সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু Logo হাম হলে শিশুকে যেসব খাবার খাওয়াবেন Logo ২২০০ পিঁপড়া পাচার চেষ্টায় চীনা নাগরিকের এক বছরের জেল Logo চট্টগ্রামে নিজেই হাসপাতালে এসে ডাক্তার ডেকে চিকিৎসা নিলো কাক! Logo বাংলাদেশে প্রতি তিন শিশুর মধ্যে এক জন মারাত্মকভাবে জলবায়ু ঝুঁকির মুখে Logo এপ্রিল এখন পর্যন্ত সহনীয়, দেশে এবছরের গ্রীষ্ম কম ভোগাবে আশা আবহাওয়াবিদের   Logo আজ স্বাধীনতা পদক প্রদান করবেন প্রধানমন্ত্রী Logo ‘ধান খাওয়ায়’ মেরে ফেলা হলো বাবুই পাখির ২৯ বাচ্চা, এক জনের কারাদণ্ড Logo পাবলো এসকোবারের ‘কোকেন’ জলহস্তীদের নিয়ে বিপাকে কলম্বিয়া Logo জ্বালানির দাম সমন্বয় করা হতে পারে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর শীর্ষ নেতারাই নেই জলবায়ু সম্মেলনে!

শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর শীর্ষ নেতারাই নেই জলবায়ু সম্মেলনে!

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে শুরু হওয়া জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন (কপ ২৯) এর আজ দ্বিতীয় দিন।  সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের নানা প্রান্তের নেতা-প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন বাকুতে। কিন্তু এবারের সম্মেলনে থাকছেন না বেশ কয়েকটি শক্তিশালী ও সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। ২২ নভেম্বর পর্যন্ত সম্মেলন চলবে। সম্মেলনের প্রথম দুই দিনে বাকুতে ৭৫ জনের বেশি বিশ্বনেতার আসার কথা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বাকুর জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতির বিষয়টিও এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্র-চীন, এই দুই শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশের প্রেসিডেন্টরা না থাকলেও তাদের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন সম্মেলনে। এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও নেই, তবে সম্মেলনে রুশ প্রতিনিধিরা বেশ কার্যকর এবং সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণে থাকছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান। তবে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ব্রিটিশ সরকারের প্রতিশ্রুতি থেকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার যাবেন সম্মেলনে এবং ইতোমধ্যে তার সরকারের জ্বালানি নিরাপত্তা ও নেট জিরো মন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড যোগ দিয়েছেন কপ ২৯ এ। মিলিব্যান্ড গতকাল সোমবার এক্সে বলেন, এই সরকার বিশ্বাস করে যে জলবায়ু নিরাপত্তা হলো জাতীয় নিরাপত্তা।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, বড় নেতাদের অনুপস্থিতির পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের প্রভাব বাকুর জলবায়ু সম্মেলনে বেশ ভালোভাবেই পড়েছে। তবে সম্মেলনে অংশ নেওয়া বাইডেন সরকারের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিনিধি জন পদেস্টা আশার বাণী শুনিয়েছেন। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের তিনি এই বলে আশ্বস্ত করেছেন যে ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচন বৈশ্বিক উষ্ণায়ন মোকাবিলায় মার্কিন প্রচেষ্টাকে থামিয়ে দেবে না।

তিনি বেশ জোর দিয়ে বলেছেন, “এটি পরিষ্কার যে, নিরাপদ গ্রহের জন্য আমাদের লড়াইয়ের শেষ নয়। সত্য এখনও সত্য। বিজ্ঞান এখনও বিজ্ঞান। এক দেশে এক নির্বাচন, এক রাজনৈতিক চক্রের চেয়ে জলবায়ু পরিবর্তন বিরোধী লড়াইটা বড়।”

প্রসঙ্গত, বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮০ শতাংশই জি-২০ জোটের দখলে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের সঙ্গে জড়িত এই জোটের দেশগুলো। আবার বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী যে গ্রিনহাউজ গ্যাস, তার প্রায় ৮০ শতাংশই এই জোটভুক্ত দেশগুলো থেকে নির্গমিত হয়।

