সংবাদ শিরোনাম ::

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৩ সুগন্ধি চালকে জাতিসংঘের স্বীকৃতি  

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৩ সুগন্ধি চালকে জাতিসংঘের স্বীকৃতি  

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সুগন্ধি গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচূড় চালকে খাদ্য-সংস্কৃতির ‘হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

সুগন্ধি চালের বাজারে গোবিন্দভোগের জনপ্রিয়তা বিপুল। বর্ধমান, হুগলি, নদিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূমের মতো জেলাগুলিতে এই চালের চাষ হয়। তবে তুলাইপাঞ্জি উত্তরবঙ্গের চাল। মূলত উত্তর দিনাজপুর এবং সংলগ্ন এলাকায় এই চালের চাষ হয়। কনকচূড় ফলে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এবার জাতিসংঘ পশ্চিমবঙ্গের বাজারে বিখ্যাত এই তিন সুগন্ধি চালকে স্বীকৃতি দিল।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে রাজ্য সরকার অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আন্তর্বিভাগীয় প্রকল্প ‘মাটির সৃষ্টি’। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমের জেলাগুলির অনাবাদি জমিতে ফসল ফলানোর কৌশল আয়ত্ত করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের ভূমি, সেচ এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের সম্মিলিত প্রয়াসে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

এই প্রকল্পকে স্বীকৃতি দিয়ে জাতিসংঘ রাজ্যকে যে প্রশংসাপত্রটি দিয়েছে, তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুর থেকে প্রায় বিলুপ্ত একটি গ্রে ঈগল আহত অবস্থায় উদ্ধার

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৩ সুগন্ধি চালকে জাতিসংঘের স্বীকৃতি  

আপডেট সময় ০৭:১৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সুগন্ধি গোবিন্দভোগ, তুলাইপাঞ্জি এবং কনকচূড় চালকে খাদ্য-সংস্কৃতির ‘হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

সুগন্ধি চালের বাজারে গোবিন্দভোগের জনপ্রিয়তা বিপুল। বর্ধমান, হুগলি, নদিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূমের মতো জেলাগুলিতে এই চালের চাষ হয়। তবে তুলাইপাঞ্জি উত্তরবঙ্গের চাল। মূলত উত্তর দিনাজপুর এবং সংলগ্ন এলাকায় এই চালের চাষ হয়। কনকচূড় ফলে দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। এবার জাতিসংঘ পশ্চিমবঙ্গের বাজারে বিখ্যাত এই তিন সুগন্ধি চালকে স্বীকৃতি দিল।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে রাজ্য সরকার অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আন্তর্বিভাগীয় প্রকল্প ‘মাটির সৃষ্টি’। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পশ্চিমের জেলাগুলির অনাবাদি জমিতে ফসল ফলানোর কৌশল আয়ত্ত করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের ভূমি, সেচ এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের সম্মিলিত প্রয়াসে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে।

এই প্রকল্পকে স্বীকৃতি দিয়ে জাতিসংঘ রাজ্যকে যে প্রশংসাপত্রটি দিয়েছে, তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।