সংবাদ শিরোনাম ::
Logo প্রাণী নির্যাতন বন্ধে সরকারের কাছে আইনি নোটিশ Logo কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপার ক্ষোভ: এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ Logo পহেলা বৈশাখে আকাশ থাকতে পারে মেঘলা, তাপপ্রবাহ চলছে, সঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা Logo পহেলা বৈশাখে বন্ধ থাকবে মেট্রোরেলের দুটি স্টেশন Logo বিডব্লিউওটির দাবি: দেশে সক্রিয় তাপপ্রবাহ ‘দহন’ ও বৃষ্টিবলয় ‘ঝংকার’   Logo বাউল শিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন Logo ইরানের ওপর নৌ অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের, আবার যুদ্ধ শুরুর শঙ্কা Logo কুকুরকে কুমিরের মুখে ফেলে দেয়া নিয়ে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া, তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর Logo বাংলা নববর্ষ উদযাপনে দেশব্যাপী সরকারের নানা কর্মসূচি গ্রহণ Logo জামিন পেলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী

শ্রীলংকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়, সব দোষ বানরের?

শ্রীলংকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়, সব দোষ বানরের?

রাজনৈতিক-অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্থ শ্রীলংকা আবার এক বিপর্যয়ের কারণে বিশ্বজুড়ে খবর হলো। স্থানীয় সময় রবিবার হুট করে পুরো শ্রীলংকায় বিদ্যুৎ চলে যায়, অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় দ্বীপদেশটি। আকস্মিক এই বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে বানরকে দায়ী করেছে লংকা সরকার।

শ্রীলঙ্কার একটি বিদ্যুৎ গ্রিডে বানরের অনুপ্রবেশের কারণে এই সমস্যার সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী কুমারা জায়াকোদি। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহের ট্রান্সফরমারের সংস্পর্শে আসে একটি বানর। এতে করে বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর প্রকৌশলীরা বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করেন।’

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের দায় বানরের ওপর চাপিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী কুমারা জায়াকোদি।

ঘটনার ৩ ঘণ্টা পর আস্তে আস্তে পুরো শ্রীলংকায় বিদ্যুৎ ফিরতে শুরু করে। তবে বানরের উপর দায় চাপালেও সমালোচনা হচ্ছে দেশটির দুর্বল বিদ্যুৎ ব্যবস্থা-অবকাঠামো নিয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বানরের চেয়ে রাষ্ট্রীয় অদক্ষতা-অবহেলা নিয়েই ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

একজন এক্সে লিখেছেন, একটি মাত্র দুর্বৃত্ত বানর কলম্বোর একটি সাবস্টেশন অকার্যকর করে পুরো শ্রীলংকার গ্রিডে বিপর্যয় ঘটিয়ে দিলো! একটি বানর = ব্যাপক বিশৃঙ্খলা। অবকাঠামো পুনর্বিবেচনার সময় হলো?

কেউ কেউ পরিস্থিতির সাথে পৌরাণিক রামায়ণের কাহিনী থেকে রসিকতা করে কার্টুনও প্রচার করেছে। তাতে ওই বানরকে রামায়ণের মহাশক্তিধর হনুমানের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, এই হনুমানই রাবণের লংকায় আগুন দিয়েছিল।

স্থানীয় সংবাদপত্র ডেইলি মিরর-এর প্রধান সম্পাদক জামিলা হুসেন এক্সে লিখেছেন, “শুধুমাত্র শ্রীলঙ্কায় বানরের দল একটি পাওয়ার স্টেশনের ভিতরে লড়াই করে দ্বীপব্যাপী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ হতে পারে।”

 

সোমবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে, সংবাদপত্রটি বলেছে যে প্রকৌশলীরা পাওয়ার গ্রিড আপগ্রেড করতে বা ঘন ঘন ব্ল্যাকআউটের মুখোমুখি হওয়ার জন্য কয়েক বছর ধরে সরকারগুলোকে সতর্ক করে আসছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

প্রাণী নির্যাতন বন্ধে সরকারের কাছে আইনি নোটিশ

শ্রীলংকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয়, সব দোষ বানরের?

আপডেট সময় ০৪:৪৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

রাজনৈতিক-অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্থ শ্রীলংকা আবার এক বিপর্যয়ের কারণে বিশ্বজুড়ে খবর হলো। স্থানীয় সময় রবিবার হুট করে পুরো শ্রীলংকায় বিদ্যুৎ চলে যায়, অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় দ্বীপদেশটি। আকস্মিক এই বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ হিসেবে বানরকে দায়ী করেছে লংকা সরকার।

শ্রীলঙ্কার একটি বিদ্যুৎ গ্রিডে বানরের অনুপ্রবেশের কারণে এই সমস্যার সূত্রপাত বলে জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী কুমারা জায়াকোদি। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহের ট্রান্সফরমারের সংস্পর্শে আসে একটি বানর। এতে করে বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। এ ঘটনার পর প্রকৌশলীরা বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ করেন।’

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের দায় বানরের ওপর চাপিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী কুমারা জায়াকোদি।

ঘটনার ৩ ঘণ্টা পর আস্তে আস্তে পুরো শ্রীলংকায় বিদ্যুৎ ফিরতে শুরু করে। তবে বানরের উপর দায় চাপালেও সমালোচনা হচ্ছে দেশটির দুর্বল বিদ্যুৎ ব্যবস্থা-অবকাঠামো নিয়ে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বানরের চেয়ে রাষ্ট্রীয় অদক্ষতা-অবহেলা নিয়েই ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

একজন এক্সে লিখেছেন, একটি মাত্র দুর্বৃত্ত বানর কলম্বোর একটি সাবস্টেশন অকার্যকর করে পুরো শ্রীলংকার গ্রিডে বিপর্যয় ঘটিয়ে দিলো! একটি বানর = ব্যাপক বিশৃঙ্খলা। অবকাঠামো পুনর্বিবেচনার সময় হলো?

কেউ কেউ পরিস্থিতির সাথে পৌরাণিক রামায়ণের কাহিনী থেকে রসিকতা করে কার্টুনও প্রচার করেছে। তাতে ওই বানরকে রামায়ণের মহাশক্তিধর হনুমানের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, এই হনুমানই রাবণের লংকায় আগুন দিয়েছিল।

স্থানীয় সংবাদপত্র ডেইলি মিরর-এর প্রধান সম্পাদক জামিলা হুসেন এক্সে লিখেছেন, “শুধুমাত্র শ্রীলঙ্কায় বানরের দল একটি পাওয়ার স্টেশনের ভিতরে লড়াই করে দ্বীপব্যাপী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ হতে পারে।”

 

সোমবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে, সংবাদপত্রটি বলেছে যে প্রকৌশলীরা পাওয়ার গ্রিড আপগ্রেড করতে বা ঘন ঘন ব্ল্যাকআউটের মুখোমুখি হওয়ার জন্য কয়েক বছর ধরে সরকারগুলোকে সতর্ক করে আসছেন।