সংবাদ শিরোনাম ::

সংস্কারের জন্য বাংলাদেশকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৩০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • 152

সংস্কারের জন্য বাংলাদেশকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগকে সমর্থন করতে বাংলাদেশকে ৩৫০ কোটি ডলার প্রদান করবে বিশ্বব্যাংক। গতকাল বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এই সহায়তার ঘোষণা দেন।

ড. ইউনূসের দীর্ঘদিনের বন্ধু অজয় বাঙ্গা বৈঠকে বলেছেন, নতুন ঋণ হিসাবে দেয়া হবে কমপক্ষে ২০০ কোটি ডলার এবং বিদ্যমান কর্মসূচি থেকে দেয়া হবে আরো ১৫০ কোটি ডলার। তিনি বলেন, ডিজিটাইজেশন, তারল্য, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং পরিবহন খাতে বাংলাদেশের সংস্কার কর্মসূচি সমর্থন করবে বিশ্বব্যাংক।

বৈঠককালে ড. ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গৃহীত বিস্তৃত সংস্কার কর্মসূচির জন্য বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চান। তিনি বিশ্বব্যাংকের ঋণ কর্মসূচিকে সৃজনশীল করারও আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি দেশকে পুনর্গঠনের একটি বড় সুযোগ।

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এবং নেপাল ও ভুটানে উৎপাদিত জলবিদ্যুৎ কীভাবে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করা যেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করেন।

আগামী ৫ দিন দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম

সংস্কারের জন্য বাংলাদেশকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ০৩:৩০:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কার উদ্যোগকে সমর্থন করতে বাংলাদেশকে ৩৫০ কোটি ডলার প্রদান করবে বিশ্বব্যাংক। গতকাল বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এই সহায়তার ঘোষণা দেন।

ড. ইউনূসের দীর্ঘদিনের বন্ধু অজয় বাঙ্গা বৈঠকে বলেছেন, নতুন ঋণ হিসাবে দেয়া হবে কমপক্ষে ২০০ কোটি ডলার এবং বিদ্যমান কর্মসূচি থেকে দেয়া হবে আরো ১৫০ কোটি ডলার। তিনি বলেন, ডিজিটাইজেশন, তারল্য, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ এবং পরিবহন খাতে বাংলাদেশের সংস্কার কর্মসূচি সমর্থন করবে বিশ্বব্যাংক।

বৈঠককালে ড. ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গৃহীত বিস্তৃত সংস্কার কর্মসূচির জন্য বিশ্বব্যাংকের সহায়তা চান। তিনি বিশ্বব্যাংকের ঋণ কর্মসূচিকে সৃজনশীল করারও আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটি দেশকে পুনর্গঠনের একটি বড় সুযোগ।

বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ এশিয়ার জ্বালানি খাতে সহযোগিতা এবং নেপাল ও ভুটানে উৎপাদিত জলবিদ্যুৎ কীভাবে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করা যেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করেন।