সঞ্জীব চৌধুরীর ১৭তম প্রয়াণ দিবস আজ

সঞ্জীব চৌধুরীর ১৭তম প্রয়াণ দিবস আজ

কিছু মানুষের কখনও মৃত্যু হয় না। আর হয় না বলেই তারা বেঁচে থাকেন তাদের কাজকর্মে। এমন একজন বিপ্লবী গায়ক সঞ্জীব চৌধুরী। ‘দলছুট’ ব্যান্ডের বাপ্পা মজুমদার এখনও কোনো কনসার্টে, টেলিভিশন অনুষ্ঠানে গান গাইতে গেলে সঞ্জীব চৌধুরীর লেখা, সুর করা, গাওয়া গানের অনুরোধ প্রতিনিয়ত পেতে থাকেন। না থেকেও কীভাবে শব্দ-সুরে বেঁচে আছেন তিনি– ‘আমি তোমাকেই বলে দিব’, ‘আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ’ ও ‘বায়োস্কোপ’ গানের মানুষটা।

আজ সেই সংগীতশিল্পী, গীতিকবি ও সাংবাদিক সঞ্জীব চৌধুরীর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর তিনি চলে যান না ফেরার দেশে। ব্যান্ডদল ‘দলছুট’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও অন্যতম প্রধান সদস্য ছিলেন তিনি। সঞ্জীব চৌধুরী ও বাপ্পা মজুমদার দু’জনে মিলে তৈরি করেছিলেন ‘দলছুট’ ব্যান্ডের অ্যালবামগুলো: ‘আহ্’ (১৯৯৭), ‘হৃদয়পুর’ (২০০০), ‘আকাশচুরি’ (২০০২) ও ‘জোছনা বিহার’ (২০০৭)।

সঞ্জীব চৌধুরী সবসময় মানবতারই গান গাইতেন তাঁর গিটারের তারে তারে। মৃত্যুর পরও বিজ্ঞান তথা চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতি রেখে গেছেন শেষ অবদান- তাঁর দেহটি। আজও ঢাকা মেডিকেল কলেজে তাঁর কঙ্কালটি চিকিৎসাবিজ্ঞান-পড়ুয়া ছাত্রদের পড়ার কাজে লাগছে। কোনো অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নয়, নয় কোনো শেষ সমাধি। তিনি বেছে নিয়েছিলেন মানবতার সোপানে তাঁর দেহ ও প্রাণকে সমর্পণ করতে এবং তা-ই করলেন।

সঞ্জীব চৌধুরী ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবার নাম গোপাল চৌধুরী ও মা প্রভাষিনী চৌধুরীর ৯ সন্তানের মধ্যে সঞ্জীব ছিলেন সপ্তম।

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

সঞ্জীব চৌধুরীর ১৭তম প্রয়াণ দিবস আজ

আপডেট সময় ০৩:০৬:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪

কিছু মানুষের কখনও মৃত্যু হয় না। আর হয় না বলেই তারা বেঁচে থাকেন তাদের কাজকর্মে। এমন একজন বিপ্লবী গায়ক সঞ্জীব চৌধুরী। ‘দলছুট’ ব্যান্ডের বাপ্পা মজুমদার এখনও কোনো কনসার্টে, টেলিভিশন অনুষ্ঠানে গান গাইতে গেলে সঞ্জীব চৌধুরীর লেখা, সুর করা, গাওয়া গানের অনুরোধ প্রতিনিয়ত পেতে থাকেন। না থেকেও কীভাবে শব্দ-সুরে বেঁচে আছেন তিনি– ‘আমি তোমাকেই বলে দিব’, ‘আমাকে অন্ধ করে দিয়েছিল চাঁদ’ ও ‘বায়োস্কোপ’ গানের মানুষটা।

আজ সেই সংগীতশিল্পী, গীতিকবি ও সাংবাদিক সঞ্জীব চৌধুরীর ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর তিনি চলে যান না ফেরার দেশে। ব্যান্ডদল ‘দলছুট’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও অন্যতম প্রধান সদস্য ছিলেন তিনি। সঞ্জীব চৌধুরী ও বাপ্পা মজুমদার দু’জনে মিলে তৈরি করেছিলেন ‘দলছুট’ ব্যান্ডের অ্যালবামগুলো: ‘আহ্’ (১৯৯৭), ‘হৃদয়পুর’ (২০০০), ‘আকাশচুরি’ (২০০২) ও ‘জোছনা বিহার’ (২০০৭)।

সঞ্জীব চৌধুরী সবসময় মানবতারই গান গাইতেন তাঁর গিটারের তারে তারে। মৃত্যুর পরও বিজ্ঞান তথা চিকিৎসাবিজ্ঞানের প্রতি রেখে গেছেন শেষ অবদান- তাঁর দেহটি। আজও ঢাকা মেডিকেল কলেজে তাঁর কঙ্কালটি চিকিৎসাবিজ্ঞান-পড়ুয়া ছাত্রদের পড়ার কাজে লাগছে। কোনো অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নয়, নয় কোনো শেষ সমাধি। তিনি বেছে নিয়েছিলেন মানবতার সোপানে তাঁর দেহ ও প্রাণকে সমর্পণ করতে এবং তা-ই করলেন।

সঞ্জীব চৌধুরী ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মাকালকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবার নাম গোপাল চৌধুরী ও মা প্রভাষিনী চৌধুরীর ৯ সন্তানের মধ্যে সঞ্জীব ছিলেন সপ্তম।