যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো কাতার থেকে ছাড়ছে এলএনজির জাহাজ, গন্তব্য বাংলাদেশ!

যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো কাতার থেকে ছাড়ছে এলএনজির জাহাজ, গন্তব্য বাংলাদেশ!

মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ এবং আমদানিকারকদের কাছে ফোর্স ম্যাজেউর (অনিবার্য পরিস্থিতিজনিত কারণে চুক্তি পালনে অক্ষমতা) ঘোষণার পর প্রথমবারের মতো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) লোড করেছে কাতার। এমন তথ্য পাওয়া গেছে জাহাজ চলাচলের ডেটা থেকে।

 

জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, লেবরেথা নামের একটি জাহাজ শুক্রবার বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি থেকে যাত্রা করে। জাহাজটির ড্রাফট লেভেল বেড়ে যাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে এতে এলএনজি তোলা হয়েছে।

 

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাজটি বাংলাদেশের দিকে রওয়ানা দিয়েছে এবং ১৪ মার্চ পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যাত্রাটি নির্ভর করছে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে চলাচলের ওপর, কারণ চলমান সংঘাতের কারণে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কার্যত সীমিত হয়ে পড়েছে।

 

প্রয়োজনে জাহাজটি সাময়িকভাবে সমুদ্রে ভাসমান সংরক্ষণাগার হিসেবেও ব্যবহার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এর আগে ইরানের ড্রোন হামলার পর কাতার বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। সাধারণত বিশ্বে সরবরাহ হওয়া এলএনজির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো কাতার থেকে ছাড়ছে এলএনজির জাহাজ, গন্তব্য বাংলাদেশ!

আপডেট সময় ১১:৫০:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়া যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি উৎপাদন বন্ধ এবং আমদানিকারকদের কাছে ফোর্স ম্যাজেউর (অনিবার্য পরিস্থিতিজনিত কারণে চুক্তি পালনে অক্ষমতা) ঘোষণার পর প্রথমবারের মতো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) লোড করেছে কাতার। এমন তথ্য পাওয়া গেছে জাহাজ চলাচলের ডেটা থেকে।

 

জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, লেবরেথা নামের একটি জাহাজ শুক্রবার বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটি থেকে যাত্রা করে। জাহাজটির ড্রাফট লেভেল বেড়ে যাওয়ায় ধারণা করা হচ্ছে এতে এলএনজি তোলা হয়েছে।

 

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়, জাহাজটি বাংলাদেশের দিকে রওয়ানা দিয়েছে এবং ১৪ মার্চ পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে যাত্রাটি নির্ভর করছে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে চলাচলের ওপর, কারণ চলমান সংঘাতের কারণে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল কার্যত সীমিত হয়ে পড়েছে।

 

প্রয়োজনে জাহাজটি সাময়িকভাবে সমুদ্রে ভাসমান সংরক্ষণাগার হিসেবেও ব্যবহার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এর আগে ইরানের ড্রোন হামলার পর কাতার বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। সাধারণত বিশ্বে সরবরাহ হওয়া এলএনজির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়।