সিরিয়ায় বাশার আল–আসাদ সরকারের পতনের পর গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় ৪৮০টি বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এসব হামলায় সিরিয়ার বহু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি কোনো কোনো স্থাপনা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এদিকে বিবিসির এক খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েল সিরিয়ার নৌসক্ষমতা অকার্যকর করতে ব্যাপক হামলা চালিয়ে নৌবহর প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, ‘গত ৪৮ ঘণ্টায় সিরিয়ার বিভিন্ন স্থানে ৪৮০টি বিমান হামলা চালানো হয়েছে। হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ১৫টি নৌযান, বিমান-বিধ্বংসী ব্যাটারি এবং বেশ কয়েকটি অস্ত্র উৎপাদন সাইট ছিল।’

ইসরায়েল বলছে, আসাদ সরকারের পতনের পর সিরিয়ার সামরিক শক্তি-অস্ত্র যাতে ‘চরমপন্থীদের হাতে’ চলে না যায়, সেজন্যই এ পদক্ষেপ নিয়েছে তারা।
গত রোববার সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ সরকারের পতনের পর পরই দামেস্কের একটি রাসায়নিক অস্ত্র কারখানায় হামলা চালায় আইডিএফ, যাতে বিদ্রোহীরা এই অস্ত্র কারখানা দখলে নিতে না পারে।
বাশার আল আসাদ সরকারের পতনের পরপরই সিরিয়ার অধিকৃত গোলান মালভূমি দখলে নেয় ইসরায়েলি বাহিনী। এরপর তারা গত মঙ্গলবার হারমন পার্বত্য অঞ্চল দখলে নিয়েছে।

এদিকে সার্বভৌমত্ব হারানো সিরিয়ার ক্ষমতা দখল করা বিদ্রোহীরা সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তাদেরকে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’ সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
সিরিয়ার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-বশির বলেছেন, ‘সিরিয়ায় স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রয়োজন। সবাই ধৈর্য ধরুন। আমরা সরকারী কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে নাগরিক পরিষেবা চালু করার চেষ্টা করছি এবং সরবকারি প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু করার জন্য কাজ করছি।’
ডেস্ক রিপোর্ট 




















