লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের গুঞ্জন! কেমন যেতে পারে মাসের শেষ দিনগুলো, যা বলছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস

লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের গুঞ্জন! কেমন যেতে পারে মাসের শেষ দিনগুলো, যা বলছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস

গ্রীষ্ম শেষ হয়নি, তার আগেই মাঝারি-ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে দেশের নানা জায়গায়। এদিকে বৃষ্টি থামলেই অনূভুত হচ্ছে গরম। এই অবস্থায় আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টির খবর দিলো আবহাওয়া অধিদপ্তর। অন্যদিকে মাসের শেষ দিকে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আগাম খবর কয়েক সপ্তাহ ধরেই শোনা যাচ্ছে।

 

এক সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

 

এর আগে দেয়া এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী ২৬ মে (সোমবার) দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। লঘুচাপের পর দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। লঘুচাপটি পরবর্তীসময়ে নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির বিষয়টি এখনি নিশ্চিত করে বলার সময় আসেনি।

 

তবে আবহাওয়ার খবর দেয়া বেসরকারি প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারবেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এর দাবি, চলমান বৃষ্টিপাত থেমে যাওয়ার পরপরই বঙ্গোপসাগরে একটি সাইক্লোনিক সিস্টেমের (ঘূর্ণিঝড় সম্ভাব্যতা) প্রাথমিক কাঠামো তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নেওয়ার প্রাক্কালে ‘ল্যান্ড টু সি ব্রিজ’ বা স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এর ফলে দেশের ওপর বিরাজ করতে পারে প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরম, যা জনজীবনে চরম অস্বস্তির সৃষ্টি করতে পারে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের গুঞ্জন! কেমন যেতে পারে মাসের শেষ দিনগুলো, যা বলছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস

আপডেট সময় ০৬:৫০:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

গ্রীষ্ম শেষ হয়নি, তার আগেই মাঝারি-ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে দেশের নানা জায়গায়। এদিকে বৃষ্টি থামলেই অনূভুত হচ্ছে গরম। এই অবস্থায় আরেকটি লঘুচাপ সৃষ্টির খবর দিলো আবহাওয়া অধিদপ্তর। অন্যদিকে মাসের শেষ দিকে একটি ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির আগাম খবর কয়েক সপ্তাহ ধরেই শোনা যাচ্ছে।

 

এক সতর্কবার্তায় আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও উপকূলীয় এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত আবহাওয়ার সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

 

এতে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরসমূহের ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

 

এর আগে দেয়া এক পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামী ২৬ মে (সোমবার) দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায় একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। লঘুচাপের পর দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। লঘুচাপটি পরবর্তীসময়ে নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির বিষয়টি এখনি নিশ্চিত করে বলার সময় আসেনি।

 

তবে আবহাওয়ার খবর দেয়া বেসরকারি প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারবেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এর দাবি, চলমান বৃষ্টিপাত থেমে যাওয়ার পরপরই বঙ্গোপসাগরে একটি সাইক্লোনিক সিস্টেমের (ঘূর্ণিঝড় সম্ভাব্যতা) প্রাথমিক কাঠামো তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নেওয়ার প্রাক্কালে ‘ল্যান্ড টু সি ব্রিজ’ বা স্থানীয় বায়ুপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এর ফলে দেশের ওপর বিরাজ করতে পারে প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরম, যা জনজীবনে চরম অস্বস্তির সৃষ্টি করতে পারে।