সংবাদ শিরোনাম ::

জীবাশ্ম জ্বালানি কমিয়ে আনতে চীনে আরও ১১ পারমাণবিক চুল্লি

জীবাশ্ম জ্বালানি কমিয়ে আনতে চীনে আরও ১১ পারমাণবিক চুল্লি

শিল্পায়ন নির্ভর চীন বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারীদেশ। তবে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনতে আন্তরিকতা দেখাচ্ছে এশিয়ার এই পরাশক্তি। ২০৬০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় চীন। এজন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে দেশটি। এর অংশ হিসেবে আরও ১১টি পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন করছে চীন।

দেশটির পাঁচটি জায়গায় নতুন করে এসব চুল্লি বসানোর উদ্যোগের অনুমোদন দিয়েছে স্টেট কাউন্সিল। প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সভাপতিত্বে সোমবার স্টেট কাউন্সিলের নির্বাহী বৈঠকে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানি ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকার হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। নতুন চুল্লিগুলো চীনের জিয়াংশু, শাংডং, ঝেজিয়াং ও গুয়াংজি প্রদেশে স্থাপন করা হবে। নতুন ১১টি চুল্লির জন্য বিনিয়োগ হতে পারে তিন হাজার ৮০ কোটি ডলার, নির্মাণে সময় লাগতে পারে পাঁচ বছর।

বর্তমানে চীনে ৫৬টি পারমাণবিক চুল্লি কার্যকর রয়েছে। বিশ্ব পরমাণু সংস্থা বলছে- এসব চুল্লি থেকে দেশটির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার পাঁচ শতাংশ পূরণ হয়ে থাকে।

আপলোডকারীর তথ্য

Shuvo

মাঝারি রূপ নিচ্ছে তাপপ্রবাহ,তাপমাত্রা হতে পারে ৩৬ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস

জীবাশ্ম জ্বালানি কমিয়ে আনতে চীনে আরও ১১ পারমাণবিক চুল্লি

আপডেট সময় ০৬:৪৫:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০২৪

শিল্পায়ন নির্ভর চীন বিশ্বের শীর্ষ কার্বন নিঃসরণকারীদেশ। তবে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে আনতে আন্তরিকতা দেখাচ্ছে এশিয়ার এই পরাশক্তি। ২০৬০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চায় চীন। এজন্য পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করেছে দেশটি। এর অংশ হিসেবে আরও ১১টি পারমাণবিক চুল্লি স্থাপন করছে চীন।

দেশটির পাঁচটি জায়গায় নতুন করে এসব চুল্লি বসানোর উদ্যোগের অনুমোদন দিয়েছে স্টেট কাউন্সিল। প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সভাপতিত্বে সোমবার স্টেট কাউন্সিলের নির্বাহী বৈঠকে এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, জীবাশ্ম জ্বালানি ও কার্বন নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকার হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে চীন। নতুন চুল্লিগুলো চীনের জিয়াংশু, শাংডং, ঝেজিয়াং ও গুয়াংজি প্রদেশে স্থাপন করা হবে। নতুন ১১টি চুল্লির জন্য বিনিয়োগ হতে পারে তিন হাজার ৮০ কোটি ডলার, নির্মাণে সময় লাগতে পারে পাঁচ বছর।

বর্তমানে চীনে ৫৬টি পারমাণবিক চুল্লি কার্যকর রয়েছে। বিশ্ব পরমাণু সংস্থা বলছে- এসব চুল্লি থেকে দেশটির মোট বিদ্যুৎ চাহিদার পাঁচ শতাংশ পূরণ হয়ে থাকে।