শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা ৪৪টি বিলাসবহুল গাড়ি নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংসদ সদস্যরা (এমপি) এসব গাড়ী আমদানী করেছিলেন। তবে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সরকার পতনের কারণে এমপিরা গাড়িগুলো খালাস করতে পারেননি। গাড়ীগুলোর বাজার মুল্য ৪০০ কোটি টাকা যা বিনা শুল্কে ছাড়াতে পারতেন এমপিরা।
কাস্টমস সূত্র জানায়, শর্ত সহজ করে গাড়িগুলো বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শুল্কসহ এসব গাড়ির প্রতিটির বাজারমূল্য ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা। গাড়িগুলোর ইঞ্জিন ক্যাপাসিটি তিন হাজার থেকে চার হাজার সিসি। এই ধরনের গাড়ির ওপর ৮১০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কারোপ হয়ে থাকে। কিন্তু এমপিরা পেতেন শুল্কমুক্ত সুবিধা।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, শুল্কমুক্ত সুবিধায় গাড়ি আমদানি করেছেন সাবেক ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, সাবেক মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, মাগুরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফয়জুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক পিংকু, নাটোর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান মঞ্জু, সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জান্নাত আরা হেনরি, সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস, হবিগঞ্জের ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন এবং বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া সাবেক এমপি শাহজাহান ওমরসহ অন্তত ৫১ জন।
ডেস্ক রিপোর্ট 










