রাস পেয়েছে৷ শুধু মাছ নয়, অন্য অনেক স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি, সরীসৃপ ও উভচর প্রাণীর অবস্থা বেশ হুমকির মুখে পড়েছে। নতুন গবেষণায় বলা হয়েছে, মিঠাপানির প্রাণী গোষ্ঠীর মধ্যে ৩০ শতাংশ ক্রাস্টেসিয়ান, প্রায় ২৬ শতাংশ মাছ এবং ড্রাগনফ্লাই ও ড্যামসেলফ্লাইয়ের ১৬ শতাংশ  প্রজাতিক হুমকির মুখে আছে।

নানা ধরনের হুমকির কারণে মাছের সংখ্যা কমছে। পানিদূষণ, নদীতে বাঁধ, শিল্প ও কৃষির জন্য পানি সরবরাহের কারণে মাছের সংখ্যা কমছে। এ ছাড়া আগ্রাসী প্রজাতির বিকাশের কারণে অনেক মাছের বিলুপ্তি ঘটছে।