সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

মাংসের ভেতরে গন্ডারের শিং! পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

মাংসের ভেতরে গন্ডারের শিং! পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

থাই কর্তৃপক্ষ মাংসের ভেতরে ১১ কেজিরও বেশি গন্ডারের শিং উদ্ধার করেছে। বন্যপ্রাণীর অঙ্গ পাচারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি একটি আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচারকারী নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত সন্দেহ করা হচ্ছে।

জাতীয় উদ্যান, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অবৈধ বন্যপ্রাণী আমদানির সন্দেহে গতকাল সোমবার ব্যাংককের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর ৩৬ বছর বয়সী ভিয়েতনামী ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

জানা গেছে, আটককৃত ওই ব্যক্তি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের লুবুম্বাশি থেকে যাত্রা শুরু করে লাওসে যাচ্ছিলেন। তার যাত্রাপথের ট্রানজিট পয়েন্টগুলো ছিল ইথিওপিয়া এবং থাইল্যান্ড।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ একটি পলিস্টাইরিন আইসবক্সের ভেতরে লুকিয়ে রাখা ছয়টি গন্ডারের শিং এবং প্রায় ১২ কেজি অজ্ঞাত মাংস জব্দ করেছে।

বিভাগের কর্মকর্তা বলেন, ‘তার লাগেজের এক্স-রে স্ক্যানে কিছু অনিয়ম দেখা যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ এটি পরীক্ষা করে।’

সাইটস বিভাগের পরিচালক সাদুদী পানপাকদি এএফপিকে বলেন, জব্দ করা শিংগুলোর মূল্য বা সেগুলো লুকানোর জন্য কী ধরণের মাংস ব্যবহার করা হয়েছে সে সম্পর্কে কর্মকর্তারা নিশ্চিত নন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিনিসপত্রগুলো পরীক্ষার জন্য বন্যপ্রাণী ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

দোষী সাব্যস্ত হলে, সন্দেহভাজন ব্যক্তির ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ বাত (৩২,০০০ মার্কিন ডলার) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

পাঁচ ধরনের গন্ডার প্রজাতি আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সুরক্ষিত এবং তাদের শিং বিক্রি নিষিদ্ধ।

থাইল্যান্ড ভৌগোলিক অবস্থান এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বন্যপ্রাণী পাচারের একটি অন্যতম প্রধান ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। চোরাকারবারিরা প্রায়শই এশিয়ার লাভজনক কালোবাজারে অত্যন্ত মূল্যবান বিপন্ন প্রাণী বিক্রি করে।

 

সূত্রঃ বাসস

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

মাংসের ভেতরে গন্ডারের শিং! পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১

আপডেট সময় ০৬:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

থাই কর্তৃপক্ষ মাংসের ভেতরে ১১ কেজিরও বেশি গন্ডারের শিং উদ্ধার করেছে। বন্যপ্রাণীর অঙ্গ পাচারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ওই ব্যক্তি একটি আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচারকারী নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত সন্দেহ করা হচ্ছে।

জাতীয় উদ্যান, বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ বিভাগ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অবৈধ বন্যপ্রাণী আমদানির সন্দেহে গতকাল সোমবার ব্যাংককের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর ৩৬ বছর বয়সী ভিয়েতনামী ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

জানা গেছে, আটককৃত ওই ব্যক্তি কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের লুবুম্বাশি থেকে যাত্রা শুরু করে লাওসে যাচ্ছিলেন। তার যাত্রাপথের ট্রানজিট পয়েন্টগুলো ছিল ইথিওপিয়া এবং থাইল্যান্ড।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ একটি পলিস্টাইরিন আইসবক্সের ভেতরে লুকিয়ে রাখা ছয়টি গন্ডারের শিং এবং প্রায় ১২ কেজি অজ্ঞাত মাংস জব্দ করেছে।

বিভাগের কর্মকর্তা বলেন, ‘তার লাগেজের এক্স-রে স্ক্যানে কিছু অনিয়ম দেখা যাওয়ায় কর্তৃপক্ষ এটি পরীক্ষা করে।’

সাইটস বিভাগের পরিচালক সাদুদী পানপাকদি এএফপিকে বলেন, জব্দ করা শিংগুলোর মূল্য বা সেগুলো লুকানোর জন্য কী ধরণের মাংস ব্যবহার করা হয়েছে সে সম্পর্কে কর্মকর্তারা নিশ্চিত নন।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জিনিসপত্রগুলো পরীক্ষার জন্য বন্যপ্রাণী ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে।

দোষী সাব্যস্ত হলে, সন্দেহভাজন ব্যক্তির ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ বাত (৩২,০০০ মার্কিন ডলার) পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

পাঁচ ধরনের গন্ডার প্রজাতি আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সুরক্ষিত এবং তাদের শিং বিক্রি নিষিদ্ধ।

থাইল্যান্ড ভৌগোলিক অবস্থান এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বন্যপ্রাণী পাচারের একটি অন্যতম প্রধান ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। চোরাকারবারিরা প্রায়শই এশিয়ার লাভজনক কালোবাজারে অত্যন্ত মূল্যবান বিপন্ন প্রাণী বিক্রি করে।

 

সূত্রঃ বাসস