এ যেন পাষাণের বুক চিরে নিরন্তর বয়ে চলা অবারিত স্নেহের ধারা, শত-সহস্রধারায় বয়ে চলা অমৃত সুধারাশি। প্রকৃতি ও প্রেমের গভীর আলিঙ্গনে প্রেয়সীর মানসপটে প্রস্ফূটিত হয় শিহরণ জাগানিয়া চিত্রকল্প “বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর”! চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের গহীন পাহাড়ে অবস্থিত একটি জলপ্রপাত খৈয়াছড়া ঝর্ণা। স্থানীয়দের কাছে এই ঝর্ণাটি চতল নামে পরিচিত। মীরসরাইয়ের অন্যান্য জলপ্রপাত যেমন কমলদহ ঝর্ণা, নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা, সহস্রধারা ঝর্ণা, ঝরঝরি ঝর্ণা ইত্যাদির তুলনায় খৈয়াছড়া ঝর্ণা এবং এর ঝিরিপথ বেশ বড়। এর রূপে ও লাবণ্যে, ফ্যাশনে ও বশনে মোহিত দেশ-বিদেশের বিমুগ্ধ পর্যটকদের মতে মাধবকুন্ড ও শুভলং-কে ছাড়িয়ে; দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে, জলের গভীরতায় এবং প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে এটিই দেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণা। খৈয়াছড়া ঝর্ণায় মোট নয়টি বড় ধাপ অর্থাৎ ক্যাসকেড এবং অনেকগুলো বিচ্ছিন্ন ধাপ রয়েছে। যা বাংলাদেশের অন্য কোন ঝর্ণাতে দেখা যায় না। তাই এটাকে বলা হয় ‘ঝর্ণা রাণী’। মিরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নে অবস্থিত হওয়ায় এটির নামকরণ করা হয়েছে “খৈয়াছড়া ঝর্ণা”।
লক্ষ্য যদি হয় ঝর্ণা দর্শন, তখন ধরে নিতেই হবে এ যেন পাহাড়ের হৃদয়ের গহীনে লুকানো কোন গুপ্তধন তথা নৈসর্গিক দৃশ্য আবিষ্কারের দুর্নিবার নেশা। সবুজ ফসলের মাঠ, আঁকা-বাঁকা পাহাড়ি মেঠো পথ আর দুর্গম ঝিরিপথ পাড়ি দেওয়ার দুঃসাহস, অপরিসীম ধৈর্য্য, উঁচু-নিচু অসংখ্য পাহাড় আর পাহাড়ের গায়ে নাম না জানা অসংখ্য গাছের সমারোহে সবুজ পাহাড়কে মনে হয় যেন সবুজের গালিচা। পাহাড় যেন তাঁর সবুজ আঁচলে নিবিড় ভালবাসায় আগলে রেখেছে ঝর্ণা রাণীকে। আর এই সবুজ পাহাড়ের হৃদয় থেকে কলকল ধ্বনিতে উৎসারিত হচ্ছে বুনো ঝর্ণা খৈয়াছড়া। জনমানবহীন, নির্জন-শান্ত পাহাড়ের বুকে স্নেহের চুম্বন এঁকে, প্রায় নয়টি ধাপ পেরিয়ে, জলপ্রপাতের স্বচ্ছ পানির ধারা পাথর থেকে পাথরে চড়ে, অসংখ্য ঝর্ণাধারা সৃষ্টির পর আছড়ে পড়া স্রোতধারা কলকল শব্দে নেমে এসেছে সমতল ভূমিতে। বিভিন্ন প্রজাতির লতাপাতা, গুল্ম, বাঁশবন, বুনোফুল ও ফলের গাছ পরম মমতায় আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িয়ে রেখেছে সৃষ্টির বিস্ময়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমাহার এই ঝর্ণাটিকে। প্রকৃতি যেন আপন মনের মাধুরী মিশিয়ে, রঙ-তুলির আল্পনায় তার সবটুকু সৌন্দর্য ঢেলে দিয়েছে এই কঠিন পাহাড়ের চূড়ায়। যে স্বর্গীয় সৌন্দর্য শুধু অবলোকন করতে হয় দুই নয়ন ভরে, উপভোগ করতে হয় মন্ত্রমুগ্ধের মতো। আর খৈয়াছড়াও উদ্বাহু হয়ে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে- দৈনন্দিন যান্ত্রিক জীবনের যাবতীয় ক্লান্তি, অবসাদ ধুয়ে মুছে সজীব নিঃশ্বাস নিতে আসা প্রকৃতিপ্রেমীদের। বৃষ্টি, ঢল এবং প্লাবনের মৌসুমেই জলপ্রপাত হাজির হয় নিজস্ব সর্বোচ্চ রূপের ডালি নিয়ে। আর ঝর্ণার সকল সৌন্দর্যই তো নিহিত জল প্রবাহে। খৈয়াছড়া জলপ্রপাত দেখার সেরা সময়ও তাই বর্ষাকাল।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এবং বৈচিত্র্যময় ঝর্ণাগুলোর তালিকা করলে মীরসরাই পাহাড় রেঞ্জ এর খৈয়াছড়া ঝর্ণা থাকবে তালিকার প্রথম দিকেই। ঝর্ণাটির অবস্থান চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নের বড়তাকিয়া বাজারের উত্তর দিকে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৪.২ কিলোমিটার পূর্বে। স্থানীয়দের মতে, ভুঁইয়া টিলা নামক স্থানে প্রায় ৫০ বছর পূর্ব থেকেই প্রবাহিত হচ্ছে খৈয়াছড়া ঝর্ণাটি। জনমানবহীন পাহাড়ি এলাকা, সাথে গভীর ঝোঁপ-ঝাড়ের আধিপত্যের জন্য সেখানে লোকজনের আনাগোনা খুব একটা ছিল না। ফলে এটির প্রকৃত অবস্থান আবিষ্কারে সময় লেগেছে বেশ। হয়তো কোন এক সময় প্রকৃতির খেয়ালেই পাহাড়ি ঢলের ফলে অবতারণা হয়েছে এই প্রাকৃতিক নান্দনিক দৃশ্যের।
খৈয়াছড়ার প্রতিটি ধাপে পৌঁছানোর জন্য করতে হয় ট্র্যাকিং। প্রথম ধাপের পাশ দিয়েই খাড়া পাহাড় উঠে গেছে বাকি আটটি ধাপে। খাড়া পাহাড় বেয়ে ওঠার পরে একটু নিচে নামলে দেখা যায় দ্বিতীয় ধাপ। যা প্রথমটি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। সরু জায়গা থেকে প্রবাহিত ঝর্ণাধারাটি একটু নিচে এসেই হয়েছে প্রসারিত। তৃতীয় ধাপটি আরো বেশি স্বতন্ত্র দ্বিতীয় ধাপের তুলনায়। ঝর্ণাটির প্রথম ধাপের উচ্চতা ৬০ ফুট, দ্বিতীয়টির ৪০ ফুট এবং তৃতীয়টির ১২০ ফুট। তিনটি ধাপেরই প্রবাহ দেখা যায় এখান থেকে। আছে বড়সড় জলাশয়। এরপর আবার ঝর্ণার পাশ দিয়ে খাড়া পাহাড় উঠে গেছে চতুর্থ ধাপে। এখান থেকে পঞ্চম, ষষ্ঠ এবং সপ্তম ধাপের উচ্চতা তুলনামূলক কম। ঝর্ণার অষ্টম ধাপটি আবার বেশ উঁচুতে এবং প্রসারিত। এখান থেকে পুনরায় খাড়া পাহাড় উঠে গেছে নবম ধাপে, যার ঠিক নিচে অবস্থিত মাঝারি আকারের একটি জলাধার। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার ফুট ওপরে অবস্থিত খৈয়াছড়ার সর্বশেষ এই ধাপটি। এখান থেকে পাহাড় বেয়ে ওঠা যায় আরো উপরে, দেখা যায় পাহাড়ের চূড়া থেকে দূরের সমুদ্রও।
ঝর্ণাটি একেবারে পাহাড়ের ভেতরের দিকে অবস্থিত। ফলে সরাসরি কোন যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় কোন যানবাহন ব্যবহার করে এর পাদদেশে পৌঁছানো সম্ভব নয়। ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের পাশ থেকে পায়ে হেঁটে কিংবা সিএনজি ব্যবহার করে ঝর্ণাটির কাছাকাছি গ্রামে পৌঁছানো সম্ভব। কিন্তু পাহাড়ের পাদদেশের গ্রামের ভিতর দিয়ে ঝর্ণার মূল ধারা পর্যন্ত যেতে পদযুগলই একমাত্র ভরসা। ঝর্ণা দর্শনের লক্ষ্যে দুর্গম পাহাড়ি পথযাত্রা অন্যান্য সকল প্রমোদ ভ্রমণের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আরাম-আয়েশের সঙ্গে ঝিরিপথ পাড়ি দেওয়ার চিন্তা! এই অভিযানের সঙ্গে একদমই মানানসই নয়। অচেনা-অজানা পোকামাকড়ের কামড় কিংবা পা হড়কে পড়ে যাওয়া, কাদামাটি মেখে একাকার, আপনাকে শৈশবে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট। সাথে পাহাড়ের গহীনে ঢোকার দুর্নিবার বাসনা কখন যেন আপন মনে বলে ওঠে “ক্লান্তি আমায় ক্ষমা করো প্রভু”।

জীবনে প্রথমবার ঘুরতে আসা যে কাউকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই পাহাড়ি পথই যথেষ্ট। কারণ সবেমাত্র পা রাখা পর্যটক বুঝে উঠতে পারবেন না, ঠিক কতগুলো বাঁক ঘুরে তারপর শেষ হবে এই রোমাঞ্চকর পিচ্ছিল পথযাত্রা। যদিও এই রোমাঞ্চের সম্পূর্ণটাই দুহাতে অকৃপণভাবে বিলিয়ে দিচ্ছে ঝর্ণা রাণী খৈয়াছড়া। ঝর্ণাটির মূল পাদদেশে যাওয়ার পথটি বেশ দুর্গম। ফলে ট্র্যাকিং-এর জন্য বাঁশের লাঠি, ভালো মানের গ্রিপের জুতা বা পায়ে দেওয়ার অ্যাঙ্গলেট উপযুক্ত। গাছের শিকড়ের সাহায্যে, ছোট ছোট গর্তে পা ফেলে উঠতে হয় উপরে। পথ চলতে চলতে চোখে পড়বে গ্রামের সবুজ শ্যামল আঁকা-বাঁকা পথ, ছোট ছোট নদী, বাঁশের সাঁকো, ক্ষেতের আইল ও নানা আকৃতির ছরা। ছোট-বড় কমপক্ষে চারটি পাহাড় পাড়ি দিতে হয় নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য। স্থানীয় মানুষদের বাড়ি ও খেতের আইলের পাশে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে আম, নারিকেল আর পেঁপের বাগান। তারপর কেবল ঝিরিপথ ধরে অবিরাম এগিয়ে চলা। হঠাৎ দেখা মেলে লাল-নীলসহ বাহারি রঙের ফড়িংয়ের মিছিল! চারিদিকে মন ভালো করে দেওয়া সবুজ দোল খায় ফড়িংয়ের পাখায়। ঝিরিপথ যতদূর এগিয়েছে ততদূর পর্যন্ত শোনা যায় ঝিঁঝি পোকার গুঞ্জন। চলার পথেই শোনা যায় জলের কলকল ধ্বনি। পড়ন্ত জলের শব্দ পাওয়া যায় মিরসরাই ঠাকুরদা দিঘি থেকেও। এখানে শুধু একজনই নিরবধি সুরের লহমায় আচ্ছন্ন করে রাখে সবাইকে, বাকিরা তাঁর বিমুগ্ধ শ্রোতা; তিনি এই ঝর্ণা রাণী। হঠাৎ হঠাৎ শোনা যায় হরিণের ডাক। চলার পথে পরিচয় হবে বুনো অর্কিড, জোঁক, পাথরের গায়ে লেগে থাকা প্রায় অদৃশ্য সবুজ শেওলা, অজানা-অচেনা পাখিদের মিষ্টি ডাক, মকমলে ঘাসের সবুজ গালিচা বিছানো উপত্যকার সাথে। আরো কিছুটা হেঁটে একটা মোড় ঘুরলেই চোখের সামনে ভেসে উঠবে নিজের সুবিশাল প্রাচুর্য নিয়ে সগর্বে প্রবাহিত খৈয়াছড়া ঝর্ণা। অনেক উঁচু থেকে বিরামহীন প্রবাহিত হচ্ছে পানি। অবশেষে সকল সৌন্দর্য যেন ধরা দেয় আপন মনে। সৌন্দর্যের শুরু কিন্তু এখান থেকেই, এর ওপরে আছে আরও আটটি ধাপ, যা আগেই বলেছি। নয়টি ধাপের প্রতিটিতেই বিদ্যমান প্রশস্ত জায়গা। পূর্ণিমা রাতে যেখানে তাঁবু টানিয়ে নিমেষেই পার করে দেওয়া যায় পুরো সময়টা। ঝর্ণাস্নানে শরীরটা পরিশুদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি জ্যেৎস্না স্নানে পরিশুদ্ধ হৃদয়ে হঠাৎ কখন যেন দোলা লাগে- “আমারও পরানও যাহা চায়, তুমি তাই, তুমি তাই গো,,,,”