নেতাদের উপস্থিতি এবং ট্রাম্পের জয়ে তৈরি উদ্বেগের মধ্যেই জলবায়ু বিষয়ে সব দেশের সংহতির আবেদন জানিয়েছেন জাতিসংঘের জলবায়ুপ্রধান সাইমন স্টিয়েল। সেই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে স্বাধীনতা পুরস্কার গ্রহণ করলেন মুকিত মজুমদার বাবু

শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোর শীর্ষ নেতারাই নেই জলবায়ু সম্মেলনে!

আপডেট সময় ০৫:২০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪

আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে শুরু হওয়া জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন (কপ ২৯) এর আজ দ্বিতীয় দিন।  সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের নানা প্রান্তের নেতা-প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন বাকুতে। কিন্তু এবারের সম্মেলনে থাকছেন না বেশ কয়েকটি শক্তিশালী ও সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণকারী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। ২২ নভেম্বর পর্যন্ত সম্মেলন চলবে। সম্মেলনের প্রথম দুই দিনে বাকুতে ৭৫ জনের বেশি বিশ্বনেতার আসার কথা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বাকুর জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিচ্ছেন না।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতির বিষয়টিও এখনও নিশ্চিত নয়। যুক্তরাষ্ট্র-চীন, এই দুই শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারী দেশের প্রেসিডেন্টরা না থাকলেও তাদের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন সম্মেলনে। এদিকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও নেই, তবে সম্মেলনে রুশ প্রতিনিধিরা বেশ কার্যকর এবং সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণে থাকছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান। তবে জলবায়ু পরিবর্তন রোধে ব্রিটিশ সরকারের প্রতিশ্রুতি থেকে দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার যাবেন সম্মেলনে এবং ইতোমধ্যে তার সরকারের জ্বালানি নিরাপত্তা ও নেট জিরো মন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড যোগ দিয়েছেন কপ ২৯ এ। মিলিব্যান্ড গতকাল সোমবার এক্সে বলেন, এই সরকার বিশ্বাস করে যে জলবায়ু নিরাপত্তা হলো জাতীয় নিরাপত্তা।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, বড় নেতাদের অনুপস্থিতির পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের প্রভাব বাকুর জলবায়ু সম্মেলনে বেশ ভালোভাবেই পড়েছে। তবে সম্মেলনে অংশ নেওয়া বাইডেন সরকারের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিনিধি জন পদেস্টা আশার বাণী শুনিয়েছেন। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের তিনি এই বলে আশ্বস্ত করেছেন যে ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচন বৈশ্বিক উষ্ণায়ন মোকাবিলায় মার্কিন প্রচেষ্টাকে থামিয়ে দেবে না।

তিনি বেশ জোর দিয়ে বলেছেন, “এটি পরিষ্কার যে, নিরাপদ গ্রহের জন্য আমাদের লড়াইয়ের শেষ নয়। সত্য এখনও সত্য। বিজ্ঞান এখনও বিজ্ঞান। এক দেশে এক নির্বাচন, এক রাজনৈতিক চক্রের চেয়ে জলবায়ু পরিবর্তন বিরোধী লড়াইটা বড়।”

প্রসঙ্গত, বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮০ শতাংশই জি-২০ জোটের দখলে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের সঙ্গে জড়িত এই জোটের দেশগুলো। আবার বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী যে গ্রিনহাউজ গ্যাস, তার প্রায় ৮০ শতাংশই এই জোটভুক্ত দেশগুলো থেকে নির্গমিত হয়।

নেতাদের উপস্থিতি এবং ট্রাম্পের জয়ে তৈরি উদ্বেগের মধ্যেই জলবায়ু বিষয়ে সব দেশের সংহতির আবেদন জানিয়েছেন জাতিসংঘের জলবায়ুপ্রধান সাইমন স্টিয়েল। সেই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।