সোমবার ( ৮ জুলাই) সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের অভাবনীয় উন্নয়ন-অগ্রগতির ভূয়সী প্রশংসা করেন। এ সময় বাংলাদেশে বিশেষ করে অর্থনৈতিক অঞ্চলে এবং দেশের অফশোর ব্যাংকিং ব্যবস্থায় সৌদি বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনার বিষয়টি গুরুত্বারোপ করা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ-সৌদি আরব যৌথ ব্যবসায়িক পরিষদকে (জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল-জেবিসি) দু’দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে তাদের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও উন্নত করার বিষয়ের উপর জোর দেয়া হয়। সৌদি আরব থেকে তেল আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্তির জন্য বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন তারা।
৩০ লাখ বাংলাদেশিদের সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ সৌদি আরবের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান। বাংলাদেশি জনশক্তি রপ্তানিতে সৌদি আরবে আরো স্বচ্ছতা আনা এবং শ্রমিক হয়রানি বন্ধে একটি যৌথ টাস্কফোর্স গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ সৌদি আরবে ব্যবসারত বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য রেজিস্ট্রেশনের বিশেষ সুযোগ প্রদানের অনুরোধ জানান।
পাশাপাশি সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সহায়তা চাইলে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বৈঠকে গাজাতে ইসরায়েলের বর্বরতা অপসারনের মুসলিম বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
প্রায় দেড় ঘণ্টার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ বিন সালমানের আসন্ন বাংলাদেশ সফরের বিষয়েও বিশেষ আলোচনা হয়। পাশাপাশি আগামী বছর সৌদি-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীর উদযাপনে যৌথ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাংলাদেশ-সৌদি আরব যৌথ কমিশনের বৈঠককে মন্ত্রী পর্যায়ে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেন তারা।
নিজস্ব সংবাদ : 




