জীব-বৈচিত্রের অফুরন্ত সম্ভার এই পাহাড়ে কিছুটা নীরব-শান্ত পরিবেশে দেখা মেলে বানর আর হরিণের। বয়ে চলা পানির রিমঝিম ঝর্ণার সঙ্গীতরূপী কলকল ধ্বনি, ঝিঁঝিঁর ডাক, জোনাকি পোকার আলোর মায়াবী উপস্থিতি আর বুনো ফুলের মিষ্টি সুবাস নিতে নিতে সৌন্দর্য ক্লান্তির আবেশে নিমেষে বুজে আসে দু’চোখ, স্বপ্নীল ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে শরীর-মন। চাইলে ঝর্ণা থেকে সুপেয় পানি পান করতে পারেন ঝর্ণা পিপাসু তৃষ্ণার্ত দর্শনার্থীরা। খৈয়াছড়াতে আছে সবসময় জ্বলে এমন একটি পাহাড়; যেখানে আগুন কখনও নেভে না, এমনকি বৃষ্টিতেও! বারৈয়াঢালা ব্লক থেকে শুরু করে কুণ্ডের হাট (বড়তাকিয়া) পর্যন্ত এলাকার ২৯৩৩.৬১ হেক্টরের পাহাড়ি জমিকে ২০১০ সালে ঘোষণা করা হয় সরকারি জাতীয় উদ্যান হিসেবে। তখনই এই উদ্যানের প্রধান প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয় এই জলপ্রপাতটি। ২০১৭ সালে ঝর্ণাটি সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকার চালু করে ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়ন প্রকল্প। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের রামগড়, সীতাকুন্ড ও রিজার্ভ ফরেস্ট এই প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত অঞ্চল।

পর্যটন বিভাগের দৃষ্টির অগোচরে অযত্ন-অবহেলায় বয়ে চলা এই ঝর্ণাটি বর্তমানে ভ্রমণ পিপাসুদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে সমহিমায়। গত কয়েক বছরে বেড়েছে পর্যটকের সংখ্যাও। কিন্তু বিভিন্ন কারণে খৈয়াছড়া ঝর্ণার জীববৈচিত্র্য এখন হুমকির মুখে। কার্যকর রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, অসাধুচক্রের লোভ যেমন: পাহাড় কাটা, বৃক্ষ নিধন, বন্যপ্রাণি শিকার, মানুষের অসচেতনতা যেমন: যত্রতত্র প্লাস্টিকসহ অপঁচনশীল পদার্থ, খাবারের প্যাকেট, চিপসের প্যাকেট, সিগারেটের ফিল্টারসহ নোংরা আবর্জনা ফেলার ফলে ধ্বংস হচ্ছে এর প্রতিবেশ ব্যবস্থা। জীব-বৈচিত্র্য রক্ষা, নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা, মানসম্মত হোটেল, রেস্টুরেন্ট, কটেজ ইত্যাদি নির্মাণসহ অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা নিশ্চিত করা গেলে দেশি-বিদেশি পর্যটকের মহাসম্মিলনে; রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে এটি হতে পারে সম্ভাবনার নতুন দূয়ার। ইতোমধ্যে স্থানীয় স্কুলপড়ুয়া কিছু শিক্ষার্থী, বেকার যুবকরা গাইড হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে কিছু দোকানপাঠ। ফলে কিছুটা হলেও পূরণ হচ্ছে তাদের আর্থিক চাহিদা, ঘুচছে বেকারত্ব। সুতরাং ঝর্ণারাণী খৈয়াছড়ার রূপ-লাবণ্যে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আরো বেশি আকৃষ্ট এবং বিমোহিত করতে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি।
জয়ন্ত সরকার 




















