মানুষের মত এক হাতিরাও একে অপরকে নাম ধরে ডাকে

মানুষের মত এক হাতিরাও একে অপরকে নাম ধরে ডাকে

হাতিরা যে বুদ্ধিমান প্রাণী এটি প্রমাণিত হয়েছে বহু আগেই। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন এক তথ্য উঠে এসেছে প্রাণীটি সম্পর্কে যেটি রীতিমতো চমকে দেবে আপনাকে। বুনো আফ্রিকান হাতিরা সম্ভবত একে অপরকে আলাদা শব্দ ব্যবহার করে ডাকে যা অনেকটা মানুষের নামের মতোই।

সোমবার নেচার ইকোলজি অ্যান্ড ইভোলিউশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এমন চমকে দেওয়ার মতো তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষকরা মনে করছেন, মা হাতি সন্তানকে ডাকার সময় আরো বেশী করে নাম ব্যবহার করায় সেটি আরো সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

নিউইয়র্কের কর্নেল ইউনিভার্সিটির একজন প্রাণী আচরণবিদ এবং পোস্টডক্টরাল ফেলো এবং গবেষণার প্রধান লেখক মিকি পারডো ব্যাখ্যা করেছেন যে, অধ্যয়নের উদ্দেশ্য ছিল হাতির ডাক তাদের নামের মতো কাজ করে কিনা তা নির্ধারণ করা।

নেচার ইকোলজি অ্যান্ড ইভল্যুশন জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণায় দেখা গেছে, সম্ভাষণের ক্ষেত্রে হাতি সব সময়ই যে নাম ব্যবহার করেছে এমন নয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক হাতিরা অনেক দূরত্বে অবস্থান করা তরুণদের ডাকতেই নাম ব্যবহার করেছে। কম বয়সীদের তুলনায় প্রাপ্তবয়স্ক হাতিদের নাম ধরে ডাকতে বেশি দেখা গেছে।

গবেষকরা মেশিন-লার্নিং মডেল ব্যবহার করে হাতির তিন ধরনের রাম্বল বিশ্লেষণ করেছেন। তারা ১৯৮৬ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে কেনিয়ায় অবস্থিত অ্যাম্বোসেলি ন্যাশনাল পার্ক ও বাফেলো স্প্রিংস রিজার্ভে থাকা বন্য স্ত্রী হাতি ও বাচ্চা হাতির ৪৬৯টি ডাকের রেকর্ডিং পরীক্ষা করে দেখেছেন। প্রতিটি হাতিকে কানের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে শনাক্ত করা যায় কারণ সেগুলোকে কয়েক দশক ধরে ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল।

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত

মানুষের মত এক হাতিরাও একে অপরকে নাম ধরে ডাকে

আপডেট সময় ০৫:৩২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪
হাতিরা যে বুদ্ধিমান প্রাণী এটি প্রমাণিত হয়েছে বহু আগেই। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এমন এক তথ্য উঠে এসেছে প্রাণীটি সম্পর্কে যেটি রীতিমতো চমকে দেবে আপনাকে। বুনো আফ্রিকান হাতিরা সম্ভবত একে অপরকে আলাদা শব্দ ব্যবহার করে ডাকে যা অনেকটা মানুষের নামের মতোই।

সোমবার নেচার ইকোলজি অ্যান্ড ইভোলিউশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় এমন চমকে দেওয়ার মতো তথ্য উঠে এসেছে।

গবেষকরা মনে করছেন, মা হাতি সন্তানকে ডাকার সময় আরো বেশী করে নাম ব্যবহার করায় সেটি আরো সঠিকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

নিউইয়র্কের কর্নেল ইউনিভার্সিটির একজন প্রাণী আচরণবিদ এবং পোস্টডক্টরাল ফেলো এবং গবেষণার প্রধান লেখক মিকি পারডো ব্যাখ্যা করেছেন যে, অধ্যয়নের উদ্দেশ্য ছিল হাতির ডাক তাদের নামের মতো কাজ করে কিনা তা নির্ধারণ করা।

নেচার ইকোলজি অ্যান্ড ইভল্যুশন জার্নালে প্রকাশিত ওই গবেষণায় দেখা গেছে, সম্ভাষণের ক্ষেত্রে হাতি সব সময়ই যে নাম ব্যবহার করেছে এমন নয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণত প্রাপ্তবয়স্ক হাতিরা অনেক দূরত্বে অবস্থান করা তরুণদের ডাকতেই নাম ব্যবহার করেছে। কম বয়সীদের তুলনায় প্রাপ্তবয়স্ক হাতিদের নাম ধরে ডাকতে বেশি দেখা গেছে।

গবেষকরা মেশিন-লার্নিং মডেল ব্যবহার করে হাতির তিন ধরনের রাম্বল বিশ্লেষণ করেছেন। তারা ১৯৮৬ সাল থেকে ২০২২ সালের মধ্যে কেনিয়ায় অবস্থিত অ্যাম্বোসেলি ন্যাশনাল পার্ক ও বাফেলো স্প্রিংস রিজার্ভে থাকা বন্য স্ত্রী হাতি ও বাচ্চা হাতির ৪৬৯টি ডাকের রেকর্ডিং পরীক্ষা করে দেখেছেন। প্রতিটি হাতিকে কানের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে শনাক্ত করা যায় কারণ সেগুলোকে কয়েক দশক ধরে ক্রমাগত পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল।